ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) পাত্রী এর জ্ঞান, ইমান-আমল, দ্বীনদারিতা বেশি হলে কুফু মিলে না। এমন কোনো কথা নেই।
(২) আল্লাহ এর কাছে অধিক দ্বীনদার, আমলে অধিক আগ্রহী এবং উতসাহপ্রদানকারী, অধিক তাকওয়া যুক্ত কাওকে পাওয়ার জন্য দোয়া করা অনুচিত হবে না।
(৩) আল্লাহর ভয়ের চোখের পানি এবং সাধারণ কান্নার চোখের পানি সমান নয়।
(৪) সব বিষয়েই ইস্তেখারা করা যেতে পারে। ইস্তেখারা করার পর মনের মধ্যে কোনো একটি পথের দিকনির্দেশনা বা মহব্বত হতে পারে। আবার নাও হতে পারে।
(৫) ব্যাংকে যারা জব করেন, তাদের কাজ যদি সুদের সহায়তা মূলক হয়, তাহলে তাদের খাবার গ্রহণ করা যাবে না। গ্রহণ করলেও সেই পরিমাণ টাকা সদকাহ করতে হবে।
(৬) যদি এমনটা হয়ে যায় এবং এর পরিণতি এরকম হয় তবে এটা থেকে মুক্তি লাভের উপায় হল, সমপরিমাণ টাকা সদকাহ করে নেওয়া।
(৭) অপেক্ষায় থাকুন অবশ্যই দোয়া কবুল হবে।
(৮) অন্যান্য দুয়া এর ক্ষেত্রেও একই ধারণা রাখতে হবে।