আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

+1 vote
310 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (13 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া র'হমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ
১. কোনো নারী রাতে একা/স্বামীর সাথে ঘুমালে কতোটুকু সতর উন্মুক্ত রাখতে পারবে?
২. আমার গ্যাসের সমস্যা অনেক বেশি হওয়ায় ঔষধ না খেলে কোনো কোনো ওয়াক্তে ফরজ নামাজ পড়াকালীনই কয়েকবার করে ওযু ভাঙে, ওযু ধরা রাখা আমার জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে থাকে। কখনো কখনো জোর করেও ওযু ধরে রাখার চেষ্টা করতে হয়। এমন অবস্থায় আমি মাযুর হলে প্রতি ওয়াক্তে আমাকে একবার করে ওযু করতে হবে। কিন্তু যদি এরকম হয় ফজর এবং যোহরের ফরজ নামাজে ২-৩বার করে ওযু ভাঙছে। আবার আসরের ওয়াক্তে ফরজ নামাজ পড়তে পারছি, গ্যাসের প্রব্লেম কম হচ্ছে বা ওযু ধরে রাখতে পারছি। হয়তো মাগরিবেও পারছি। কিন্তু মাগরিব বা এশার ওয়াক্তে আবার আগের মতোই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি কি মাযুর বলে বিবেচিত হবো? গ্যাসের ঔষধ নিতে থাকলে সমস্যা কম দেখা দেয়। কিন্তু সবসময় টানা ঔষধ খেয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না। আর ঔষধ না খেলে বেশিরভাগ সময়ই গ্যাসের সমস্যা তীব্র থাকে আর আমার ৩-৪ ওয়াক্ত  নামাজে ফরজটুকু পড়তে কয়েকবার করে ওযু ভাঙার সমস্যা দেখা দেয়। এরকম পরিস্থিতিতেও আমার জন্য করণীয় কি?
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান ফিদ দুনিয়া ওয়াল আখিরহ

1 Answer

0 votes
by (805,290 points)
edited by
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
স্বামীর সামনে শরীরের সবকিছুই খোলা যাবে। হ্যা,সাধারণত একজন মহিলা অন্য মহিলার সামনে যে হাত পা খোলা রেখে ঘুমান,সেভাবে স্ত্রী তার স্বামীর পাশে ঘুমানোই উচিৎ।


(২)
আপনার বিবরণমতে আপনার যেই ওয়াক্তে উযর থাকবে না, সেই ওয়াক্তে আপনি মা'যুর হিসেবে বিবেচিত হবেন না।আর যখন পূর্ণ ওয়াক্ত ব্যাপি উযর থাকবে, তখন আপনি মা'যুরের মত নামায পড়বেন।

 شَرْطُ ثُبُوتِ الْعُذْرِ ابْتِدَاءً أَنْ يَسْتَوْعِبَ اسْتِمْرَارُهُ وَقْتَ الصَّلَاةِ كَامِلًا وَهُوَ الْأَظْهَرُ كَالِانْقِطَاعِ لَا يَثْبُتُ مَا لَمْ يَسْتَوْعِبْ الْوَقْتَ كُلَّهُ حَتَّى لَوْ سَالَ دَمُهَا فِي بَعْضِ وَقْتِ صَلَاةٍ فَتَوَضَّأَتْ
وَصَلَتْ ثُمَّ خَرَجَ الْوَقْتُ وَدَخَلَ وَقْتُ صَلَاةٍ أُخْرَى وَانْقَطَعَ دَمُهَا فِيهِ أَعَادَتْ تِلْكَ الصَّلَاةَ لِعَدَمِ الِاسْتِيعَابِ. وَإِنْ لَمْ يَنْقَطِعْ فِي وَقْتِ الصَّلَاةِ الثَّانِيَةِ حَتَّى خَرَجَ لَا تُعِيدُهَا لِوُجُودِ اسْتِيعَابِ الْوَقْتِ. 
(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া -১/৪০)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (805,290 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...