আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
18 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (3 points)
আসসালামুয়ালাইকুম।

কয়েকটি বিষয়ে আমার প্রশ্ন ছিল যেগুলোর উত্তর জানা একটু জরুরী।

১। সাধারণত বলা হয়ে থাকে পাত্রী এর জ্ঞান, ইমান-আমল, দ্বীনদারিতা বেশি হলে কুফু মিলে না এটা কি সত্য?

২। কিন্তু কোনো ছেলে বা পুরুষ যদি আল্লাহ এর কাছে অধিক দ্বীনদার, আমলে অধিক আগ্রহী এবং উতসাহপ্রদানকারী, অধিক তাকওয়া যুক্ত কাওকে পাওয়ার জন্য দুয়া করে সেটা কি অনুচিত হবে? এক্ষেত্রে কি বৈবাহিক জীবনে অনেক সমস্যা হয়? যদি নিজের এবং নিজের প্রজন্মের দ্বীনদারিতার কথা বিবেচনা করে এমনটা করতে চায় কেও সমস্যা হবে কি?

৩। আমরা জানি যে আল্লাহ এর দরবারে চোখের পানি এর মর্যাদা অনেক বেশি; কিন্তু অনেক সময় পার্থিব কোনো কারণে চোখে পানি আসে; ব্যর্থতা থেকে, আনুসাংগিক চাপ থেকে, মানসিক অবসাদ থেকে ইত্যাদি কারণে। এমন সময় গুলোতে বা দুয়া এর সময় এমন কারণে যদি পানি আসে এবং আল্লাহ এর কাছে সাহায্য, ক্ষমা, বা কোনো পরকাল বা দুনিয়া বিষয়ক কিছু প্রার্থনা করা হয়, তাহলে কি সেই চোখের পানি এর আলাদা কোনো গুরুত্ব থাকবে?

৪। সাধারণত কখন ইস্তেখারা করা উচিত? সব বিষয়ে কি ইস্তেখারা করা যেতে পারে? এবং এর জবাব কি সবসময় পাওয়া যায় নাকি একটানা করতে হয়?

৫। আমার কোনো এক আত্মীয় ইসলামী ব্যাংক এ চাকরী করে। আমি তার ক্রয়কৃত খাবার গ্রহণ করে ফেলি মাঝেমাঝে খুবি অপারগ হয়ে কেননা সে বেশ কাছের আত্মীয়। আমার কি এক্ষেত্রে দুয়া এবং ইবাদত কবুল বন্ধ হয়ে যাবে?

৬। যদি এমনটা হয়ে যায় এবং এর পরিণতি এরকম হয় তবে এটা থেকে মুক্তি লাভ এর উপায় কি?
৭। যদি দীর্ঘদিন থেকে উপার্জনের জন্য দুয়া করে থাকি কিন্তু তাও কোনো ফলাফল না আসে সেক্ষেত্রে কি এরকম ধারণা করতে হবে যে আমার সময় আসে নি, কিংবা আমি প্রস্তুত না বা যোগ্য নই, আমার চেষ্টা করা হচ্ছে না কিংবা আল্লাহ হয়ত আমার দুয়া কোনো কারণে কবুল করছেন না?

৮। অন্যান্য দুয়া এর ক্ষেত্রেও কি একি ধারণা রাখতে হবে?

যাযাকাল্লাহ ;

1 Answer

0 votes
ago by (807,660 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!

(১) পাত্রী এর জ্ঞান, ইমান-আমল, দ্বীনদারিতা বেশি হলে কুফু মিলে না। এমন কোনো কথা নেই। 

(২)  আল্লাহ এর কাছে অধিক দ্বীনদার, আমলে অধিক আগ্রহী এবং উতসাহপ্রদানকারী, অধিক তাকওয়া যুক্ত কাওকে পাওয়ার জন্য দোয়া করা অনুচিত হবে না।

(৩) আল্লাহর ভয়ের চোখের পানি এবং সাধারণ কান্নার চোখের পানি সমান নয়।

(৪) সব বিষয়েই ইস্তেখারা করা যেতে পারে। ইস্তেখারা করার পর মনের মধ্যে কোনো একটি পথের দিকনির্দেশনা বা মহব্বত হতে পারে। আবার নাও হতে পারে।

(৫) ব্যাংকে যারা জব করেন, তাদের কাজ যদি সুদের সহায়তা মূলক হয়, তাহলে তাদের খাবার গ্রহণ করা যাবে না। গ্রহণ করলেও সেই পরিমাণ টাকা সদকাহ করতে হবে।

(৬) যদি এমনটা হয়ে যায় এবং এর পরিণতি এরকম হয় তবে এটা থেকে মুক্তি লাভের উপায় হল, সমপরিমাণ টাকা সদকাহ করে নেওয়া।

(৭)  অপেক্ষায় থাকুন অবশ্যই দোয়া কবুল হবে।

(৮) অন্যান্য দুয়া এর ক্ষেত্রেও একই ধারণা রাখতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...