0 votes
34 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (5 points)
আসসালামু আ'লাইকুম,আমি সহশিক্ষায় পড়লে ফেতনার আশংকা করি তাই ইন্টারের পর সহশিক্ষা বাদ দিতে চাচ্ছিলাম এবং IIUC তে কুরআনিক সাইন্স নিয়ে পড়তে চাচ্ছিলাম। কিন্তু আমার চেনা পরিচিতরা এবং বিশেষ করে আমার মা তা একদম হতে দিতে চাচ্ছেন না। ঘোর বিরোধিতা করছেন এবং অনেক বেশি অসন্তুষ্ট হয়ে যাচ্ছেন। যা হবে হোক কিন্তু ওখানে আমাকে পড়তে দিবেন না- এরকম অনেক কিছুই বলছেন। এমতাবস্থায় আমি চাচ্ছি তাদেরকে বলব যাতে আমি মেডিকেলে পড়ার চেষ্টা করব কিন্তু শর্ত হবে আমাকে দীনদার কারো সাথে বিয়ে দিয়ে দিতে হবে নাহলে অন্তত আকদ করিয়ে দিতে হবে,যাতে নিজেকে  ফেতনা থেকে বাচানো সহজ হয় এবং ওই পরিবেশে যদি কখনো মনে হয় যে আমি ওখানে ইসলাম মেনে কন্টিনিউ করতে পারব না তাহলে যাতে ছেড়ে দিতে পারি কারণ নিজ পরিবারে থেকে সহশিক্ষায় গিয়ে এরপর তা ছেড়ে দেওয়াটা অনেক ডিফিকাল্ট হবে। এখন আমি কি এমনটা করব নাকি সহশিক্ষায় না যাওয়ার ব্যাপারেই বদ্ধপরিকর থাকব?

1 Answer

0 votes
by (502,120 points)
edited by


ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
জেনারেল শিক্ষা অর্জন সম্পর্কে আমরা ইতি পূর্বে বলেছিলাম যে,
বলা যায় মুসলিম দেশের মুসলিম সরকারের জন্য ওয়াজিব যে,অচিরেই পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা।
প্রয়োজনে এ জন্য শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালন করা সমস্ত মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব ও কর্তব্য।
কিন্তু যতদিন পর্যন্ত এই পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু না হচ্ছে ,ততদিন প্রয়োজনের তাগিদে নিম্নোক্ত শর্তাদির সাথে কলেজ-ভার্সিটিতে শিক্ষা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া যেতে পারে।

১/শিক্ষা অর্জন দেশ ও মুসলিম জাতীর খেদমতের উদ্দেশ্যে হতে হবে।
২/চোখকে সব সময় নিচু করে রাখতে হবে,প্রয়োজন ব্যতীত কোনো শিক্ষক/শিক্ষিকার দিকে তাকানো যাবে না।মহিলা/পুরুষ তথা অন্য লিঙ্গের  সহশিক্ষার্থীদের সাথে তো কোনো প্রকার সম্পর্ক রাখা যাবেই না।সর্বদা অন্য লিঙ্গর শিক্ষার্থী থেকে নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখতে হবে।(ফাতাওয়া উসমানী ১/১৬০-১৭১)(শেষ)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/434

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
"আপনি বলেছেন যে,
আপনি চাচ্ছেনন, আপনার পরিবারকে বলবেন যে, আপনি মেডিকেলে পড়বেন।তবে শর্ত হল, আপনাকে দীনদার কারো সাথে বিয়ে দিয়ে দিতে হবে, না হলে অন্তত আকদ করিয়ে দিতে হবে,যাতে নিজেকে  ফেতনা থেকে বাচানো সহজ হয়। এবং যদি কখনো যদি মনে হয়,আখেরাত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তাহলে তখন যেন ফিরে আসতে পারেন।"

আপনার এই সিদ্ধান্ত যুগ ও সময়োপযোগী এবং শরীয়ত সমর্থিত। আপনার ভবিষ্যত উজ্জল হোক, আমীন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...