0 votes
25 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (21 points)
আসসালামু আলাইকুম হযরত,

সাহল ইবনে সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

দুইটি মুহুর্তে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। তখন দোয়াকারীদের দোয়া খুব কমই প্রত্যাখ্যাত হয়। (১) আযানের সময় এবং (২) যখন (মুজাহিদগণ) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে কাতারবন্দী হয়।
(আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নং ৬৬৬)

হযরত,

এই হাদিসে আযানের সময় বলতে কোন সময়টা বুঝানো হয়েছে। আমি তো জানি আযানের সময় আযানের জবাব দিতে হয়।এই সময় কী আযানের জবাব বাদ দিয়ে দুআ করা ঠিক হবে? না এখানে, আযানের সময় বলতে আমান ও ইকামতের মাঝে দুআ করতে হবে।

এই বিষয়গুলো একটু পরিষ্কার করে দিবেন, ইনশাআল্লাহ।

1 Answer

0 votes
by (95,960 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ 
আযানের সময় আযানের জবাব দিতে হবে।যেমন নিম্নের হাদীসে বর্ণিত রয়েছে।
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত।
عن عمر بن الخطاب قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " إذا قال المؤذن الله أكبر الله أكبر فقال أحدكم الله أكبر الله أكبر ثم قال أشهد أن لا إله إلا الله قال أشهد أن لا إله إلا الله ثم قال أشهد أن محمدا رسول الله قال أشهد أن محمدا رسول الله ثم قال حي على الصلاة قال لا حول ولا قوة إلا بالله ثم قال حي على الفلاح قال لا حول ولا قوة إلا بالله ثم قال الله أكبر الله أكبر قال الله أكبر الله أكبر ثم قال لا إله إلا الله قال لا إله إلا الله من قلبه دخل الجنة "
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি মুয়াজ্জিনের আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার-এর জওয়াবে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার বলে এবং আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর জওয়াবে আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে এবং আশহাদু আন্না মুাহম্মাদার রাসূলুল্লাহ এর জওয়াবে আশহাদু আন্না মুাহম্মাদার রাসূলুল্লাহ বলে। অতঃপর হাইয়্যা ‘আলাস্-সলাহ-এর জওয়াবে যদি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলে। তারপর হাইয়্যা ‘আলাল-ফালাহ-এর জওয়াবে যদি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলে। তারপর যদি আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার জওয়াবে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার এবং লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর জওয়াবে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।(সহীহ মুসলিম-৩৮৫)

আপনি যে দু'আর কথা বলছেন,সেই দু'আ হল,আযান এবং ইকামতের মধ্যকার দু'আ। যেমন নিম্নের হাদীসে বলা হচ্ছে,আযান েববং ইকামতের মধ্যবর্তী দু'আ কে ফিরিয়ে দেয়া হয় না।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে,
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ، وَأَبُو أَحْمَدَ وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زَيْدٍ الْعَمِّيِّ، عَنْ أَبِي إِيَاسٍ، مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الدُّعَاءُ لاَ يُرَدُّ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ "  .
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়ের দু'আ ফেরত দেয়া হয় না।( মিশকাত ৬৭১, ইরওয়া-২৪৪, সহীহ আবু দাউদ- ৫৩৪, সুনান তিরমিযি-২১২,মুসনাদে আহমাদ-১২১৭৪)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...