0 votes
18 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (2 points)

আমি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার। আমি একটা কোম্পানীর গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ করি। তবে কোম্পানীটি হিন্দু মালিকানাধীন এবং তাদের কোম্পানীর লোগোটি হচ্ছে হিন্দুদের স্বস্তিকা প্রতীক। তো তাদের কোম্পানীর কিছু সচেতনতামূলক পোস্টার তৈরীর কাজে আমাকে ওই লোগো বসাতে হয়। তবে আমি মনে প্রাণে আল্লাহ কে বিশ্বাস করি এবং তাদের ওই লোগোর প্রতি আমার বিশ্বাস নেই। এবং আমি আমার ব্যাক্তিগত কারণে ওই লোগোর কোনো ব্যবহার করি না। শুধু তাদের লিফলেট পোস্টার বানাতেই ব্যবহার করতে হয়। এক্ষেত্রে এইটার বিধান বা জায়েজ সম্পর্কে প্রশ্ন করছি আমি।

1 Answer

0 votes
by (32.3k points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

এ সম্পর্কে দু'টি মত পাওয়া যাওয়া যথাঃ-

(১)
এমন কাজ করা জায়েয হবে না।কেননা আল্লাহ তা'আলা বলেন,

ﻭَﺗَﻌَﺎﻭَﻧُﻮﺍْ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﺒﺮِّ ﻭَﺍﻟﺘَّﻘْﻮَﻯ ﻭَﻻَ ﺗَﻌَﺎﻭَﻧُﻮﺍْ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻹِﺛْﻢِ ﻭَﺍﻟْﻌُﺪْﻭَﺍﻥِ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍْ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺷَﺪِﻳﺪُ ﺍﻟْﻌِﻘَﺎﺏِ
সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর শাস্তিদাতা।(সূরা মায়েদা-২)

(২)
এমন কাজ করা নাজায়ের হবে না।যেমন-ফাতাওয়া শামীতে বর্ণিত আছে,
ﻭﻟﻮ ﺁﺟﺮ ﻧﻔﺴﻪ ﻟﻴﻌﻤﻞ ﻓﻲ ﺍﻟﻜﻨﻴﺴﺔ ﻭﻳﻌﻤﺮﻫﺎ ﻻ ﺑﺄﺱ ﺑﻪ ﻷﻧﻪ ﻻ ﻣﻌﺼﻴﺔ ﻓﻲ ﻋﻴﻦ ﺍﻟﻌﻤﻞ
যদি কেউ কোনো গির্জায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করে,অথবা টাকার বিনিময়ে গির্জা নির্মাণ করে দেয়, তাহলে এতে তার কোনো গুনাহ হবে না। কেননা এখানে মূল কাজে কোনো গুনাহ নাই।
)ﺭﺩ ﺍﻟﻤﺤﺘﺎﺭ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﺪﺭ ﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ٦\٣٩٢ » ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺤﻈﺮ ﻭﺍﻹﺑﺎﺣﺔ » ﻓﺼﻞ ﻓﻲ ﺍﻟﺒﻴﻊ(
রদ্দুল মুহতার,৬/৩৯২।

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন/
যদি এছাড়া আরো কোনো বৈধ কাজ না পাওয়া যায়,তাহলে ইস্তেগফারের সাথে এমন কাজে নিজেকে নিয়োগ করা বৈধ হবে।তবে অন্য কোনো বৈধ কাজ পাওয়া গেলে সে কাজে নিজেকে নিয়োগ করাই উচিৎ।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, Iom.

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

...