0 votes
15 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (22 points)
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু
১/ কোন কারনে কষ্ট পেয়ে যদি কান্না আসে(এমন নয় যে গুনাহ এর অনুতপ্ততা কিংবা জাহান্নাম এর ভয়) অর্থাৎ কোন দুনিয়াবি কারণে আসে এবং যদি তখন আল্লাহ এর কাছে সাহায্য চাওয়া হয় তাহলে কি সেই কান্না এর মুল্য থাকবে?
এরকম টা কি করা উচিৎ?
২/ ইবাদত এ স্বাদ পেতে হলে কি করণীয়??
৩/ এমন কোন আমল আছে যাতে শয়তান হতাশ হয়ে যায়, উক্ত ব্যক্তিকে ভয় পায় এবং তাকে ছেড়ে দেয় বা শয়তান এর confidence কমে যায় সেই ব্যক্তি কে পরাজিত করার ক্ষেত্রে এবং একি সাথে ব্যক্তিরও confidence বেড়ে যায় গুনাহ ছাড়া এর ব্যাপারে??
৪/ শয়তান এর আক্রমণ কি বাড়তে থাকে?? কখন শয়তান সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়??

জাযাকাল্লাহু খইরন।

1 Answer

0 votes
by (203,080 points)
edited by
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
(১) কান্না মানুষের অনিচ্ছাকৃত একটি বিষয়। সুতরাং কোনো কারণে কান্না চলে আসলে আপনার ফযিলতে কোনো কমতি আসবে না। তবে জাহেলী যুগের মত কান্না করা যাবে না। 
(২)
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু।(সূরা আলে ইমরান-৩১)

আল্লাহ বলছেন,যে উনাকে পেতে হলে,উনাকে কেউ মহব্বত করলে,রাসূল সাঃ এর অনুসরণ করতে হবে।
রাসূলুল্লাহ সাঃ কে আল্লাহ তা'আলা ৪ টি বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করেছেন।এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন,
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
তিনিই নিরক্ষরদের মধ্য থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের কাছে পাঠ করেন তার আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত। ইতিপূর্বে তারা ছিল ঘোর পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত।(সূরা-জুমুআহ-২)

রাসূলুল্লাহ সাঃ এর ৪ টি দায়িত্বের একটি দায়িত্ব হল,আত্মসুদ্ধি।এই আত্মসুদ্ধির অপর নাম তাসাউফ। তাসাউফ সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/1037

সুতরাং তাসাউফ তথা কোনো হক্কানী,রব্বানী আলেমের সংস্পর্শ দ্বারাই আল্লাহর সঠিক ও যথার্থ পরিচয় লাভ করা সম্ভব হবে।এবং পুরোপুরি রাসূলের অনুসরণ করা এবং রাসূল সাঃ এর পবিত্র সুন্নতের অনুসরণ করাও সম্ভবপর হবে। 

আল্লাহর মহব্বত লাভের জন্য সর্বদা নিম্নোক্ত দু'আ করবেন।
اللَّهُمَّ أرْزُقْنِي حُبَّكَ وَ حُبَّ منْ يَنْفَعُنِي حُبُّه عِندَكَ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মারজুকনি হুব্বাকা ওয়া হুব্বা মাঁইয়ানফানি হুব্বুহু ইংদাকা।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমাকে আপনার ভালোবাসা দান করুন এবং যার ভালোবাসা আপনার কাছে আমার জন্য উপকারী হয়, তার ভালোবাসাও দান করুন।’
উপকার : রাসুলুল্লাহ (সা.) সব সময় এই দোয়া করতেন। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৯১)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ইবাদতের স্বাদ পেতে হলে কোনো হক্কানী শায়খের সংস্পর্শে যেতে হবে। সময় উদযাপন করতে হবে। 

(৩) তাহজ্জুদের নামাযকে শয়তান ভয় পায়। তাকবীরে উলার নামায কে শয়তান ভয় পায়। 
(৪) যখন মানুষের মনের মধ্যে লোভ চলে আসে তখন শয়তান ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে শক্তিশালী হয়ে যায়।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (203,080 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে। 

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...