আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
4 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (3 points)
Please approve!!

কোন স্ত্রী তালাক চাওয়ার পর স্বামী যদি বলে তুমি দাও।স্ত্রী তখন  মনে মনে স্বামীর দিকে ইন্গিত করে ৩ তালাক দেয় মানে ৩ বার স্বামীর দিকে মনে মনে ইন্গিত করে তা......... বলেছে শুধু।সে নিজের দিকে করে নি ইন্গিত কারন সে জানতই না মেয়েরা তালাক দিতে পারে নিজেদেরকে স্বামী অধিকার দিলে ।এতে কি তালাক হবে?এরকম কয়েকবার হয়েছে।মানে যতবার স্ত্রী তালাক চাইত ততবার বলত স্বামী কথা ওটা মানে তুমি দাও কারন স্বামী চাইত না স্ত্রীকে ছেড়ে দিতে।

 তখন তহ মেয়েরা তালাক দিতে পারে যে সেটা ওরা জানত না ওরা।তহ স্ত্রী অনেক মাস পরে  স্বামীকে জিগ্যেস করে "আমি  তালাক চাইলে তুমি বলতা যে তুমি দাও।এটা কাকে দিতে বলতা যে? তুমাকে?স্বামী বলে "থেত এগুলো মন থেকে বলতাম না। ছেড়ে  দিব বা ছেড়ে দিছি এগুলো তুমাকে থামানোর জন্য বলতাম যে"।কিন্তুু স্বামী আগে কোনদিন বলে নি ছেড়ে দিছি,দিব বলত।স্ত্রী জানে না বলেছে কিনা , স্ত্রীর যদ্দুর    মনে পড়ে বলে নি কিন্তুু ছেড়ে দিব সেটা বলত দিছি বলে নাই।কারন স্ত্রী কেনায়া তালাক সম্পর্কে না জানলেও সরাসরি তালাক দেই নাই সেটা জানে, আল্লাহ জানে বলেছি কিনা।এমনকি কিছু দিন আগেও স্ত্রী প্রশ্ন করেছিল তখন না বলছিল স্বামী মানে সরাসরি তালাক দেই নি।  এমনকি স্ত্রী চায়লেও কোনদিন দিলাম বলেছিল কিনা মনে নেয় কারো মানে মাঝে মাঝে স্ত্রী চায়লেও।হয়ত দিব বা তুমি দাও এ জাতীয় কিছু বলেছিল। স্বামীর তেমন মনে থাকে না কথা,৩ দিন আগে কি বলেছে সেটাই মনে থাকে না কথাটা সে আন্দাজে বলেছে মনে হয় স্বামী।স্বামীকে জিগ্যেস করেছে প্রশ্ন একটা আর উত্তর দিছে আরেকটা।এখানে স্বামী স্ত্রীর কোন কথায় কি তালাক হবে?তারপর স্ত্রী আবার বলতেছে কাকে দিতে বলতা তালাক ?  স্বামী বলতেছে বাদ দাও তহ মনে নেই আমার।এখানে উপরোক্ত কোন কথা বার্তা দ্বারা কি তালাক হবে?সব কথাগুলো মেসেজে হয়েছিল।ভিড়িও কল দিছে কিন্তুু কথা হচ্ছিল মেসেজে।কারন স্বামী দূরে।

উপরোক্ত স্বামীর কথার দ্বারা কি কোন সমস্যা বা তালাক হয়?

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...