জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
ইসলামে বিবাহ পূর্ব প্রেম স্পষ্ট হারাম।
হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
اَلْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظْرُ وَالْاُذُنَانِ زِنَاهُمَا الْاِسْتِمَاعُ وَاللِّسَانُ زِنَاهُمَا الْككَلَامُ وَالْيَدُ زِنَاهُمَا الْبَطْشُ وَالرِّجْلُ زِنَاهُمَا الخُطَا وَالْقَلْبُ يَهْوِىْ وَيَتَمَنَّى وَيُصَدِّقُ ذَالِكَ الْفَرْجُ اَوْ يُكَذِّبُه
“দুই চোখের ব্যভিচার হল হারাম দৃষ্টি দেয়া, দুই কানের ব্যভিচার হল পরনারীর কণ্ঠস্বর শোনা, যবানের ব্যভিচার হল অশোভন উক্তি, হাতের ব্যভিচার হল পরনারী স্পর্শ করা, পায়ের ব্যভিচার হল গুনাহর কাজের দিকে পা বাড়ান, অন্তরের ব্যভিচার হল কামনা-বাসনা আর গুপ্তাঙ্গঁ তা সত্য অথবা মিথ্যায় পরিণত করে।” (মেশকাত ১/৩২)
এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুনঃ
সুরা বাকারার ১৬৫ নং আয়াতে যাকে ইবাদত করা হয় (উদাহরণ স্বরুপ মূর্তি) উদ্দেশ্য।
কোনো প্রেমিক প্রেমিকা এখানে উদ্দেশ্য নয়।
মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ
وَ مِنَ النَّاسِ مَنۡ یَّتَّخِذُ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ اَنۡدَادًا یُّحِبُّوۡنَہُمۡ کَحُبِّ اللّٰہِ ؕ وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَشَدُّ حُبًّا لِّلّٰہِ ؕوَ لَوۡ یَرَی الَّذِیۡنَ ظَلَمُوۡۤا اِذۡ یَرَوۡنَ الۡعَذَابَ ۙ اَنَّ الۡقُوَّۃَ لِلّٰہِ جَمِیۡعًا ۙ وَّ اَنَّ اللّٰہَ شَدِیۡدُ الۡعَذَابِ ﴿۱۶۵﴾
আর মানুষের মধ্যে এমনও আছে যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে আল্লাহর সমকক্ষরূপে গ্রহণ করে, তারা তাদেরকে ভালবাসে আল্লাহ্র ভালবাসার মতই পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে তারা আল্লাহকে সর্বাধিক ভালবাসে । আর যারা যুলুম করেছে যদি তারা আযাব দেখতে পেত, (তবে তারা নিশ্চিত হত যে,) সমস্ত শক্তি আল্লাহরই। আর নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি দানে কঠোর।
অর্থাৎ কাফেররা আল্লাহকে যেমন ভালবাসে তাদের (মিথ্যা) মা’বুদদেরও তেমন ভালবাসে। এ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, আল্লাহ তা'আলার ভালবাসা কাফেরদের মনেও ছিল, কিন্তু তা ছিল শির্কযুক্ত। একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর জন্য নয়।
,
★সুতরাং বুঝা গেলো যে অবৈধ প্রেম হারাম হলেও তাহা শিরক নয়।
,
তবে কিছু ইসলামী স্কলারদের মত হলোঃ
হারাম-প্রেম অনেক সময় বান্দাহকে শিরকের নিকটবর্তী করে দেয়। কারণ অনেক সময় তারা একে অপরকে এতটাই ভালবাসা শুরু করে দেয় যে প্রকার ভালবাসা পাওয়ার দাবীদার একমাত্র আল্লাহ।
,
সুতরাং এটি যেহেতু বান্দাহকে শিরকের নিকটবর্তী করে দেয়,তাই যেকোনো ভাবেই হোক,দ্রুত এর থেকে হেফাজত থাকতে হবে।
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
আপনি প্রশ্নে যে বিষয়টি উল্লেখ করেছেন এটি মতবিরোধপূর্ণ একটি বিষয়। অনেকের মতে এক্ষেত্রে কোনোভাবেই শিরক হবে না। তদুপরি তাহা যদি আল্লাহ তায়ালা হতে গাফেল রাখার কারণ হয়, আল্লাহ তায়ালা থেকে প্রিয় মানুষকে বেশি গুরুত্ব দেয়,আল্লাহ তায়ালার সমমানের মতো মনে করে, সেক্ষেত্রে কেউ কেউ শিরক বলেছেন।
(০২)
না।
(০৪)
আল্লাহ তায়ালা চাইলে বিনা শাস্তিত জান্নাত দিতে পারেন। সেটা আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছাধীন বিষয়।
(০৫)
বিবাহর বয়সের পরেও বিবাহ না করে এভাবে থাকা এবং উক্ত গুনাহ করা, এটিও বড় গুনাহ।
(৩-৬)
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়। কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।
আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন। যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন
⤵ গ্রুপ লিংক:
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)