0 votes
18 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (60 points)
১)আমার মনে হয় একটি আয়াত আমাদের ইমাম সাহেব প্রায়ই তিলাওয়াত করে থাকেন।তো সেরকম আমার মাথায় আসে আর আমিও তা আসতে আসতে তিলাওয়াত করি।কিন্তু এটা আমি নিশ্চিত ছিলাম না আমি সঠিক পড়ছি নাকি ভুল পড়ছি যেহেতু আমার মুখস্ত না কেবল শুনে শুনে মাথায় এসেছে।এরকম জেনে শুনে ভুল আয়াত পড়ার কারণে কি ঈমান ভঙ্গ হবে?

২)আমি আমার বাবা ও মাকে বলছিলাম যে হারামকে হালাল মনে করা কুফরী কিন্তু মানুষ এটাকে পাত্তাই দেয় না। কুফরী করলে ত ঈমান থাকে না।আমার কথা শুনে আমার মা কথা প্রসঙ্গে বললেন "আমাদের তো কারোরই ঈমান নাই" তিনি এটা আমার কথার ভিত্তিতে বলেছেন।তার মনে নিজেকে কাফের বলার কোনো নিয়ত ছিল না।আমার মায়ের কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?

৩)নিজের ভাগ্যকে কেউ গালি দিলে কি ঈমান ভঙ্গ হয়। মানে একলোক চাচ্ছিল যে তার এই কাজ না করা লাগে কিন্তু তাও কাজটি তার করতে হয় তাই বলে আমার ভাগ্যই এমন এরকম একটা গালি দেয় এতে কি ঈমান ভঙ্গ হবে?

৪)দুই সিজদার মাঝে রব্বিগফিরলি রব্বিগফিরলি পড়তে হয়।এখানে রব্বিগফিরলি এর শেষে অর্থাৎ লি তে এক আলিফ না টানলে কি লাহনে জলি হবে? নামাজ ফাসিদ হবে?

৫) সূরা ফাতিহা তে ইহ দিনাস ছিরো তল মুস্তাকিম

এই আয়াতে ছিরো এর র তে এক আলিফ না টানলে কি নামাজ ফাসিদ হবে?

1 Answer

0 votes
by (16,560 points)
edited by

 

 

بسم الله الرحمن الرحيم

জবাবঃ-

 ১ . ফিক্বহে হানাফিতে ইমামের পিছনে মুক্তাদীর জন্য ক্বিরাত পড়া জায়েয নেই।বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:https://ifatwa.info/8030/?show=8030#q8030

ইচ্ছাকৃত ভাবে এভাবে তেলাওয়াত করা ঠিক না।কারণ,যদি অশুদ্ধ হওয়ার কারণে অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায় তাহলে সওয়াবের পরিবর্তে গোনাহ হবে কিন্তু ঈমান ভঙ্গ হবে না। তবে আপনার জন্য উচিত ইমামের কাছ থেকে উক্ত আয়াতটি সহিহ শুদ্ধ ভাবে শিখে নেওয়া।

২. যেহেতু আপনার মা কুফরীর উদ্দেশ্যে উক্ত কথাটি বলেনি বিধায় এতে ঈমান ভঙ্গ হবে না কিন্তুু কোন ইমানদারের জন্য এজাতীয় কথা মুখে উচ্চারণ করাটা মোটেও উচিত না।

৩.কুরআন ও হাদীসে তাক্বদীর কে দোষারোপ করতে কঠোর ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। বিধায় কোন পূর্ণ ইমানদ্বার ব্যক্তি নিজের ভাগ্যকে গালি দিতে পারে না। অতএব এজাতীয় কথা থেকে তওবা করতে হবে।

৪.জ্বী না, নামাজ ফাসেদ হবে না।

৫.যদি উক্ত ভুলের কারণে অর্থ পরিবর্তন না হয়। তাহলে নামাজ ফাসেদ হবে না অন্যথায় নামাজ ফাসেদ হয়ে যাবে।

 

 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী মুজিবুর রহমান
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...