আসসালামু আলাইকুম।আরেকটু ক্লিয়ার করে বলতেছি।
আল্লাহ আছে আর আল্লাহ সৃষ্টিকর্তা এসব জানার পর ও কেউ যদি এভাবে বলে যে আল্লাহ আপনি যদি আসলেই থেকে থাকেন তাহল এই দোয়া কবুল করেন।এসব কথা বলার পর ঠিকি নামাজ দোয়া পড়ে।২-১ বছর পর বিয়েও করে।এর ভিতর মানে বিয়ের আগে হয়ত কালেমা শাহাদাত পড়েছেকিনা জানে না, তায়েবা পড়ে থাকবে হয়ত আর বড় করে পড়েছিল কিনাও মনে নেই,অনেক আগের কথা তহ।ঈমান চলে যাবে কি যাবে না এসব জানত না।হয়ত কোন টেনশনে বা আবদারের নিয়তে এভাবে বলে ফেলেছে না বুঝে।এসব কথা বলার পর পর মাথা থেকে এসব চলে যায় আর নামাজ দোয়াও পড়ে।তহ এখন কি আবার বিয়ে করতে হবে??।তখন বয়স কম ছিল হয়ত আল্লাহর কাছে চাইতে এভাবে চেয়ে ফেলেছে, আর শয়তান তহ নানা ভাবে ধোকা দেয় তাই হয়ত না বুঝে এভাবে বলে ফেলেছে।সে বিশ্বাস করে ও স্বীকার করে তখন থেকে আল্লাহ আছে এসব এবং ঈমানের প্রতিট বিষয়।তার দাদি মাজারের কাজ সমর্থন করত এসবও সে সমর্থন করত না শির্ক তাই।
****** প্রশ্ন: ******
এসব কথা বলার ২-৩ বছর পর বিয়ে করে। তহ এর ভিতর মানে বিয়ের আগে হয়ত কালেমায়ে তয়েবা পড়ে থাকবে যেহেতু নামাজ/কোরআন পড়েছে, শাহাদাত পড়েছে কিনা জানে না আর বড় করে পড়েছিল কিনাও মনে নেই অনেক আগের বিষয়।তাহলে বিয়ে কি বৈধ হবে?আল্লাহর কাছে আন্তরিক ভাবে মাফ চাইলে হবে নাকি আবার বিয়ে করতে হবে?।বিয়ের পর মনে হয় এসব কথা বলে নি আর, মনে নেই।বিয়ের ৫ বছর হয়েছে এখন এসব কথা বললে কেউ মানবে না হয়ত,আবার বিয়ের কথাটা।এসব নিয়ে খুবই বেশি চিন্তিত আর ভয়ে
****