আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
2 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (46 points)
আসসালামু আলাইকুম।আরেকটু ক্লিয়ার করে বলতেছি।

আল্লাহ আছে আর আল্লাহ সৃষ্টিকর্তা এসব জানার পর ও কেউ যদি এভাবে বলে যে আল্লাহ আপনি যদি আসলেই থেকে থাকেন তাহল এই দোয়া কবুল করেন।এসব কথা বলার পর ঠিকি নামাজ দোয়া পড়ে।২-১ বছর পর বিয়েও করে।এর ভিতর মানে বিয়ের আগে হয়ত কালেমা শাহাদাত  পড়েছেকিনা  জানে না, তায়েবা পড়ে থাকবে হয়ত আর বড় করে পড়েছিল কিনাও মনে নেই,অনেক আগের কথা তহ।ঈমান চলে যাবে কি যাবে না এসব জানত না।হয়ত কোন টেনশনে বা আবদারের নিয়তে এভাবে বলে ফেলেছে না বুঝে।এসব কথা বলার পর পর মাথা থেকে এসব চলে যায় আর নামাজ দোয়াও পড়ে।তহ এখন কি আবার বিয়ে করতে হবে??।তখন বয়স কম ছিল হয়ত আল্লাহর কাছে চাইতে এভাবে চেয়ে ফেলেছে, আর শয়তান তহ নানা ভাবে ধোকা দেয় তাই হয়ত না বুঝে এভাবে বলে ফেলেছে।সে বিশ্বাস করে ও স্বীকার করে তখন থেকে আল্লাহ আছে এসব এবং ঈমানের প্রতিট বিষয়।তার  দাদি মাজারের কাজ সমর্থন করত এসবও সে সমর্থন করত না শির্ক তাই।

******  প্রশ্ন: ******
এসব কথা বলার ২-৩ বছর পর বিয়ে করে। তহ এর ভিতর মানে বিয়ের আগে  হয়ত কালেমায়ে তয়েবা পড়ে থাকবে যেহেতু নামাজ/কোরআন  পড়েছে, শাহাদাত পড়েছে কিনা জানে না আর বড় করে পড়েছিল কিনাও মনে নেই অনেক আগের বিষয়।তাহলে বিয়ে কি বৈধ হবে?আল্লাহর কাছে আন্তরিক ভাবে মাফ চাইলে হবে নাকি আবার বিয়ে করতে হবে?।বিয়ের পর মনে হয় এসব কথা বলে নি আর, মনে নেই।বিয়ের ৫ বছর হয়েছে এখন এসব কথা বললে কেউ মানবে না হয়ত,আবার বিয়ের কথাটা।এসব নিয়ে খুবই বেশি চিন্তিত আর ভয়ে
****

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...