+1 vote
34 views
in Salah (Prayer) by
reopened by
'

নামাযে বাংলায় দুআ করা যাবে?

1 Answer

0 votes
by (6.7k points)
edited by
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

দু'আ অন্যান্য ইবাদতের ন্যয় একটি ইবাদত।

হযরত নু'মান বিন বশির রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে

ﻋﻦ ﺍﻟﻨﻌﻤﺎﻥ ﺑﻦ ﺑﺸﻴﺮ ﻋﻦ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ ﺍﻟﺪﻋﺎﺀ ﻫﻮ ﺍﻟﻌﺒﺎﺩﺓ ﺛﻢ ﻗﺮﺃ ﻭﻗﺎﻝ ﺭﺑﻜﻢ ﺍﺩﻋﻮﻧﻲ ﺃﺳﺘﺠﺐ ﻟﻜﻢ ﺇﻥ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﻳﺴﺘﻜﺒﺮﻭﻥ ﻋﻦ ﻋﺒﺎﺩﺗﻲ ﺳﻴﺪﺧﻠﻮﻥ ﺟﻬﻨﻢ ﺩﺍﺧﺮﻳﻦ

ﺍﻟﻜﺘﺐ » ﺳﻨﻦ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ » ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺪﻋﻮﺍﺕ » ﺑﺎﺏ ﻣﻨﻪ

নবীজী সাঃ বলেন, দু'আ-ই একটি ইবাদত।অতঃপর নবীজী সাঃ সূরা আল-মু'মিনের ৬০ নং আয়াত তেলাওয়াত করেন।যার ভাবার্থ হল,

"তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে লাঞ্ছিত হয়ে দাখিল হবে।

{সুনানে তিরমিযি-৩৩৭২}

সর্বাবস্থায় আল্লাহকে ডাকা, আল্লাহর কাছ থেকে সাহায্য চেয়ে নেয়া,দু'আ করা একজন মুসলমানের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য।এমনকি হাদীস শরীফে এসেছে যদি কারো জুতার ফিতা খুলে যায় তাহলে যেন সে প্রথমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চায় এবং ফিতা বাধে।

নামায,রোযা,হজ্ব,যাকাত,ইত্যাদি পৃথক পৃথক ইবাদত।দু'আ ও একটি ইবাদত,তবে দু'আ নির্দিষ্ট  পৃথক কোনো ইবাদত নয় বরং কখনো উপরোক্ত ইবাদত সমূহের সাথে সংযুক্ত হয়ে আসে।আবার দু'আকে পৃথক ভাবেও করা যায়।

নামাযের বাইরে এবং নামাযের ভিতরকার পরিচিত ও প্রসিদ্ধ দু'আ-দুরূদ সমূহকে সবাই পড়ে থাকেন এবং সুন্নাত বা মুস্তাহাব হিসেবে গণ্য করে থাকে।

নামাযের ভিতরকার পরিচিত ও প্রসিদ্ধ দু'আ সমূহ ব্যতীত অন্যান্য দু'আ, এবং নিজ প্রয়োজন উল্লেখপূর্বক দু'আ ও নিজ মাতৃভাষায় দু'আ যাবে কি?বা জায়েয আছে কি?

এমন প্রশ্নের জাবাবে বলা যায় যে,

নামায দ-ুপ্রকার ফরয ও নফল।

আমরা নিম্নে নিম্নে দু'আ সম্পর্কে আলোচনা করব।

ফরয নামাযে নির্ধারিত প্রসিদ্ধ দু'আ সমূহ ব্যতীত কি অন্যান্য দু'আ করা যাবে?

নিজপ্রয়োজন উল্লেখ করে কি দু'আ করা যাবে?

নিজ মাতৃভাষায় কি দু'আ করা যাবে?

এ সমস্ত প্রশ্নের জবাব খুজতেই আমাদের এ প্রচেষ্টা। আল্লাহ কবুল করুক।আমীন।

আসুন প্রথমে নামাযে বর্ণিত দু'আ সমূহ সম্পর্কে আংশিক কিছু ধারণা নিয়ে নেই।

২য় পৃষ্টা

প্রথমে আমরা তন্মধ্যের দু-একটি হাদীসের দিকে আলোকপাত করব।

হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত, নবীজী সাঃ বলেনঃ

 ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﺫَﺍ ﺗَﺸَﻬَّﺪَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ [ ﻭﻓﻲ ﺭﻭﺍﻳﺔ : ﺇِﺫَﺍ ﻓَﺮَﻍَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺘَّﺸَﻬُّﺪِ ﺍﻵﺧِﺮِ ] ﻓَﻠْﻴَﺴْﺘَﻌِﺬْ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦْ ﺃَﺭْﺑَﻊٍ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻭَﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ ﻭَﻣِﻦْ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺤْﻴَﺎ ﻭَﺍﻟْﻤَﻤَﺎﺕِ ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺴِﻴﺢِ ﺍﻟﺪَّﺟَّﺎﻝِ .

ﺻﺤﻴﺢ ﻣﺴﻠﻢ 588

যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তাশাহ্হুদ পড়ে নেবে,

তখন যেন সে আল্লাহর কাছে চারটি জিনিষ থেকে ক্ষমা চায়,

১/জাহান্নামের আগুন থেকে

২/কবরের আযাব থেকে

৩/জীবিত ও মৃতদের ফিৎনা-ফাসাদ থেকে

৪/দাজ্জালের ফিৎনা থেকে

{সহীহ মুসলিম-৫৮৮}

এবং হযরত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে,

ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺯَﻭْﺝِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﺧْﺒَﺮَﺗْﻪُ ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﺪْﻋُﻮ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﻠَﺎﺓِ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺴِﻴﺢِ ﺍﻟﺪَّﺟَّﺎﻝِ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺤْﻴَﺎ ﻭَﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﻤَﺎﺕِ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻤَﺄْﺛَﻢِ ﻭَﺍﻟْﻤَﻐْﺮَﻡِ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﻗَﺎﺋِﻞٌ ﻣَﺎ ﺃَﻛْﺜَﺮَ ﻣَﺎ ﺗَﺴْﺘَﻌِﻴﺬُ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻤَﻐْﺮَﻡِ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞَ ﺇِﺫَﺍ ﻏَﺮِﻡَ ﺣَﺪَّﺙَ ﻓَﻜَﺬَﺏَ ﻭَﻭَﻋَﺪَ ﻓَﺄَﺧْﻠَﻒَ .. ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ 833

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাঃ নামাযে প্রায় এভাবে দু'আ করতেন।হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে কবরের আযাব থেকে,এবং দাজ্জালের ফিৎনা থেকে, জীবিত ও মৃতদের ফিৎনা-ফাসাদ থেকে,এবং গুনাহ ও ঋণের বোঝা থেকে ক্ষমা চাইতেছি।

তখন উপস্থিত একজন নবী করিম সাঃকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে রাসূলুল্লাহ সাঃ আপনাকে ঋণের বোঝা থেকে ক্ষমা চাইতে দেখছি,তখন নবী করিম সাঃ প্রতিউত্তরে বললেন,

যখন মানুষ ঋণগ্রস্ত হয় তখন দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে মিথ্যা কথা বলতে থাকে এবং ওয়াদা ভঙ্গ করতে থাকে।

{সহীহ বোখারী-৮৩৩}

এভাবে হযরত আবু বকর রাযি থেকে বর্ণিত আছে,

ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺑَﻜْﺮٍ ﺍﻟﺼِّﺪِّﻳﻖِ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺎﻝَ ﻟِﺮَﺳُﻮﻝِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻠِّﻤْﻨِﻲ ﺩُﻋَﺎﺀً ﺃَﺩْﻋُﻮ ﺑِﻪِ ﻓِﻲ ﺻَﻠَﺎﺗِﻲ ﻗَﺎﻝَ ﻗُﻞْ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﻇَﻠَﻤْﺖُ ﻧَﻔْﺴِﻲ ﻇُﻠْﻤًﺎ ﻛَﺜِﻴﺮًﺍ ﻭَﻻ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻻ ﺃَﻧْﺖَ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻣَﻐْﻔِﺮَﺓً ﻣِﻦْ ﻋِﻨْﺪِﻙَ ﻭَﺍﺭْﺣَﻤْﻨِﻲ ﺇِﻧَّﻚ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟْﻐَﻔُﻮﺭُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ .

তিনি রাসুলুল্লাহ সাঃ কে বললেনঃ আপনি আমাকে এমন একটি দু'আ শিখিয়ে দেন,যা আমি নামাযে পড়ব,তখন রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেনঃ হে আবু বকর রাযি, তুমি নামাযে বলবে,,,,,

হে আল্লাহ আমি আমার নফসের উপর অনেক যুলম-অত্যাচার করেছি।

আপনি ব্যতীত অন্য কেউ এ গুনাহসমূহকে ক্ষমা করতে পারবেনা।সুতরাং আপনি ক্ষমা করে দেন,এবং আমাকে রহম করুন।নিশ্চয় অাপনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।

{সহীহ বোখারী- ৫৯৬৭}

৩য় পৃষ্টা

ইবনে আবেদীন শামী রাহ এর তথ্যমতে

রুকু এবং সেজদায় বিশেষভাবে বর্ণিত দু'আ সমূহ থেকে সহীহ মুসলিমে বর্ণিত একটি দু'আ নিম্নরূপ।

(রদ্দুল মুহতার-১/৫০৬ এ বর্ণিত হাদীস সমূহকে রেফারেন্স সহ উল্লেখ করছি)

ﻋﻦ ﻋﻠﻲ ﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﻃﺎﻟﺐ ﻋﻦ رسول اللّٰه ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ - ﻛَﺎﻥَ ﺇﺫَا ﺭَﻛَﻊَ ﻗَﺎﻝَ: اﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻟَﻚ ﺭَﻛَﻌْﺖ ﻭَﺑِﻚ ﺁﻣَﻨْﺖ ﻭَﻟَﻚ ﺃَﺳْﻠَﻤْﺖ ﺧَﺸَﻊَ ﻟَﻚ ﺳَﻤْﻌِﻲ ﻭَﺑَﺼَﺮِﻱ ﻭَﻣُﺨِّﻲ ﻭَﻋَﻈْﻤِﻲ ﻭَﻋَﺼَﺒِﻲ، ﻭَﺇِﺫَا ﺳَﺠَﺪَ ﻗَﺎﻝَ: اﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻟَﻚ ﺳَﺠَﺪْﺕ ﻭَﺑِﻚ ﺁﻣَﻨْﺖ ﻭَﻟَﻚ ﺃَﺳْﻠَﻤْﺖ، ﺳَﺠَﺪَ ﻭَﺟْﻬِﻲ ﻟِﻠَّﺬِي ﺧَﻠَﻘَﻪُ ﻭَﺻَﻮَّﺭَﻩُ ﻭَﺷَﻖَّ ﺳَﻤْﻌَﻪُ ﻭَﺑَﺼَﺮَﻩُ ﺗَﺒَﺎﺭَﻙَ اﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺣْﺴَﻦُ اﻟْﺨَﺎﻟِﻘِﻴﻦَ»

(ﺍﻟﻜﺘﺐ » ﺻﺤﻴﺢ ﻣﺴﻠﻢ » ﻛﺘﺎﺏ ﺻﻼﺓ ﺍﻟﻤﺴﺎﻓﺮﻳﻦ ﻭﻗﺼﺮﻫﺎ » ﺑﺎﺏ ﺍﻟﺪﻋﺎﺀ ﻓﻲ ﺻﻼﺓ ﺍﻟﻠﻴﻞ ﻭﻗﻴﺎﻣﻪ)

এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পর "আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া-লাকাল হামদ" এর পর আরো অতিরিক্ত দু'আ ও হাদীসে বর্ণিত রয়েছে,

«ﻣِﻞْءَ اﻟﺴَّﻤَﺎﻭَاﺕِ ﻭَاﻷَْﺭْﺽِ ﻭَﻣِﻞْءَ ﻣَﺎ ﺷِﺌْﺖ ﻣِﻦْ ﺷَﻲْءٍ ﺑَﻌْﺪُ ﺃَﻫْﻞَ اﻟﺜَّﻨَﺎءِ ﻭَاﻟْﻤَﺠْﺪِ ﺃَﺣَﻖُّ ﻣَﺎ ﻗَﺎﻝَ اﻟْﻌَﺒْﺪُ ﻭَﻛُﻠُّﻨَﺎ ﻟَﻚ ﻋَﺒْﺪٌ ﻻَ ﻣَﺎﻧِﻊَ ﻟِﻤَﺎ ﺃَﻋْﻄَﻴْﺖ ﻭَﻻَ ﻣُﻌْﻄِﻲَ ﻟِﻤَﺎ ﻣَﻨَﻌْﺖ، ﻭَﻻَ ﻳَﻨْﻔَﻊُ ﺫَا اﻟْﺠَﺪِّ ﻣِﻨْﻚ اﻟْﺠَﺪُّ» ﺭَﻭَاﻩُ ﻣُﺴْﻠِﻢٌ ﻭَﺃَﺑُﻮ ﺩَاﻭُﺩ ﻭَﻏَﻴْﺮُﻫُﻤَﺎ.

(ﺍﻟﻜﺘﺐ » ﺳﻨﻦ ﺃﺑﻲ ﺩﺍﻭﺩ » ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺼﻼﺓ » ﺃﺑﻮﺍﺏ ﺗﻔﺮﻳﻊ ﺍﺳﺘﻔﺘﺎﺡ ﺍﻟﺼﻼﺓ »

ﺑﺎﺏ ﻣﺎ ﻳﻘﻮﻝ ﺇﺫﺍ ﺭﻓﻊ ﺭﺃﺳﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺮﻛﻮﻉ)

(ﺍﻟﻜﺘﺐ » ﺻﺤﻴﺢ ﻣﺴﻠﻢ » ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺼﻼﺓ » ﺑﺎﺏ ﻣﺎ ﻳﻘﻮﻝ ﺇﺫﺍ ﺭﻓﻊ ﺭﺃﺳﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺮﻛﻮﻉ)

{আবু-দাউদ-৮৪৭}

{সহীহ মুসলিম-476}

দু-সেজদার মধ্যবর্তী একটি দু'আ ও হাদীসে বর্ণিত রয়েছে,

اﻟﻠَّﻬُﻢَّ اﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَاﺭْﺣَﻤْﻨِﻲ ﻭَﻋَﺎﻓِﻨِﻲ ﻭَاﻫْﺪِﻧِﻲ ﻭَاﺭْﺯُﻗْﻨِﻲ»

আবু-দাউদ-৮৫০

তো আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি যে,আমরা  নামাযের মধ্যে দু'আ করা প্রসঙ্গে অনেক হাদীস দেখতে পাচ্ছি।

কিন্তু পরক্ষণেই প্রশ্ন জাগতে পারে,তাহলে উপরোক্ত দু'আ সমূহ কোন কোন নামাযে পড়া হবে?

ফরয নামাযে না নফল নামাযে?

জামাতের সাথে না ইনফেরাদি হালতে?

এ সমূহ সম্পর্কে ফুকাহায়ে কেরামদের মধ্যে যথেষ্ট মতবিরোধ রয়েছে।

৪র্থ পৃষ্টা

এখন প্রশ্ন হতে পারে আমরা দেখতে পাচ্ছি,উপরোক্ত হাদীস সমূহে অনেক লম্বা লম্বা দু'আ বর্ণিত রয়েছে,যা রাসূলুল্লাহ সাঃ পড়েছেন বা অনুমতি দিয়েছেন।

তাহলে আমরা পড়ছিনা কেন?

জবাবে বলা যায়,

উপরোক্ত হাদীস সমূহে নামায দ্বারা সাধারণত  নফল নামায-ই উদ্দেশ্য।

ফরয নামায উদ্দেশ্য না বরং তাতে বর্ণিত সংক্ষিপ্ত দু'আ-ই পড়তে হবে যা রাসূলুল্লাহ সব সময় পড়েছেন।

তবে যেহেতু হাদীসে বর্ণিত রয়েছে বিধায় উক্ত দু'আ সমূহকে ঐ ফরয নামাযে পড়া যাবে, যেখানকার মুক্তাদিগণ নামায লম্বা হওয়ার দরুণ বিরক্ত হবেন না।

যেমন এ সম্পর্কে ইবনে আবেদীন শামী রাহ বলেনঃ-
وكذا لا يأتي في ركوعه وسجوده بغير التسبيح (على المذهب) وما ورد محمول على النفل

(قوله محمول على النفل) أي تهجدا أو غيره خزائن. وكتب في هامشه: فيه رد على الزيلعي حيث خصه بالتهجد. اهـ. ثم الحمل المذكور صرح به المشايخ في الوارد في الركوع والسجود، وصرح به في الحلية في الوارد في القومة والجلسة وقال على أنه إن ثبت في المكتوبة فليكن في حالة الانفراد، أو الجماعة والمأمومون محصورون لا يتثقلون بذلك كما نص عليه الشافعية، ولا ضرر في التزامه وإن لم يصرح به مشايخنا فإن القواعد الشرعية لا تنبو عنه، كيف والصلاة والتسبيح والتكبير والقراءة كما ثبت في السنة. اهـ.

ﺍﻟﻜﺘﺐ » ﺭﺩ ﺍﻟﻤﺤﺘﺎﺭ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﺪﺭ ﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ » ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺼﻼﺓ » ﻓﺼﻞ ﻓﻲ ﺑﻴﺎﻥ ﺗﺄﻟﻴﻒ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﺇﻟﻰ ﺍﻧﺘﻬﺎﺋﻬﺎ » ﻓﺮﻭﻉ ﻗﺮﺃ ﺑﺎﻟﻔﺎﺭﺳﻴﺔ ﺃﻭ ﺍﻟﺘﻮﺭﺍﺓ ﺃﻭ ﺍﻹﻧﺠﻴﻞ

বিশুদ্ধ মতানুযায়ী নামাযের রুকু সেজদাতে নির্ধারিত তাসবীহাত ব্যতীত অন্যান্য দু'আ সমুহকে পড়বেনা।

আর যে সমস্ত দু'আর কথা হাদীসে  পাওয়া যায়,তা নফল তথা তাহাজ্জুদ ও অন্যান্য নফল নামাযে সীমাবদ্ধ।(খাযায়িন)

এবং প্রাগুক্ত কিতাবের টিকায় লিখিত আছে যে,এদ্বারা শুধুমাত্র তাহাজ্জুদ উদ্দশ্য নয়,যেমনটা মনে করেছেন ইমাম যায়লায়ী রাহ,(অর্থাৎ তাহাজ্জুদ সহ সকল প্রকার নফল নামাযে পড়া যাবে)

উপরোক্ত বিশ্লেষণ মাশায়েখ গণের মতে নফল নামাযের রুকু এবং সেজদায় সীমাবদ্ধ।
হিলয়া নামক কিতাবে বর্ণিত আছে,কওমা এবং জলছায় ও সেই বিধান প্রযোজিত হবে।(অর্থাৎ রুকু সেজদার মত কওমা এবং জলছায় ও পড়া যাবে)

এবং প্রাগুক্ত কিতাবে বলা হয়,যদি দু'আ কে ফরয নামাযের জন্য সাব্যস্ত করতে হয়,তাহলে মুনফারিদের জন্য সাব্যস্ত করা হবে।

অথবা ঐ জামাতের জন্য যেখানকার মুক্তাদিগণ বিরক্ত হবে না,যেমনটা ইমাম শা'ফী মনে করেন।

নিজের জন্য জরুরী মনে করাতে কোনো সমস্যা নেই।যদিও আমাদের মাশায়েখগণ এর ব্যখ্যা করেননি।এবং শরয়ী মূলনীতি গুলো ও সেটা মন্দ মনে করেনা।কিভাবে মন্দ মনে করবে, অথচ নামায,তাসবীহ, তাকবীর, ক্বেরাত "নবীজী সাঃ এর সুন্নাত" দ্বারা প্রমাণিত।
{রদ্দুল মুহতার-১/৫০৬}

৫ম পৃষ্টা

ইমাম মুরগিনানী হানাফি নামাযে দু'আ সম্পর্কে বলেনঃ,

ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻹﻣﺎﻡ ﺍﻟﻤﺮﻏﻴﻨﺎﻧﻲ ﺍﻟﺤﻨﻔﻲ ﻓﻲ " ﺍﻟﻬﺪﺍﻳﺔ ﺷﺮﺡ ﺍﻟﺒﺪﺍﻳﺔ " ( ﺹ 52 : ، ﻁ . ﺍﻟﻤﻜﺘﺒﺔ ﺍﻹﺳﻼﻣﻴﺔ ) :

" ( ﻭﺩﻋﺎ ﺑﻤﺎ ﺷﺎﺀ ﻣﻤﺎ ﻳﺸﺒﻪ ﺃﻟﻔﺎﻅ ﺍﻟﻘﺮﺁﻥ ﻭﺍﻷﺩﻋﻴﺔ ﺍﻟﻤﺄﺛﻮﺭﺓ ) ؛ ﻟﻤﺎ ﺭﻭﻳﻨﺎ ﻣﻦ ﺣﺪﻳﺚ ﺍﺑﻦ ﻣﺴﻌﻮﺩ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﻟﻪ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ : « ﺛﻢ ﺍﺧﺘَﺮْ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺪﻋﺎﺀ ﺃﻃﻴﺒَﻪ ﻭﺃﻋﺠﺒَﻪ ﺇﻟﻴﻚ.............،الي ان قال .............. ﻭﻻ ﻳﺪﻋﻮ ﺑﻤﺎ ﻳﺸﺒﻪ ﻛﻼﻡ ﺍﻟﻨﺎﺱ ) ؛ ﺗﺤﺮﺯﺍ ﻋﻦ ﺍﻟﻔﺴﺎﺩ، ﻭﻟﻬﺬﺍ ﻳﺄﺗﻲ ﺑﺎﻟﻤﺄﺛﻮﺭ ﺍﻟﻤﺤﻔﻮﻅ .

নামাযী ব্যক্তি কুরআন এবং  কুরআনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সমার্থক (আরবী)বাক্যর মাধ্যমে দু'আ করতে পারবে,ও দু'আয়ে মাছুরা বা হাদীসে বর্ণিত দু'আ সমূহ দ্বারা ও দু'আ করতে পারবে।

প্রমাণ স্বরুপ হযরত ইবনে মাসউদ রাঃ এর হাদীস উল্লেখ্য। তথায় নবীজী সাঃ তাহাকে বলেনঃ

"হে ইবনে মাসউদ (রাযি)তোমার পচন্দনীয় দু'আ সমূহ থেকে তুমি যা ইচ্ছা দু'আ করতে পারো।"

মানুষের কথার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো বাক্যর মাধমে দু'আ করা যাবেনা।কেননা এতে নামায ফাসিদ হয়ে যাবে।এজন্যই হাদীসে সংরক্ষিত দু'আ সমূহ দ্বারা দু'আ করতে হবে।

★হেদায়া-৫২

নির্ভর্যোগ্য বিশিষ্ট ফতোয়া গ্রন্থ "ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া "তে বর্ণিত রয়েছে.........

ثم يقول: ربنا آتنا إلى آخره. كذا في الخلاصة ولا يدعو بما يشبه كلام الناس وما لا يستحيل سؤاله من العباد كقوله: اللهم زوجني فلانة يشبه كلامهم، وما يستحيل كقوله: اللهم اغفر لي ليس من كلامهم، وقوله: اللهم ارزقني من قبيل الأول. كذا في الهداية فلا يجوز الدعاء بهذا اللفظ هو الصحيح. كذا في العيني شرح الهداية.

ولو قال: اللهم ارزقني مالا عظيما تفسد، ولو قال: اللهم ارزقني العلم والحج ونحو ذلك لا تفسد. كذا في المضمرات وفي الولوالجية ينبغي أن يدعو في الصلاة بدعاء محفوظ؛ لأنه يخاف أن يجري على لسانه ما يشبه كلام الناس فتفسد صلاته. كذا في التتارخانية وكل ما ذكرناه أنه يفسد إنما يفسد إذا لم يقعد قدر التشهد في آخر الصلاة وأما إذا قعد فصلاته تامة يخرج به من الصلاة. كذا في التبيين

অতঃপর নামাযের শেষ বৈঠকে "রাব্বানা আতিনা "শেষ পর্যন্ত পড়তে পারবে,(খুলাছা)মানুষের কথামালার সাথে সামঞ্জস্য কোনো কথা বলবেনা

এবং এমন কোনো কথাও বলবেনা যা বান্দার কাছে চাওয়া অসম্ভব নয়।

যেমন কেউ বলল,হে আল্লাহ আমাকে অমুকের সাথে বিয়ে দাও,এটা মানুষের কথার সাদৃশ্যপূর্ণ।

এবং এরকম কথা যেমন কেউ বলল,হে আল্লাহ আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন,এটা মানুষের কথার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

আর এরকম বাক্য যে,হে আল্লাহ!তুমি আমাকে রিযিক দাও।প্রথম প্রকার তথা মানুষের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কালামের অন্তর্ভূক্ত।(হেদায়া)

সুতরাং এরকম উক্ত শব্দাবলী দ্বারা দু'আ করা বৈধ হবে না।(বেনায়া)

সুতরাং

কেউ যদি বলে হে আল্লাহ!আমাকে বেশী পরিমান সম্পদ দান করো।তাহলে তার নামায ফাসিদ হয়ে যাবে।

আর যদি কেউ বলে, হে আল্লাহ!আমাকে জ্ঞান,হজ্ব ইত্যাদির রিযিক দান করো,তাহলে নামায ফাসিদ হবে না।(মুদমারাত)

ওয়াওয়ালিজা নামক কিতাবে বর্ণিত আছে,কোরআন-হাদীসে সংরক্ষিত দু'আ সমূহ দ্বারা দু'আ করাই উচিৎ।

কেননা এছাড়া অন্যান্য দু'আ সমূহ দ্বারা দু'আ করলে মানুষের কালাম সাদৃশ্যপূর্ণ দু'আ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়,যদ্ধরুণ নামায-ই ফাসেদ হয়ে যাবে।(তাতারখানিয়া)

আর যেখানেই নামায ফাসিদ হওয়ার কথা বলা হয়েছে সেখানে এ বক্তব্য দ্বারা এটাই উদ্দেশ্য যে,যদি নামাযের শেষে তাশাহুদ পরিমাণ বসা ব্যতীত পড়া হয়,কিন্তু যদি সে নামাযে তাশাহুদ পরিমাণ বসে যায়,তাহলে তার নামায পরিপূর্ণ হয়ে যাবে,এবং মানুষের কালাম সাদৃশ্যপূর্ণ দু'আ সমূহ দ্বারা সে নামায থেকে বের হয়ে যাবে।

(তাবয়ীনুল হাক্বাইক্ব)

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/৭৬;

৬ষ্ট পৃষ্টা

সুপ্রিয় পাঠকবর্গ!

উপরোক্ত আলোচনা থেকে নিম্নোক্ত বিষয়াদি বুঝতে পারলাম।

নফল নামাযের সেজদা বা অন্যান্য তাসবীহাতের রুকুনে কোরআন-সুন্নাহে বর্ণিত দু'আ অথবা তার সমার্থক আরবী দু'আ করা যাবে।

আখেরাতের জন্য দু'আ করতে হবে।

যেমনঃ-হে আল্লাহ তুমি আমাকে মাফ করে দাও। দুনিয়াবি দু'আ করা যাবেনা।

যেমনঃ- হে আল্লাহ আমাকে এক লক্ষ টাকা দাও।

অর্থ্যাৎ নফল নামাযে অতিরিক্ত দু'আ পড়া যাবে এতে কোনো সমস্যা নাই।এবং তা সুন্নাতে মুআক্কাদার খেলাফ হবে না।

তবে ফরয নামাযে অতিরিক্ত দু'আ না পড়াই উত্তম।বরং এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দু'আ -ই পড়া সুন্নাতে মুআক্কাদা।

যদিও অন্যান্য/অতিরিক্ত দু'আ সুন্নাত,তবে সুন্নাতে যায়েদা,সুন্নাতে মুআক্কাদা নয়।

অর্থ্যাৎ সুন্নাত দ্বারা প্রমাণিত কিন্তু সুন্নাতে মুআক্কাদা নয়।

যেহেতু ফরয নামায জামাতে পড়াটাই আসল এবং ওয়াজিব।তাই এক্ষেত্রে যদি নির্দিষ্ট তাসবীহাত ব্যতীত অন্যান্য দু'আ সমূহ পড়া হয়,তাহলে নামায বেশ দীর্ঘ হয়ে যাবে,এজন্য দু'আ না পড়াই উত্তম। তবে নফল নামাযি ব্যক্তি (জামাত ব্যতীত)

বা মুনফারিদ (একলা নামাযি)এর জন্য নির্দিষ্ট তাসবীহাত ব্যতীত কোরআন-হাদীসে বর্ণিত পরকালীন দু'আ করতে পারবেন।

পরকালিন দু'আ না দুনিয়াবি দু'আ এ সম্পর্কে আরো স্পষ্ট করে ফাতাওয়ায়ে ক্বাযিখানে উল্লেখ করা হয় যে,

فالحاصل انه دعا في الصلوة بما جاء في الصلوة أو في القرآن أو في الماثور لا تفسد صلاته ،وإن لم يكن في القرآن ولا في الماثور ولايستحيل سواله من العباد تفسد صلاته ،وإن كان يستحيل سواله من العباد لاتفسد صلاته ،

قاضي خان ،اولين ص;٦٨

حافظ كتب خانه،كوئته

মোটকথাঃ যদি কেউ নামাযে ঐ সমস্ত দু'আ দ্বারা দু'আ করে যা নবীজী সাঃ থেকে নামাযে বর্ণিত,বা কোরআনে কারীমে এসেছে,অথবা হাদীসের কোনো কিতাবে এসেছে,তাহলে উক্ত দু'আ করা বৈধ রয়েছে এবং এমন দু'আর কারণে তার নামায ফাসেদ হবে না।

কিন্তু যদি উক্ত দু'আ কোরআন বা হাদীসের কোথাও না আসে।এমতাবস্তায় যদি সে এমন (বাক্যসমূহ দ্বারা) দু'আ করে যা বান্দার কাছে চাওয়া যায়,অসম্ভব নয়, তথা বন্দা সেই হাজত পূর্ণ করার সামর্থ্য রাখে,তাহলে এমতাবস্থায় উক্ত দু'আ করা যাবে না।করলে নামায ফাসেদ হয়ে যাবে।

কিন্তু যদি এমন বাক্যাবলী দ্বারা দু'আ করে যা বান্দার কাছে চাওয়া অসম্ভব(যেমন হে আল্লাহ আমার নাতীর হায়াত বাড়িয়ে দাও ইত্যাদি)অর্থীৎ যা বন্দার সামর্থ্যর বাইরে,তাহলে এমতাবস্থায় উক্ত দু'আ (কোরআন হাদীসে বর্ণিত না থাকা সত্বেও) করা যাবে।নামায ফাসিদ হবে না।

ফাতাওয়ায়ে ক্বাযিখান-প্রথম ৬৮

আরবী ব্যতীত অন্যান্য ভাষায় নামাযে দু'আ করা মাকরুহে তাহরিমী(আহসানুল ফাতাওয়া-৩/৪৩২)

আরো........

★ফাতাওয়ায়ে দারুল উলূম-২/১২৪।

★এদাদাুল ফাতাওয়া-১/১৮৪।

★আহসানুল ফাতাওয়া-৩/৪৪।

★ফাতাওয়া উসমানী-১/২৬৪।

★রদ্দুল মুহতার ১/৪৮৮।

আল্লাহ ভালোই জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ
ইসলামিক ফতোয়া ওয়েবসাইটটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত। যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
...