আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
36 views
in সুন্নাহ-বিদ'আহ (Sunnah and Bid'ah) by (17 points)
কয়েকটি জরুরী প্রশ্ন:- দয়া করে দ্রুত দিবেন।
১। নামাজে কিরাত ভুল হলে করনীয়:-
তাহাহজ্জুদে দীর্ঘ সূরা পড়ার সময় মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যায়।
প্রশ্ন হচ্ছে-
- যদি ভুল হওয়ার সাথে সাথে বুঝতে পারি এবং পূনরায় উক্ত আয়াতটি শুদ্ধ করে পড়ি তাহলে নামাজ বাতিল হবে কিনা? অথবা সাহু সিজদা করতে হবে কিনা?
- যদি ভুল করার পর ২য় রাকাত গিয়ে স্বরন হয় ভুল হয়ে গেছে।  তাহলে করনীয় কী? নামাজ পুরোপুরি ছেড়ে দিবো নাকি সাহু সিজদাহ দিবো?
উল্লেখ আমি ভুল বলতে বড় ধরনের ভুল ই বুঝাচ্ছি যেমন তা এর জায়গায় ত্ব পড়া বা ح এর জায়গায় ه পড়া৷
২৷ মুখস্ত করার উদ্দেশ্য ১০টি আয়াত ১০বার পড়া আর নতুন ১০০টি আয়াত পড়লে কি একই সওয়াব পাওয়া যাবে?
মুলতো কোনটি বেশী উত্তম কাজ মুখস্ত করা নাকি নতুন আয়াত তিলাওয়াত করা? রমজানে শেষ ১০দিনে ৬০-১০০টি আয়াত বা ৭/৮পৃষ্ঠা মুখস্ত করার নিয়ত করেছি, সেক্ষেত্রে নতুন আয়াত তিলাওয়াত করা সম্ভব হবেনা। উল্লেখ্য আমি এখন পর্যন্ত একবারও পুরো কুরআন খতম করিনি।

1 Answer

0 votes
by (804,930 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
নামাযের কেরাতে যদি তাজবীদে ভূল হয়,যাকে লাহলে খাফী বলা হয়,তাহলে উক্ত নামাযকে দোহড়ানের প্রয়োজন নেই। তাজবীদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/1126  তবে যদি নামাযে এমন কোনো ভূল হয়,যার কারণে অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়,(এক্ষেত্রে তাজবীদ বিভাগের লাহনে জালী গ্রহণযোগ্য নয়,কেননা তাজবীদের পরিভাষায় এক হরফের স্থলে অন্য হরফ পড়ে নিলেই লাহনে জলী হয়ে যায়,চায় নিকটবর্তী মাখরাজ হোক বা দূরবর্তী মাখরাজ হোক,চায় অর্থ সঠিক থাকুক বা নাই থাকুক)কিন্তু ফুকাহায়ে কেরাম দূরবর্তী মাখরাজের উচ্ছারণের সময়ে এবং অর্থ বিগড়ে যাওয়ার সময়ে নামাযকে ফাসিদ হওয়ার ফাতাওয়া দিয়ে থাকেন।

সুতরাং নামাযে কোনো হরফ উচ্ছারণের সময়ে,সেই হরফের স্থলে তার দূরবর্তী মাখরাজের কোনো হরফ উচ্ছারিত হয়ে গেলে,এবং অর্থ বিগড়ে গেলে নামায ফাসিদ হয়ে যাবে।

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) তা এর জায়গায় ত্ব পড়া বা ح এর জায়গায় ه মূলত নিকটবর্তী মাখরাজ। এক্ষেত্রে সাধারণত অর্থ পরিবর্তন হয় না। এবং অর্থ পরিবর্তন না হলে নামায ফাসিদ হয় না। সুতরাং প্রশ্নের বিবরণমতে নামায ফাসিদ হবে না। তবে সর্বোত্তম হল, রাকাতের ভিতরেই পূনরায় দোহড়িয়ে পড়ে নিবেন। পরবর্তী রাকাতে চলে গেলে আর দোহড়ানো লাগবে না।তবে তাজবিদ তথা মাখরাজ ও  সিফাত সহকারে পড়ার সর্বোচ্চ চেষ্টাকে অভ্যাহত রাখবেন।

(২) মুখস্থ করার চেষ্টা করবেন। সওয়াব সমানই পাবেন। একবার খতম করে নিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...