ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
জবাবঃ-
(১.২.৩)
নামাযে যেকোনো ভুলের কারণে সেজদা সাহু ওয়াজিব হয়ে যায় না। বরং ভুলে নামাযের কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলে কিংবা কোনো ফরয বা ওয়াজিব বিলম্বিত হলে ওয়াজিব হয়। আর যদি ভুলে কোনো ফরয ছুটে যায়, তবে সেজদা সাহু করা যথেষ্ট নয়, বরং পুনরায় নামায আদায় করতে হবে। আর কোনো সুন্নত বা মুস্তাহাব ছুটে গেলে সেজদা সাহু করার বিধান নেই।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك بن أنس، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن الأعرج، عن عبد الله بن بحينة رضي الله عنه، أنه قال: صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين من بعض الصلوات، ثم قام فلم يجلس، فقام الناس معه، فلما قضى صلاته ونظرنا تسليمه كبر قبل التسليم، فسجد سجدتين وهو جالس، ثم سلم.
আবদুল্লাহ ইবনে বুহায়না রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক নামায আমাদের দুই রাকাত পড়ান। তারপর না বসে দাঁড়িয়ে যান। মুকতাদীরাও তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে যায়। যখন তিনি নামায পূর্ণ করলেন এবং আমরা তাঁর সালাম ফিরানোর অপেক্ষা করছিলাম তখন সালাম ফিরানোর আগে তাকবীর দিলেন এবং বসা অবস্থায় দুটি সেজদা করলেন। তারপর সালাম ফিরালেন।
(সহীহ বুখারী, হাদীস ১২২৪ সহীহ মুসলিম, হাদীস ৫৭০)
★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
নামাজে চাই তাহা কিরাআত রত অবস্থায় হোক বা বৈঠকে হোক, এক রুকন সমপরিমাণ চুপ থাকলে সেজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয়।
(এক রুকন= ছহীহ শুদ্ধ ভাবে তিন বার سبحان ربي العظيم পড়া সমপরিমাণ সময়)
বিস্তারিত জানুনঃ
(০৪)
অন্য মাযহাব পন্থী ইমামের পিছনে শর্ত ইক্তেদা করা জায়েজ আছে।
হজ্জে গিয়েও এটির সম্মুখীন সকলের হতে হয়।
কেননা সেখানকার ইমামগন হাম্বলি মাযহাব অনুসারী।
বিস্তারিতঃ
যদি অন্য মাজহাবের ইমামের ব্যাপারে সুনিশ্চিতভাবে জানা থাকে যে, তিনি নামাজের ফরজসমূহ আদায়ের ক্ষেত্রে হানাফি মাজহাবের প্রতিও খেয়াল রাখেন তাহলে একাকি নামাজ পড়ার চেয়ে তার পেছনে ইকতিদা করাই উত্তম। আর যদি জানা থাকে যে, তিনি ফরজসমূহের ক্ষেত্রেও হানাফি মাজহাবের প্রতি খেয়াল রাখেন না তাহলে তার পেছনে ইকতিদা করা যাবে না। আর যদি কিছুই জানা না যায়, তবে এমন ব্যক্তির ইকতিদা করা মাকরূহ হলেও তার পেছনে জামাতে নামাজ পড়াই উত্তম। তবে শর্ত হলো, মুক্তাদির মাজহাব অনুযায়ী ইমাম সাহেব থেকে নামাজ ভঙ্গের কোনো কারণ (যেমন, শরীরের কোনো স্থান হইতে রক্ত, পুঁজ বা পানি বের হয়ে গড়িয়ে পড়া ইত্যাদি) প্রকাশ না পাওয়া। এমন কিছু প্রকাশ পেলে মুক্তাদির নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।
(সংগৃহীত)
(০৫)
৪ মাযহাবের প্রত্যেকটি সম্পূর্ণ।
সমস্ত মাসয়ালা অবশ্যই সেই মাযহাবের স্কলারদের প্রশ্ন করলে জবাব পাবেনই।
সরাসরি কিতাবে পাওয়া না গেলেও সেই মাযহাবের স্কলারগন উসুল ও কায়েদার ভিত্তিতে সঠিক জবাব দিবেন।
,
সুতরাং ভিন্ন মাযহাব অনুসরন এর সুযোগ নেই।
কোনো মাসয়ালা নিয়ে সমস্যা মনে হলে বিজ্ঞ স্কলারদের স্বরনাপন্ন হতে হবে।
(০৬)
এক দিরহামের কম লাগলে এটি মাফ।
(০৭)
শরীয়াহ নীতি মেনে সঠিকভাবে ইস্তেঞ্জার পর টিস্যু ব্যবহার করে ভালো ভাবে পান দিয়ে ধুয়ে ফেলার পর কোনো সন্দেহকে আর মনে আসতে দিবেননা।
আরো জানুনঃ