0 votes
10 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (37 points)

নবি (সঃ) সাহাবিদেরকে বললেন যে তোমরা অমুক স্থানে যেয়ে আসরের নামাজ পড়ো।
সাহাবিরা যাচ্ছিলেন পথের মধ্যে নামাজের সময় হয়ে গেল ।
একদল সেখানেই নামাজ পরে নিল । তারা ভাবল ওয়াক্ত হলেই নামাজ পড়তে হয় । দেরি করা উচিত নয় ।  
আর এক দল অমুক স্থানে গিয়ে নামাজ পড়ল । তারা ভাবল নবি (সঃ) অমুক স্থানে যেয়ে নামাজ পড়তে বলেছেন সেখানে
যেয়েই পড়া উত্তম। 
তারপর নবি (সঃ) এর কাছে গিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন ২ দলেরই নামাজ সঠিকভাবে হয়েছে।

(সাধারণ ভাবে সবাই তো বুঝবে যে নামাজ সঠিক হয়ে গেছে। একদল আওয়াল ওয়াক্তে পড়েছে আরেক দল দেরি করে
পড়েছে। এখানে নামাজ না হয়ার কারনই তো খুজে পাই না।)

আমার প্রশ্ন হচ্ছে উপোরোক্ত কথাটা কি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত? নাকি শুধু আলেমদের কথা? যদি হাদিসে থাকে তাহলে
নাম্বার সহ রেফারেন্স দিলে উপকৃত হব ইনশাআল্লাহ্‌। 

1 Answer

0 votes
by (245,840 points)
edited by
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
জবাবঃ-


এটি হাদীস দ্বারা প্রমানীত। 
হাদিসটি সহীহ।
,
হাদীস শরীফে এসেছেঃ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، قَالَ حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم لَنَا لَمَّا رَجَعَ مِنَ الأَحْزَابِ " لاَ يُصَلِّيَنَّ أَحَدٌ الْعَصْرَ إِلاَّ فِي بَنِي قُرَيْظَةَ ". فَأَدْرَكَ بَعْضُهُمُ الْعَصْرَ فِي الطَّرِيقِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ نُصَلِّي حَتَّى نَأْتِيَهَا، وَقَالَ بَعْضُهُمْ بَلْ نُصَلِّي لَمْ يُرَدْ مِنَّا ذَلِكَ. فَذُكِرَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُعَنِّفْ وَاحِدًا مِنْهُمْ.

ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাব যুদ্ধ হতে ফিরার পথে আমাদেরকে বললেন, বনূ কুরাইযাহ এলাকায় পৌঁছার পূর্বে কেউ যেন ‘আসর সালাত আদায় না করে। কিন্তু অনেকের রাস্তাতেই আসরের সময় হয়ে গেল, তখন তাদের কেউ কেউ বললেন, আমরা সেখানে না পৌঁছে সালাত আদায় করব না। আবার কেউ কেউ বললেন, আমরা সালাত আদায় করে নেব, আমাদের নিষেধ করার এ উদ্দেশ্য ছিল না (বরং উদ্দেশ্য ছিল তাড়াতাড়ি যাওয়া) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এ কথা উল্লেখ করা হলে,তিনি তাঁদের কারোর সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেন নি। {তিনি তাঁদের কারোর ব্যাপারে কড়াকড়ি করেননি।} 

(বুখারী শরীফ ৯৪৬.৪১১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৯)
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১২ খাওফ, অধ্যায় ৫, হাঃ ৯৪৬; মুসলিম, পর্ব ৩২: জিহাদ, অধ্যায় ২৩, হাঃ ১৭৭০)

★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
এখানে প্রশ্নে উল্লেখিত হাদীসে উভয় দলের নামাজ সহীহ হওয়া লক্ষ্যনীয় ধরে ইজতিহাদ এর উপর দলিল দেওয়া হয়নি,বরং এখানে রাসুলুল্লাহ সাঃ তাদেরকে আসর নামাজ বনূ কুরাইযাহ এলাকায় পৌঁছার পূর্বে  আদায় না করতে আদেশ করেছিলেন,সেই আদেশ ইজতিহাদের ভিত্তিতে উভয় দল যে উভয় ভাবে মেনেছিলেন,সেটিই লক্ষ্যনীয় ।
এটিই দলিল।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...