+1 vote
26 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (61 points)
আসসালামু আলাইকুম শাইখ।

হানাফি মাযহাব অনুযায়ী এক মুষ্টি দাড়ি রাখা ওয়াজিব। কিন্তু গালের পাশের দিকে জুলফি সংলগ্ন দাড়ি তো কোনোভাবেই এক মুষ্টি মাপা যায় না। এতাম অবস্থায় আমি কি পাশের দিকের দাড়িগুলো কিছুটা কেটে সাইজ করতে পারবো?

এছাড়া সামগ্রিকভাবে দাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কি সাইজ করা জায়েজ?

1 Answer

0 votes
by (41.1k points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

চার মাযহাব মতে সহীহ সুন্নাহর আলোকে একমুষ্টি পরিমান দাড়ি রাখা ওয়াজিব।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-১০৩৯

اللحية لغة: الشعر النابت على الخدين والذقن، والجمع اللحى واللحى.......... واللحية في الاصطلاح، قال ابن عابدين: المراد باللحية كما هو ظاهر كلامهم الشعر النابت على الخدين من عذار، وعارض، والذقن

শাব্দিকভাবে দাড়ি বলা হয়,ঐ চুল যা দুনু গাল এবং থুতনিতে থাকে।বহুবচন হল,লুহা।পরিভাষায় দাড়ি বলা হয়,যা ইবনে আবেদীন শামী রাহ, বলেছেন,দুনু গাল,কানপট্টির উপর,গালের সামনের অংশ,এবং থুতনি সবকিছুকেই মূলত দাড়ি বলা হয়ে থাকে।
দাড়িকে আরবীতে লিহইয়া (لحية) বলা হয় । এর আভিধানিক অর্থ হলো থুতনিসহ মুখের দুই পাশের ওই হাড়, যার ওপর দাঁতগুলো অবস্থিত। প্রাপ্ত বয়সে ওই হাড়ের ওপর যে লোম বা কেশ গজায়, ওই লোম বা কেশগুলোকেই হাড়ের নামকরণে লিহইয়া বলা হয়।(ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যাহ-১৯/৩৯৬)

দাড়ির সীমান-

দাড়ির সীমানা কানপট্টি বরাবর বাড়ন্ত হাড্ডি থেকে অন্য কানপট্টি বরাবর বাড়ন্ত হাড্ডি পর্যন্ত।এবং নিচের ঠোট থেকে নিয়ে থুতনি পর্যন্ত যে চুল থাকবে সবগুলোই দাড়ির অন্তর্ভুক্ত।খাদ্যনালী এবং খাদ্যনালীর উপরের চুলকে না মুন্ডানো-ই উচিৎ।হ্যা খাদ্যনালীর নিচের চুলকে মুন্ডানো যাবে।

(কিতাবুন-নাওয়াযিল-১৫/৫৫৪)

যেমন ফাতাওয়ায়ে শামীতে(১/১০০) বর্ণিত রয়েছে,

وظاهر كلامهم أن المراد بها الشعر النابت على الخدين من عذار وعارض والذقن.وفي شرح الإرشاد: اللحية الشعر النابت بمجتمع الخدين والعارض ما بينهما وبين العذار وهو القدر المحاذي للأذن، يتصل من الأعلى بالصدغ ومن الأسفل بالعارض بحر.

দাড়ির চতুর্দিক এক মুষ্টি পরিমাণ হওয়াই বাঞ্চনীয়।কোনো দিক থেকেই কর্তন করা যাবে না।(কিতাবুন-নাওয়াযিল-১৫/৫৫৪,ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যাহ-২৭/৪৮৩)

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, Iom.

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...