ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
«النِّكَاحُ حَالَةَ الِاعْتِدَالِ سُنَّةٌ مُؤَكَّدَةٌ مَرْغُوبَةٌ، وَحَالَةَ التَّوَقَانِ وَاجِبٌ، وَحَالَةَ الْخَوْفِ مِنَ الْجَوْرِ مَكْرُوهٌ.» - «الاختيار لتعليل المختار»
স্বাভাবিক অবস্থায় বিয়ে করা সুন্নতে মু’আক্কাদা। আর যিনা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনায় বিয়ে করা ওয়াজিব। আর স্ত্রীর জুলুম করার আশংকা থাকলে তখন বিয়ে করা মাকরুহ।(আল-এখতিয়ার লি তা’লিলিল মুখতার-৩/৮২)
অথবা এভাবেও বলা যায়,
বিবাহের সামর্থ রয়েছে, আর্থিক ও শারিরিক উভয় রকম সামর্থ্য রয়েছে,এবং যিনা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে, এমতাবস্থায় বিয়ে করা ওয়াজিব।
বিবাহের সামর্থ্য রয়েছে,তবে যিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা নাই, এমতাবস্থায় বিয়ে করা সুন্নত। এবং স্ত্রীর হক আদায় না করার আশংকা থাকলে তখন বিয়ে করা মাকরুহ।
অবস্থাভেদে বিয়ে করা ফরয,ওয়াজিব,সুন্নত ও হারাম হয়। যৌনক্ষমতা ও মহরের সামর্থ্য থাকাবস্থায় বিয়ে করা সুন্নত।যিনা-ব্যভিচারের আশংকা থাকলে ওয়াজিব আর পূর্ণ ঈয়াকিন থাকলে তখন বিয়ে করা ফরয হয়ে যায়।আল্লাহ-ই ভালো জানেন।(শেষ)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2276
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী বোন!
যদি ফিতনার কোনো আশংকা না থাকে তাহলে নারীদের জন্য বিয়ে বসা ওয়াজিব না হলেও বিয়ে করাই উত্তম এবং সুন্নত।