0 votes
31 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (89 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,

মুহতারাম,

  ১. যথাযথ অনুমতি ছাড়া ফটোকপি করে কোনো বই নতুন করে পাবলিস করা তো নাজায়েজ , তাহলে এমন ফটোকপি করা বই কেনা ও ব্যবহার করার বিধান কী ? এতে কি বইয়ের পড়ালেখায় বরকত হাসিলে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে ?

   ২. যথাযথ অনুমতি ছাড়া কোনো বইয়ের পিডিএফ আপলোড করা তো নাজায়েজ , এখন অনলাইনে থাকা পিডিএফ বইসমূহ ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ বা আপলোডকারীরা অনুমতি নিয়ে আপলোড করেছে কিনা তাতো আপাতদৃষ্টিতে প্রায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সঠিকভাবে জানা অত্যন্ত মুশকিল , এমন ক্ষেত্রে পিডিএফ বইসমূহ ডাউনলোড করা ও ব্যবহার করার বিধান কী ? এতে কি বইয়ের পড়ালেখায় বরকত হাসিলে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে ?

   ৩. যদি মূলবই কেনার মত তেমন অর্থসঙ্গতি কোনো শিক্ষার্থীর না থাকে , তাহলে তার জন্য উপরোক্ত ফটোকপি বই এবং পিডিএফ বই ব্যবহারের বিধান কী ? এতে কি বইয়ের পড়ালেখায় বরকত হাসিলে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে ?

1 Answer

+1 vote
by (32.3k points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

প্রকাশনা স্বত্ব সংরক্ষিত এমন বইয়ের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের যথাযথ অনুমতি ব্যতীত কোনো প্রকার কপি বা পিডিএফ ফাইল তৈরী করা ও বিক্রি করা কখনো জায়েয হবে না।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-১১৯৭

(১)

যেহেতু স্বত্ব সংরক্ষিত বইয়ের সাথে লিখক প্রকাশকের হক্ব জড়িত।তাই যথাযথ অনুমতি ব্যতীত এ জাতীয় বইয়ের ফটোকপি ক্রয় করাও জায়েয হবে না।এবং এতে বরকতও থাকবে না।

(২)

যেহেতু বইয়ের গায়ে লিখাই থাকে যে,স্বত্ব সংরক্ষিত। তাই এটাই স্বাভাবিক যে,তা অনুমতি ব্যতীত ই কপি করা হয়েছে।কেননা গ্রন্থাকার এটাই চান যে,কেউ উনার কিতাব পড়তে চাইলে ক্রয় করে পড়ুক।হয়তো এতে উনার আর্থিক কিছু স্বার্থ জড়িত রয়েছে,বিধায় তিনি বইয়ের সাথে লিখেই দিয়েছেন যে,স্বত্ব সংরক্ষিত।তবে ব্যতিক্রমও থাকতে পারে।

সুতরাং আমাদের জন্য উচিৎ,যতক্ষণ পর্যন্ত স্পষ্টভাবে অনুমোদনের বিষয়টি না আসছে,ততক্ষণ পর্যন্ত এত্থেকে বেঁচে থাকা।

(৩)

অন্য কোনো ভাবে এই প্রয়োজন মিটানো সম্ভব না হলে,এই শর্তে হয়তো জায়েয হতে পারে যে,ভবিষ্যতে স্বাবলম্বী হলে উনি প্রকাশনক/লিখকের নিকট এর যথাযথ মূল্য পরিশোধ করে দিবেন।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, Iom.

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...