আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
114 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (18 points)
১. ইরানের শিয়াদের নেতৃত্ব দেয়া মানুষদের আকিদা কতটুকু ভ্রান্ত?

২। তাদেরকে শহীদ বলা যায় কি?

৩.তারা নামাজে যে বিশেষ মাটি এনে তার উপর সিজদা করে তা শিরক হবে কি?

৪.বেশিরভাগ শিয়ারাই জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীদেরকে কাফের বলে অভিশাপ দেয় এতে কি কুফর হবে না?

৫. ইরান তো একসময় সুন্নী মুসলিম গনহত্যা চালিয়েছে বিভিন্ন দেশে এখন তাদের পক্ষে থাকা যাবে কি?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
শিয়াদের মারাত্বক পর্যায়ের কিছু আকিদা হল, যেমন 
(১)বর্তমানে আমাদের সামনে যে কুরআনে কারীম রয়েছে,সেটা বিকৃত।
(২)হযরত আবু বকর উমর কাফির।
(৩) হযরত আযেশা রাযি এর ইফকের ঘটনা বাস্তব সম্মত।

এমন সব আকিদা গ্রহণ কারীরা অবশ্যই কাফির।
এদের সাথে কোনো রকম সম্পর্ক রক্ষা করা যাবে না।

তবে কিছু লোকের আকিদা আমাদের মতই। তবে তারা হযরত আলী রাযি সম্পর্কে বেশী মহব্বতের ইজহার করে থাকে,এমন আকিদা লোকজন কে কাফির বলা যাবে না।বরং তারা আমাদের মতই।তাদের সাথে সকল প্রকার যোগাযোগ রক্ষা করা যাবে।

বর্তমান সময়ের যে শিয়ারা ইরানে আছেন,তাদের সম্পর্কে বলা যায় যে, ইরানের ধর্মীয় নেতা রুহুল্লাহ খোমেনি "ইসনা আশারিয়া" সম্প্রদায়ের।
এদেরকে এক সময় শিয়াদের একটি সম্প্রদায়  "যায়দিয়া" (ইয়েমেনি হুথি) রা কাফের বলে আখ্যায়িত করেছিল। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2632


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সকল শিয়া কাফির নয়। বরং যাদের আকিদাতে কুফরি রয়েছে তারাই কাফের। ইরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থায় যারা রয়েছে, তাদের আকিদাতে কুফরি রয়েছে। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত দান করুক।আমীন।
তাদের সম্পর্কে যতটুকু আমরা জানতে পেরেছি সেই আলোকে বলছি, আল্লাহই ভালো জানেন।
(১) ইরানের শিয়াদের নেতৃত্ব দেয়া মানুষদের আকিদা ভ্রান্ত। যা ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়।
(২)  তাদেরকে শহীদ বলা যাবে না।
(৩) তারা নামাজে যে বিশেষ মাটি এনে তার উপর সিজদা করে তা বিদাত।
(৪) যারা জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীদেরকে কাফের বলে অভিশাপ দেয়, এটা কুফরি।
(৫) মন্দের ভালো এবং মজলুম হিসেবে তাদের পক্ষে থাকা যাবে। পাশাপাশি তাদের হেদায়েতের জন্য দু'আও করা উচিত।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...