আসসালামু আলাইকুম।
১. একটা হাদীসে দেখলাম দেরিতে নামাজ পড়া মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য। এখন যদি ঘুম ঘুম ভাবের কারণে একটু ঘুমিয়ে নিয়ে ওয়াক্তের নামাজ ওয়াকতেই আদায় করি কিন্তু একটু বিলম্বে, বা দুনিয়াবি কোনো কাজ সেরে যদি নামাজ পড়ি যেন দুনিয়াবি চিন্তা মাথায় না আসে আর সময় নিয়ে পড়তে পারি তাহলেও কী মুনাফিক হয়ে যাবে?
২. ফোনের স্ক্রিনে ওয়ালপেপারে কুরআনের আয়াত বা যেকোনো আরবী লিখা সেট করা যাবে কি? ফোন তো মাঝে মধ্যে হাত থেকে পড়ে যেতে পারে। কিন্তু আরবী লিখা তো স্ক্রিনের ওয়ালপেপারে থাকবে সরাসরি স্পর্শ করা তো সম্ভব না। এভাবে রাখা যাবে কি?
৩. প্রতিদিনের পরিধেয় জামা কাপড় গোসলের সময় কি তিনবার বালতির পানি চেঞ্জ করেই পরিষ্কার করতে হবে? যদি দৃশ্যমান কোনো নাপাক না লাগে। এমনিতে বাতাসে থাকা ধুলাবালি তো লাগেই। আমরা তো ওই কাপড়েই অজু করে নামাজ পড়ি। তবুও গোসলের সময় কি তিনবার ধুতে হবে?
৪.আমার কোল্ড এলার্জি আছে, পানি বেশি নাড়লে অনেক ঠাণ্ডা সর্দি লাগে। যদি পরিধেয় কাপড় (জামা ,পায়জামা, ওড়না একত্রে) একবার বালতির পানিতেই তিনবার চুবিয়ে (তিনবার পানি চেঞ্জ না করে) ভালোভাবে চিপে পরিষ্কার করি তাহলে কি কাপড় পাক হবে? নামাজ ইবাদত হবে? নাকি প্রত্যেকটা আলাদা ভাবে তিনবার ধুতেই হবে যদি দৃশ্যমান নাজাসাত না থাকে।
৫.ইলম ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য কি আমল করতে পারি?
৬. মেয়ে হিসেবে ইমাম মাহদীর দলে যুক্ত হওয়ার জন্য কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারি?এ সম্পর্কিত কী কী আমল করা উচিত, কী বই পড়া উচিত? তাকওয়া কীভাবে বৃদ্ধি করতে পারি?