বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সোনা, রূপা,টাকা,এবং ব্যবসায়িক মালে যাকাত আসে, যদি তা নেসাব পরিমাণ হয়।
স্বর্ণের নেসাবঃ৭.৫ ভড়ি।
রূপার নেসাবঃ৫২.৫ ভড়ি।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, কারো কাছে শুধুমাত্র স্বর্ণ বা শুধুমাত্র রূপা থাকলে সেটার নেসাব পূর্ণ হলেই যাকাত আসবে, অন্যথায় যাকাত আসবে না। তবে হ্যাঁ, যদি কারো নিকট স্বর্ণ এবং রূপা অথবা টাকা এভাবে থাকে যে, কোনোটিরই নেসাব পূর্ণ হয়নি, তাহলে এক্ষেত্রে রূপার নেসাবকেই মানদন্ড ধরে নেয়া হবে।
যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত হল, নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পর বৎসরের শুরু থেকে নিয়ে বৎসরের শেষ পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ মালের মালিক থাকা। এবং বৎসরের মধ্যখানে উক্ত মাল সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ না হয়ে যাওয়া। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/70964
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১)
আপনা শাশুরি শ্বশুরের পেনসন পাবে। তাছাড়া কিছু ধার দিয়েছিল সেগুলোও পাবে কিন্তু এখনো পায়নি, এমতাবস্থায় ধার দেওয়া টাকা যদি নেসাব পরিমাণ হয়, তাহলে শাশুড়িকে যাকাত তো দিতে হবে। তবে ধার দেওয়া টাকা উসূল হওয়ার পরই যাকাত ওয়াজিব হবে। যদি ধার দেওয়া টাকা নেসাব পরিমাণ না হয়, তাহলে কিন্তু যাকাত ফরয হবে না।
(২)
নেসাব পরিমাণ টাকা আছে এবং ১/২ভরি গোল্ডও আছে, তাহলে টাকার যাকাতের সাথে গোল্ড যতটুক রয়েছে, সেগুলোর বিক্রয় মূল্যরও যাকাত দিতে হবে।
প্রতি মাসে আমরা যে টাকা জমাই সেটার এক বছর বলতে যখন ৫২.৫ ভড়ি রূপার সমপরিমাণ হবে, তখন থেকে এক বৎসর গণনা করা হবে।