আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ উস্তায
১) ১২ /১১ বছর বয়সের মামাতো ভাইকে কি পড়ানো যাবে? তার মোবাইল দেখার অভ্যাস আছে। আচার আচরণ হাসি-কথাবার্তা ছোট মানুষের মতো কিন্তু কিছু কিছু সময় বড় মানুষের মত কথা বলে। তার বাবা অর্থাৎ আমার মামা আমাদের পরিবারের বিভিন্ন কাজে সহায়তা করেন , বিয়ে শাদি ইত্যাদিতে নিজের মনে করে অনেক কাজ করে দেন। মামা ই বলেছেন আমাকে পড়ানোর জন্য এখন মুখের উপর না করা কি ঠিক হবে?
২) আমার বোন নার্স । সে বর্তমানে একটা ক্লিনিকে চাকরি যেখানে বোরকা পড়ে চাকরি করতে পারেন। কিন্তু বেতন অনেক কম। তাই অন্য মেডিকেলে সিভি দিছেন । কিন্তু সিভি থেকে কোন কল আসেনা দেখে আমার মা বলতেছেন আমার বোনের রুকাইয়াহ করানোর জন্য,জ্বীন যাদু কোন সমস্যার কারনে হয়তো হচ্ছে না। আমাদের অনেক শত্রু আছে আত্মীয়ের মধ্যেই। মা বলেছেন আমার পরিচিত এক বোনের মাধ্যমে রুকাইয়াহ করাতে। এখন বর্তমানে যেখানে আমার বোন চাকরি করেন , সেখানে বোরকা পড়ে যাওয়ার অনুমতি আছে, কিন্তু পরবর্তীতে যদি রুকাইয়াহ করানোর পর ,এমন মেডিকেলে চাকরি হয়, সেখানে যদি বোরকা পড়ে যাওয়ার অনুমতি না থাকে । তাহলে আমার মাধ্যমেই যে রুকাইয়াহ করানো হলো আমি কি গুনাহগার হবো?
৩) আবার যদি আমি রুকাইয়াহর জন্য চেষ্টা না করি , তাহলে কবিরাজের কাছে ও আম্মা চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে । সেটাতো আবার কুফরি । এক্ষেত্রে আমার করনীয় কি?
৪) আমি সাধারনত চোখ ডেকে পর্দা করে বাহিরে যাই। এখন স্বামী যদি বলে চোখ খোলা রেখে বাহিরে যাওয়ার জন্য, তাহলে এমতাবস্থায় কি করা উচিত ,?