0 votes
13 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (32 points)
১. আমি ১১/১২ বছর বয়স থাকতে এমনি এমনি অনেক পিপড়া মারতাম। মনে এ যুক্তিও ছিল এদের সংখ্যা কমলে বাসা সুন্দর দেখাবে। এটা কি আমার পাপ হয়েছে? কিরকম পাপ? মানুষ হত্যার মতো কি পাপ? আল্লাহ্ কি আমার এই পাপ ক্ষমা করবেন যদি আমি তওবা করি।

২. ইলার মাধ্যমে আমার মনে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যদি স্ত্রীর প্রতি তালাক এসে যায় বা মনে মনে স্ত্রীকে তালাক দিলে তা কি কার্যকর হবে? জোরে বললেও কেউ যদি না শুনে তাহলে কি কার্যকর হবে?

৩. আল্লাহ্ সম্পর্কে অনিচ্ছা সত্ত্বেও মনে খারাপ কথা চলে আসে। যখন আমি বেশি ধার্মিক থাকি তখন এটা বেশি হয়।

এখন এ ধরণের চিন্তার কারণে আবার ভয় হয় আমার চেহারা বিকৃত হয় কিনা, আমি যদি অভিশপ্ত হয়ে কোন প্রাণীর মতো হয়ে যাই। এ ধরণের ভয়ের যুক্তি কতটুকু?

1 Answer

0 votes
by (283,200 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহাম।
জবাবঃ-
(১)
https://www.ifatwa.info/895 নং ফাতাওয়ায় বলেছি যে,
সাধারণত পিপিলিকাকে হত্যা করা হারাম ও নাজায়েয।
ইবনে আব্বাস রাযি থেকে বর্ণিত
عن ابن عباس رضي الله عنهما قال: "نهى رسول الله صلى الله عليه سلم عن قتل أربع من الدواب النملة، والنحلة، والهدهد، والصرد"
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চার প্রকার প্রাণী হত্যা করতে বারণ করেছেনঃ পিঁপড়া, মধুমক্ষিকা, হুদহুদ পাখি এবং চড়ুই সদৃশ বাজ পাখি।(সুনানু আবি-দাউদ-৫২৬৭, সুনানু ইবনি মা'জা-৩২২৪)

তবে কষ্টদায়ক পিপড়া যা মানুষের শরীরে কামড় দেয় বা যা খাদ্যকে নষ্ট করে দেয়,সেই সব পিপড়াকে হত্যা করা জায়েয আছে।যেমন সাদা পিপড়া,বা লাল পিপড়া।হাদীসে পিপড়া হত্যাকে নিষেধ করা হয়েছে,সেগুলো মূলত সেসব পিপড়াকে কেন্দ্র করে বলা হয়েছে,যেগুলো মানুষকে কোনো প্রকার ক্ষতি পৌছায় না।
সুতরাং ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো পিপড়াকে হত্যা করা যাবে না,যতক্ষণ না সেই পিপড়া কষ্টদায়ক প্রমাণিত হবে।এবং উক্ত পিপড়াকে হত্যা ব্যতিত সামনে বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকবে।(শেষ)

যদি আপনি বিনা প্রয়োজনে অযথাই পিপড়া হত্যা করে থাকেন, তাহলে আপনার গোনাহ হবে।এজন্য আপনাকে তাওবাহ করতে হবে।

(২)
মনে মনে তালাক দিলে সেটা কার্যকর হবে না।তবে আওয়াজ করে তালাক দিলে, সেটা কার্যকর হবে।

(৩)
আল্লাহ্ সম্পর্কে অনিচ্ছা সত্ত্বেও মনে খারাপ কথা চলে আসলে সাথে সাথেই আপনাকে তাওবাহ করতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...