+1 vote
156 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by
টাখনুর উপর প্যান্ট পরার পরে আবার মুজা পরলেতো টাখনু ঢেকে যায়

1 Answer

+1 vote
by (37.6k points)
বিসমিহি তা'আলা

সমাধানঃ-

হাদীসে এসেছে

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

ﺛَﻼَﺛَﺔٌ ﻻَ ﻳُﻜَﻠِّﻤُﻬُﻢُ ﺍﻟﻠﻪُ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﻭَﻻَ ﻳَﻨْﻈُﺮُ ﺇِﻟَﻴْﻬِﻢْ ﻭَﻻَ ﻳُﺰَﻛِّﻴﻬِﻢْ ﻭَﻟَﻬُﻢْ ﻋَﺬَﺍﺏٌ ﺃَﻟِﻴﻢٌ - ﺍﻟْﻤُﺴْﺒِﻞُ ( ﻭﻓﻲ ﺭﻭﺍﻳﺔ ﺇﺯﺍﺭﻩ ) ﻭَﺍﻟْﻤَﻨَّﺎﻥُ [ ﻭﻓﻰ ﺭﻭﺍﻳﺔ : ﺍَﻟَّﺬِﻯْ ﻻَ ﻳُﻌْﻄِﻰْ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﺇِﻻَّ ﻣِﻨْﻪُ ] ﻭَﺍﻟْﻤُﻨَﻔِّﻖُ ﺳِﻠْﻌَﺘَﻪُ ﺑِﺎﻟْﺤَﻠِﻒِ ﺍﻟْﻜَﺎﺫِﺏِ –

তিন প্রকার লোকের সাথে আল্লাহ কেয়ামতের দিন কোনো কথা বলবেন না,এবং তাদের দিকে তাকাবেন মও না এবং তাদেরকে পবিত্র করবেন না; বরং তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

তারা হ’ল-

(১) টাখনুর নীচে কাপড় (অন্য বর্ণনায় লুঙ্গী) পরিধানকারী,

(২( খোঁটাদানকারী (অন্য বর্ণনায় এসেছে, যে খোঁটা না দিয়ে কোন কিছু দান করে না)
(৩) মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয়কারী।

(মুসলিম ১০৬ মিশকাত ২৭৯৫)

অনেকেই এমন প্রশ্ন করেন।

প্রথমেই আমাদেরকে টাখনুর উপর এবং নিচ  বুঝতে হবে।

টাখনু ঢেকে যাওয়া মূলত নিষেধ না।

বরং নিষেধ হল,ওপর থেকে কাপড় পরলে সেটি টাখনুর নিচে যেতে পারবে না।চায় সেট লুঙ্গি হোক, পাজামা হোক, প্যান্ট হোক।

উপরের হাদীসে আমরা লক্ষ্য করেছি,যেখানে বলা হয়েছে,
‘যেটা টাখনুর নিচে চলে যাবে, সেটা জাহান্নামে যাবে।’
মোজা তো নিচের দিক থেকে ওপরে পড়া হয়।সুতরাং এটি টাখনুর নিচে যায়নি।তাই টাখনুর নিচে কাপড় পরা হারাম বলে যে বিধান রয়েছে সেটা এক্ষেত্রে বাস্তবায়িত হবে না।

আল্লাহর রাসুল নিজেও মোজা পরেছেন।

মোজা আমরা নিচের দিক থেকে ওপরের দিকে পড়ি, সুতরা এই বিষয়টা আলাদা।

মূল কথা হচ্ছে,
কাপড় পরলে সেটি ওপরের দিক থেকে টাখনুর নিচের দিকে যেতে পারবে না।কেননা এটা অহংকারীদের আ'লামত।

আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক।

আমীন।

আল্লাহ -ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

...