আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
715 views
in সালাত(Prayer) by (10 points)
আসসালামুয়ালাইকুম।
হাদীস অনুযায়ী ফজরের নামাজ এর সময় সাথে ঘুমিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আদায় করে নিলে তা আর কাজা হয় না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এই আদায় টা কতক্ষন সময়ের মধ্যে করতে হবে নাকি যোহরের সময় আদায় করলেও হবে?

1 Answer

–1 vote
by (789,510 points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

ফজরের নামাযের সময় হচ্ছে,সুবহে সাদিক থেকে নিয়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত।সুতরাং সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামায আদায় হবে না,বরং কা'যা হবে।অর্থাৎ সূর্যোদয়ের পর যেহেতু ফজরের ওয়াক্ত আর থাকছে না,তাই এ সময় নামায পড়লে তার ওয়াক্তে ভিতর আদায় হচ্ছে না,বরং এখানে কা'যা হচ্ছে।আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, Iom.


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (10 points)
মুহতারাম, আপনি হয়ত আমার প্রশ্ন বুঝতে পারেন নি। প্রশ্ন টি বুঝে উত্তর দেওয়ার অনুরোধ রইল।
by (789,510 points)
সূর্যোদয়ের পর যেকোনো সময়ই আদায় করুন না কেন,সেটা কা'যা হিসেবে বিবেচিত হবে।
by (10 points)
আবু কাতাদাহ (রাঃ) বলেন রাসুল (সঃ ) বলেছেন ঘুমের কারনে সলাত আদায় না করতে না পারলে তা দোষ নয়, দোষ হল জেগে থেকেও সলাত আদায় না করা। সহিহ মুসলিম -৬৮১,৬৮৪।

এই হাদিসের প্রেক্ষাপট কি তাহলে?
by (789,510 points)
+1
যেকোনো নামাযকে তার সঠিক সময়েই আদায় করতে হবে।গ্রহণযোগ্য জরুরত ব্যতীত সময়কে অতিক্রম করিয়ে নামায পড়লে গোনাহ হবে।সেটা যেকোনো নামাযের বেলায়।

যেহেতু ঘুম গ্রহণযোগ্য জরুরত।তাই যদি কখনো ফজরের সময় উঠতে দেড়ী হয়ে যায়,তখন যখনই সজাগ হবে তখনই সাথে সাথে নামাযকে পড়ে নিতে হবে।তখন ফজর কা'যা হলেও গোনাহ হবে না।কেননা ঘুমকে গ্রহণযোগ্য জরুরত হিসেবে শরীয়ত সমর্থন দিয়েছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
مَنْ نَسِىَ صَلاَةً فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ
“যে ব্যক্তি কোন নামায পড়তে ভুলে যায়, সে যেন তা স্মরণ হওয়া মাত্র পড়ে নেয়। (এই কাযা আদায় করা ছাড়া) এর জন্য আর অন্য কোন কাফফারা (প্রায়শ্চিত্ত) নেই।” (বুখারী ৫৯৭, মুসলিম ১৫৯৮, মিশকাত ৬০৩ নং হাদীস)


তাই বলে এটা আদা হবে না বরং কা'যা হবে।যদিও এ কা'যাতে কোনো গোনাহ হবে না।

তবে কেউ এটাকে নিয়ম বানিয়ে নিতে পারবেন না।যে ঘুম যখনই ভঙ্গবে তখনই ফজর পড়বো।কেননা গোনাহ হবে না।বরং নিয়মিত কেউ এমনটা করলে অবশ্যই গোনাহ হবে।জাযাকাল্লাহ
by (10 points)
আলহামদুলিল্লাহ। এবার বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে। জাজাকুমুল্লাহ

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 325 views
0 votes
1 answer 349 views
...