১।ইসলামী স্কলারদের মত হলোঃ
হারাম-প্রেম অনেক সময় বান্দাহকে শিরকের নিকটবর্তী করে দেয়। কারণ অনেক সময় তারা একে অপরকে এতটাই ভালবাসা শুরু করে দেয় যে প্রকার ভালবাসা পাওয়ার দাবীদার একমাত্র আল্লাহ।
সেটা কিরকম ভালোবাসা যেটা আল্লাহ পাক দাবিদার আর সেটা শিরকের নিকটবর্তী কর দেয় এর ব্যাখা জানতে চাই?
২।হালাল ভাবে হোক হারাম ভাবে হোক কারও শরীরের জন্য সৌন্দর্যের জন্য কাউকে নিজের কাছে চাওয়া এবং তার সাথে সহবাস বা যিনা করা এটা কি শিরকের নিকটবর্তী করে দিবে ?
৩।স্ত্রী সন্তানদের জন্য নিজের ধনী হবার চেষ্টা করা কাজ করা গোনাহ হবে কি না আল্লাহ পাক রাসুল সাঃ উনাদের মহব্বতে সমস্যা হবে কিনা?
৪।সাত শ্রেণীর লোকের উপর আল্লাহ অভিশাপ বর্ষণ করেন, কিয়ামতের দিন এদের দিকে তাকাবেন না এবং এদেরকে জাহান্নামে প্রবেশের আদেশ দিবেন। এরা হল–সমকামী, হস্তমৈথুনকারী, জীবজন্তুর সাথে সঙ্গমকারী, স্ত্রীর সঙ্গে পুংমৈথুনকারী, কোন মহিলা ও তার কন্যাকে একসাথে বিবাহকারী, প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারকারী এবং প্রতিবেশীকে এমন কষ্টদানকারী যে, যার কারণে সে তাকে অভিশাপ দেয় । তবে এরা যদি তাওবা করে তাহলে তারা সবাই হয়ত ক্ষমা পেতে পারে।
আর যদি তওবা না করে মারা যায় তাহলে কি আল্লাহ পাক যদি চান দয়া করতে পারেন এবং বিনা শাস্তিতে জান্নাত দিতে পারেন?
৫।বিদেশে গেলে যিনা করার সম্ভাবনা নাই কারন মেয়ে পটানোর যোগ্যতা নাই দেখতেও কালো। হস্তেমৈথুনের বদ অভ্যাশ আছে দেশেও করি বিদেশে গেলে করমু কিনা শিওর না তবে সম্ভাবনা রয়েছে। আমি বিবাহিত এখন বিদেশ গেলে গোনাহ হবে কি?
৬।গোনাহ মাকরুহ করতে গেলে নিয়ত করলে করার চেষ্টা অমুসলিম দের বিষয়ের দিকে মন যায় বা ভিতরে আসছে , ভিতর থেকে লাগে টান বা আকৃষ্ট আসছে পরে ভিতর থেকে লাগছে যে না টান নাই আকৃষ্ট নাই। কিন্তু ভিতর থেকে শড়চেনা সড়লেও আবার আসে এখন কি ইমানে সমস্যা হবে?