আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
46 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (36 points)

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

আমি একজন মেয়ে এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আমি ক্লাসে বোরকা নিক্বাব পরে যাই। আমাদের বিভাগের তিনজন স্যার ম্যাম পিএইচডি করতে বিদেশে যাচ্ছেন। এ উপলক্ষে ক্লাসের শিক্ষার্থীরা স্যারদের জন্য একটি বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে। সম্ভবত সেখানে মিষ্টি বা কেক থাকবে এবং শেষে স্যারদের সাথে সবাই মিলে একটি গ্রুপ ছবি তোলা হবে, যেখানে ছেলে-মেয়ে সবাই একসাথে থাকবে।

আর এই টাইপের আয়োজন ক্লাস চলাকালীন সময়ে হওয়ার সম্ভাবনা আছে। অন্য টাইমে হলে আমি না যাওয়ার চেষ্টা করতাম।

এই বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে আমার করণীয় কী, তা জানতে চাই।

বিশেষ করে আমার প্রশ্ন হলো:

১) স্যারদের সম্মানার্থে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা কি জায়েজ?
২) যদি সবাই মিলে গ্রুপ ছবি তোলে, যেখানে ছেলে-মেয়ে সবাই একসাথে থাকবে, তাহলে আমার কী করা উচিত?
৩) আমি কি ছবিতে অংশগ্রহণ করতে পারি, নাকি আলাদা থাকা উত্তম?
৪) যদি অংশ নিই, তাহলে পেছনে বা পাশে দাঁড়িয়ে শালীনভাবে থাকা কি ইসলামসম্মত হবে?
৫) আল্লাহ তাআলা কোন আচরণে বেশি সন্তুষ্ট হবেন?

এর আগে এমন একটি অনুষ্ঠানে আমি একা বসে ছিলাম, আর একটা মেয়ে ছিল আমার পাশে দাঁড়িয়ে, ফলে সবার নজরে পড়ে অস্বস্তিকর লাগছিল, ওরা সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছিল তো। এবার এমন অবস্থায় দ্বীনের দিক থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে দয়া করে পরামর্শ দিলে উপকৃত হব।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।<!--/data/user/0/com.samsung.android.app.notes/files/clipdata/clipdata_bodytext_260414_062542_020.sdocx-->

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত,
ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﺳﻌﻴﺪٍ ﺍﻟﺨُﺪْﺭِﻱِّ - ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺗَﻌَﺎﻟَﻰ ﻋﻨﻪُ - ﻗﺎﻝَ : ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺭﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳﻘُﻮﻝ" : ﻣَﻦْ ﺭَﺃَﻯ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﻣُﻨْﻜَﺮًﺍ ﻓَﻠْﻴُﻐَﻴِّﺮْﻩُ ﺑِﻴَﺪِﻩِ ، ﻓَﺈِﻥْ ﻟَﻢْ  ﻓَﺒِﻠِﺴَﺎﻧِﻪِ ، ﻓَﺈِﻥْ ﻟَﻢْ ﻳَﺴْﺘَﻄِﻊْ ﻓَﺒِﻘَﻠْﺒِﻪِ ، ﻭَﺫَﻟِﻚَ ﺃَﺿْﻌَﻒُ ﺍﻹِﻳﻤَﺎﻥِ "
নবীজী সাঃ বলেনঃ তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি কোনো অন্যায় কাজ দেখে,তাহলে সে যেন তা হাত দিয়ে ,না পারলে মুখ দিয়ে এবং না পারলে সে যেন তা অন্তর দিয়ে গৃণা করে।এবং এটাই তার ঈমানের সর্বনিম্ন স্থর।(সহীহ মুসলিম-৭৩)

অন্তর দিয়ে গৃনা করার অর্থ হচ্ছে,হালালকে হালাল জানা এবং তাকে মহব্বত করা।এবং হারামকে হারাম জানা ও গৃনা করা এবং তার থেকে দূরে থাকা।বিস্তারিত জানুন-https://www.ifatwa.info/1982

প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নে উল্লেখিত ঐ বিদায়ী অনুষ্ঠান থেকে অবশ্যই দূরে থাকবেন। ঐ দিন বিদ্যালয়েই যাবেন না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...