ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যদি কেউ দাড়াতে পারেন,তবে রুকু সেজদা করতে পারেন না,তবে উনি দাড়িয়েই নামায শুরু করবেন।অতঃপর দাড়িয়েই ইশারায় রুকু-সেজদা ও বৈঠক করে নামাযকে সমাপ্ত করবেন।এটা ইমাম যুফার রাহ সহ অন্যান্য তিনো মাযহাবের অভিমত।দারুল উলূম করাছির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত এটাই।তবে যদি কেউ দাড়িয়ে ইশারা করার পরিবর্তে বসে বসে ইশারা করে নামায পড়ে ফেলে তাহলে তার নামাযও ফাসেদ হবে না।বরং তার নামাযও হবে।যদিও সেটা অনুত্তম হিসেবে বিবেচিত হবে।
যদি কোনো ব্যক্তি রুকু সেজদায় যেতে পারে,কিন্তু রুকু সেজদা থেকে উঠতে না পারে।তাহলে এমন ব্যক্তির জন্য প্রথম রাকাত দাড়িয়ে পড়ার পর পরবর্তী রা'কাত সমূহ বসে পড়ার অনুমোদন রয়েছে।
অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য চেয়ারে বসে নামায পড়ার চেয়ে মাঠিতে বসে নামায পড়াই শ্রেয়। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1621
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
শারিরিক সমস্যার দরুণ বসে বা চেয়ারে বসে নামায আদায়ের রুখসত রয়েছে। এক্ষেত্রে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হল, দুইজন মুসলিম ডাক্তারের পরামর্শ মুতাবেক নামায আদায়ের পদক্ষেপ গ্রহণ করে নিবেন।
(২) এখানে ক্লাস করার এবং না করার ক্ষেত্রে গোনাহের বিধান জড়িত হবে না। হ্যা, ক্লাস না করে সময় ও অর্থের অযথা অপচয়ের গোনাহ তো হবেই। বিশেষ প্রয়োজন ও জরুরত ব্যতিত ক্লাস ফাকি দেওয়া কখনো উচিত হবে না বা কাম্য হতো পারে না।