0 votes
13 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (7 points)
অনেক সময় এমন হয় যে কোনো একটা নেক আমল করার নিয়াত করলাম একান্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই। কিন্তু কিছু ক্ষণ পরে মনের মধ্যে এমন ভাবনার উদয় হয়, "হ্যাঁ আমল টা করো,লোকেও ভালো বলবে" তো এটা কি রিয়া হবে? যদিও নিয়াত করা হয়েছিল আল্লাহর জন্যই৷ যদি রিয়া হয়ে থাকে তাহলে কিভাবে বাঁচবো কিছু টেকনিক শিখালে ভালো হয়।এবং এমতাবস্থায় কি ঐ নেক আমলটি করা হতে বিরত থাকবো?

1 Answer

0 votes
by (203,080 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
ইবাদত শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তষ্টির জন্যই হওয়া চাই।
রাছূল সাঃ বলেছেন-
مَنْ صَلَّى يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ، وَمَنْ صَامَ يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ، وَمَنْ تَصَدَّقَ يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ.৩
অর্থ:- যে ব্যক্তি মানুষকে দেখানোর উদ্দেশ্যে নামায পড়ল সে শির্ক করল, যে ব্যক্তি মানুষকে দেখানোর উদ্দেশ্যে রোযা পালন করল সে শির্ক করল, যে ব্যক্তি মানুষকে দেখানোর উদ্দেশ্যে দান-সাদাক্বাহ করল সে শির্ক করল।(মুসনাদে আহমাদ)


আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে সমান সমান ভিন্ন কোনো নিয়ত থাকলে বা আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতীত ভিন্ন কোনো নিয়ত থাকলে তখন উক্ত ইবাদতকে রিয়া বলা যায়।তবে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই মূল উদ্দেশ্য থাকে,এবং লোকজন ভাল বলবে,সেই আমলের দুনিয়াবী ফয়দা বিবেচনা করা হয়,তাহলে এমন নিয়ত আল্লাহর সাথে শরীক করা হয় না এবং লোক দেখানোও হয় না।

সুতরাং বলা যায় যে,
প্রশ্নে বর্ণিত সূরতটি রিয়ার অন্তর্ভুক্ত হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...