ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
عَنْ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ـ رضى الله عنه ـ عَلَى الْمِنْبَرِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ إِلَى امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ ".
আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহ.) হতে বর্ণিত। আমি ’উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ কাজ (এর প্রাপ্য হবে) নিয়্যাত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে ইহকাল লাভের অথবা কোন মহিলাকে বিবাহ করার উদ্দেশে- তবে তার হিজরত সে উদ্দেশেই হবে, যে জন্যে, সে হিজরত করেছে।]- (সহীহ বোখারী-১)
উসূলে ফিকহের মূলনীতি হলো,
الأمور بمقاصدها-(شرح المجلة لسليم رستم باز)
প্রত্যেক কাজ তার উদ্দেশ্যর উপর নির্ভরশীল।
সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
উপরোক্ত কথা অনেক দিক রয়েছে। একদিকে চিন্তা করলে দেখা যায় যে, এই কথা বলাতে কোনো সমস্যা নেই।কেননা একজনের মুসলমানের জন্য উচিৎ অপর মুসলমানের জন্য দু'আ করা। এবং একজন মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের প্রতি সু-ধারণা থাকাই উচিৎ। সে হিসেবে কোন এক মুসলমান অন্য মুসলমানকে বলতে পারে যে, আপনার দোয়ার বরকতে ভালই আছি। অন্যদিকে চিন্তা করলে অবহেলার মতই মনে হয়।
সকল পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা বলবো যে, এরকম পরিস্থিতিতে, "আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর রহমতে ভালই আছি" বলা উচিত।