বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সোনা, রূপা,টাকা,এবং ব্যবসায়িক মালে যাকাত আসে, যদি তা নেসাব পরিমাণ হয়।
স্বর্ণের নেসাবঃ৭.৫ ভড়ি।
রূপার নেসাবঃ৫২.৫ ভড়ি।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, কারো কাছে শুধুমাত্র স্বর্ণ বা শুধুমাত্র রূপা থাকলে সেটার নেসাব পূর্ণ হলেই যাকাত আসবে, অন্যথায় যাকাত আসবে না। তবে হ্যাঁ, যদি কারো নিকট স্বর্ণ এবং রূপা অথবা টাকা এভাবে থাকে যে, কোনোটিরই নেসাব পূর্ণ হয়নি, তাহলে এক্ষেত্রে রূপার নেসাবকেই মানদন্ড ধরে নেয়া হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/121
যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত হল, নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পর বৎসরের শুরু থেকে নিয়ে বৎসরের শেষ পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ মালের মালিক থাকা। এবং বৎসরের মধ্যখানে উক্ত মাল সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ না হয়ে যাওয়া। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/70964
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) স্বর্ণের সাথে যৎ সামান্য প্রয়োজন অতিরিক্ত টাকা বৎসরের শুরু এবং শেষে থাকলেও যাকাত ফরয হবে। আপনার স্ত্রীর নিকট যাকাতের বৎসরের সূচনা এবং শেষে যদি প্রয়োজন অতিরিক্ত কিছু টাকা থাকে, এবং স্বর্ণ ও ঐ টাকা মিলে ৫২.৫ ভড়ি রূপার সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলে যাকাত ফরয হয়ে যাবে। নতুবা যাকাত ফরয হবে না। আপনার বিবরণমতে মাঝেমধ্যে কিছু টাকা থাকলে যাকাত ফরয হবে না
(২) বৎসর পূর্তির পূর্বে সব টাকা খরচ করে ফেললে বা ইচ্ছাকৃত কাউকে দিয়ে দিলে মূলনীতির আলোকে যাকাত ফরয হবে না। তবে যাকাত থেকে বাচার জন্য ইচ্ছাকৃত এমনটা করা সঠিক হবে না,জায়েয হবে না।বরং যাকাত দিয়ে দেয়াই উচিত।
(৩) কোরবানির ইদের দিন যদি ৩ ভরি গহনার পাশাপাশি ইদের হাদিয়া ১-২ হাজার টাকা থাকে, সাথে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পোশাক মিলিয়ে যদি নিসাব পরিমান হয়ে যায়৷ তাহলে কুরবানি ওয়াজিব হয়ে যাবে।
(৪) কুরবানি ওয়াজিব হওয়ার পরও কুরবানি না দিলে এজন্য এক বৎসর বয়সের একটি বকরি সদকাহ করতে হবে।