0 votes
15 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (17 points)
১. কোনো পৃষ্ঠায় কুরআনের আয়াত লিখা থাকলে সেই পৃষ্ঠাটি প্রয়োজন না হলে তা পুড়িয়ে ফেলা যাবে.?

২. বাহিরে থাকা অবস্থায় কাপড়ে নাপাকী লেগে থাকলে উক্ত কাপড় দিয়ে নামাজ হবে?


৩. ১০/১১ বছর বয়সী মেয়ের জন্য বাহিরে বোরকা পড়া এবং নিকাব করা বাধ্যতামূলক?

1 Answer

0 votes
by (502,120 points)
edited by

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
(১) কোনো পৃষ্ঠায় কুরআনের আয়াত লিখা থাকলে সেই পৃষ্ঠাটি প্রয়োজন না হলে,গভীর পানিতে কিছুর সাথে বেধে ফেলে দিতে হবে।এবং পুড়িয়ে ফেলারও রুখসত থাকবে।

(২) বাহিরে থাকা অবস্থায় কাপড়ে নাপাকী লেগে থাকলে উক্ত কাপড় দিয়ে নামাজ পড়া হবে,এবং বাসায় এসে উক্ত নামাযকে আবার দোহড়িয়ে পড়তে হবে।

(৩)
বালেগ হওয়ার কয়েকটি আলামত রয়েছে যথা-সাধারণত ১৫ বৎসর বয়স থেকে ছেলে বালিগ হয়।এবং ১৩ বৎসর বয়স থেকে মেয়ে বালিগ হয়।তবে স্থান কাল ও খাদ্যাভ্যাস হিসেবে এর আগেও শারিরিক উন্নতি হয়ে বালিগ হতে পারে।ছেলেদের বালেগ হওয়ার আলামত,স্বপ্নদোষ হওয়া।আর মেয়েদের বালিগ হওয়ার আলামত,হায়েয শুরু হওয়া।এ আলামত গুলো যখনই পাওয়া যাবে তখনই বালেগ হিসেবে গণ্য করা হবে।
قال أبو حنيفة: مدة البلوغ بالسن في الغلام ثماني عشرة سنة، وفي الجارية سبع عشرة سنة.
وقال أبو يوسف، ومحمد: في الغلام والجارية خمس عشرة سنة
েইমাম আবু-হানিফা রাহ বলেন, ছেলে ১৮ বছরের সময় বালিগ হয়। আর মেয়ে ১৭ বছরের সময় বালিগ হয়। আর ইমাম আবু- ইউসুফ রাহ বলেন, ছেলে মেয়ে উভয়-ই ১৫ বছরের সময় বালিগ হয়।
(৭১৭ নং মাসআলা,কুদুরী)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/41886

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
১০/১১ বছর বয়সী মেয়েকে দেখতে যদি বাচ্ছা বাচ্ছা মনে হয়,তাহলে বাহিরে তার জন্য বোরকা পরিধান জরুরী নয় নতুবা জরুরী।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (502,120 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...