আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
503 views
in পবিত্রতা (Purity) by (19 points)
(ক) ইস্তেহাযা গ্রস্ত নারী কি প্রতি ওয়াক্তের জন্য অজু করবে?
(খ) ইস্তেহাযা গ্রস্ত নারী কি ওয়াক্তের ভিতর ফরয সুন্নত সকল নামায একই অজু দ্বারা আদায় করতে পারবে?
........................................................................................................................................................................................................

1 Answer

0 votes
by (786,120 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইস্তেহাযা গ্রস্ত নারী প্রতি ওয়াক্তের জন্য একবার অজু করবে। ঐ অজু দ্বারা ঐ ওয়াক্তের ভিতর যত সম্ভব নামায পড়বে। ওয়াক্তের ভিতর ফরয সুন্নত নফল সকল প্রকার নামায পড়তে পারবে।ফরয ওয়াক্ত যখন চলে যাবে তখন পূর্বের হাদাস থাকলে অজুও চলে যাবে। সুতরাং যেহেতু এশার ওয়াক্ত চলে যাওয়ার সাথে সাথে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়, তাই এশার সময়ের অজু বা তাহাজ্জুদ পড়ার নিমিত্তে অজু দ্বারা ফজর পড়া যাবে না। এবং ফজরের ওয়াক্ত যেহেতু সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই শেষ হয়ে যায়, তাই ফজরের অজু দ্বারা ইশরাকের নামায পড়া যাবে না। তবে ওয়াক্তের শুরুতে বা ওয়াক্তের আগে অজু করলে সেই অজু দ্বারা পরবর্তী ফরজ নামায পড়া যাবে।সুতরাং ইশরাকের অজু দ্বারা জোহরের নামায পড়া যাবে। 
"ودم الاستحاضة حکمه کرعاف دائم وقتًا کاملاً لایمنع صومًا وصلاةً ولو نفلاً وجماعَا؛ لحدیث: توضئي وصلي وإن قطر الدم علی الحصیر". (الدرالمختارعلی صدر ردالمحتار:ج؍۱،ص؍۲۹۸، باب الحیض)

و في الشامية: ’’(قَوْلُهُ: لَا يَمْنَعُ صَوْمًا إلَخْ) أَيْ وَلَا قِرَاءَةً وَمَسَّ مُصْحَفٍ وَدُخُولَ مَسْجِدٍ، وَكَذَا لَا تُمْنَعُ عَنْ الطَّوَافِ إذَا أَمِنَتْ مِنْ اللَّوْثِ، قُهُسْتَانِيٌّ عَنْ الْخِزَانَةِ ط‘‘.(١/ ٢٩٨)
"والمستحاضة ومن به سلس البول والرعاف الدائم والجرح الذي لایرقأ یتوضؤن لوقت کل صلاة فیصلون بذلک الوضوء في الوقت ماشاؤا من الفرائض والنوافل". (الهدایة على صدر البنایة:ج؍۱،ص؍۴۷۹،باب الحیض) 

و فى الفتاوى الهندية :
"المستحاضة و من به سلس البول أو استطلاق البطن أو انفلات الريح أو رعاف دائم أو جرح لايرقأ يتوضئون لوقت كل صلاة و يصلون بذلك الوضوء في الوقت ما شاءوا من الفرائض و النوافل ...و يبطل الوضوء عند خروج وقت المفروضة بالحدث السابق، هكذا في الهداية. و هو الصحيح."
(كتاب الطهارة، الفصل الرابع في أحكام الحيض والنفاس والاستحاضة، ج:1، ص:41 ط: دار الفكر بيروت)

بدائع الصنائع: (27/1، ط: دار الکتب العلمیة)
(وأما) أصحاب الأعذار كالمستحاضة، وصاحب الجرح السائل، والمبطون ومن به سلس البول، ومن به رعاف دائم أو ريح، ونحو ذلك ممن لا يمضي عليه وقت صلاة إلا، ويوجد ما ابتلي به من الحدث فيه فخروج النجس من هؤلاء لا يكون حدثا في الحال ما دام وقت الصلاة قائما، حتى أن المستحاضة لو توضأت في أول الوقت فلها أن تصلي ما شاءت من الفرائض، والنوافل ما لم يخرج الوقت، وإن دام السيلان -


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...