আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
119 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (1 point)
আসসালামু আলাইকুম,
আমি একজন মাদ্রাসার ছাত্রি,প্রায় ২০২২ থেকে আমার মায়ের একজন হিন্দু লোকের সাথে হারাম সম্পর্ক আছে বলে আমি মনে করি, এবং আমি অনেক বার প্রমানো পেয়েছি, আমার বাবা দেশের বাহিরে থাকে। প্রথমত আমি ভাবতাম বিষয়টা বাবা কে জানানো দরকার, তবে এত বর একটা কথা শুনে বাবার হয়তোবা কিছু হয়ে যেতে পারে,  এই ভয়ে বলিনি বাবাকে৷ পরবর্তীতে অন্য কাওকে জানানোর কথা ভাবলাম,এবং আমার বড় ভাইকে বিষয়টি জানালাম, বড় ভাইয়া কে জানিয়েছি কারন ভাইয়া আমাকে একদিন বলেছিলো, ঐ লোকের সাথে কথা বলাটা তার কাছে ভালো লাগেনা, এই কথাটা শুনে ভাবলাম হয়তো ভাইয়ার কাছে কথাটা বললে ভালো হবে, এবং আমি বললামও, তবে বিষয়টা মোটেও ভালো দিকে গেলো না। ভাই গ্রামে জায় এর কিছুদিন পর,  এবং নানীকে বিষয়টা জানায়। নানী আম্মুকে এই বিষয়ে কথা বললে আম্মু ভায়ের সাথে খুব খারাপ ব্যাবহার করে, ঠিক মত কথা বলে না, আবার কিছু বললেও কেমন করে জেনো বলতো, আমরা পারিবারিক ভাবে বাহিরে ঘুরতে গেলেও ওই লোককে সাথে ডাকে,তবে ভাইয়াকে বলে জায়না, এ ঘটনার আগে বলে জেতো যদিও,,,,, এরপর আমি আর নিজে অন্য কাউকে বলার সাহস করতে পারিনি, পরে আমি ভাবলাম আমি নিজেই বলি আম্মুকে, শেষে সেই চিন্তাও বাদ দিতে হলো, কারন আমার ছোট ভাই বলে ছিলো, আম্মু  ঐ লোক জাকে মা আমাদের মামা ডাকতে বলেছে, তুমি মামাকে নিয়ে বেশি বেশি করো, কোথাও গেলে নিয়ে জাও,  একথা শুনে আম্মু আমাকে আলাদা করে বলে যে,  আমি তোমার মামার সাথে এক জায়গায় গিয়েছিলাম, ওদের বইলোনা, এ ঘটনার পর আমি কিছুই বলিনি আর আম্মুকেও, নাহয় এখন বাহিরে গেলে আমাকে বলে জায় পরে আমাকেও বলে জাবেনা, বা মিথ্যা বলে জাবে,।।।  আমার নানী ঐ লোককে নিজের ছেলের মত মনে করে, তবে তারা তো সত্যিটা জানেনা, আমার মায়ের দ্বীন সম্পর্কে মোটামুটি ভালোই ধারোনা আছে, তবে মাদ্রাসায় পরেনি, এখন প্রশ্ন হলো আমি জেনে বুঝে একটা পাপ কাজকে পস্রয় দিচ্ছি গোপন করছি এতে কি আমার কোনো গুনাহ হবে, কেয়ামতের দিন এর জন্য কি আমাকে পাকরাও করা হবে

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
পরকালে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ আ'মলের হিসাব নিকাশ দিতে হবে।কারো পাপের বোঝাকে অন্য কেহ বহন করবে না।

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺰِﺭُ ﻭَﺍﺯِﺭَﺓٌ ﻭِﺯْﺭَ ﺃُﺧْﺮَﻯ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﺪْﻉُ ﻣُﺜْﻘَﻠَﺔٌ ﺇِﻟَﻰ ﺣِﻤْﻠِﻬَﺎ ﻟَﺎ ﻳُﺤْﻤَﻞْ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْﺀٌ ﻭَﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﺫَﺍ ﻗُﺮْﺑَﻰ الخ
কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না। কেউ যদি তার গুরুতর ভার বহন করতে অন্যকে আহবান করে কেউ তা বহন করবে না-যদি সে নিকটবর্তী আত্নীয়ও হয়। 
(সূরা ফাতির-১৮)


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার মা যদি গোনাহে লিপ্ত থাকেন, তাহলে এজন্য আপনাদের গোনাহ হবে না। তবে সন্তান হিসেবে আপনাদের করণীয় হল, মায়ের অনৈতিক কাজে সমর্থন না দেয়া। বরং সামর্থ্য অনুযায়ী মাকে গোনাহ থেকে ফিরানোর সব রকম চেষ্টা করা। এক্ষেত্রে দুইটি প্রোগ্রাম হাতে নিতে পারেন। (ক) আপনারা সবাই বাবার নিকট চলে যাবেন। অথবা মাকে নিয়ে দূরদেশে কোথাও চলে যাবেন। (খ) বাবাকে দেশে নিয়ে আসবেন। দেশেই বাবাকে কোনো বিজনেসে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...