আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
117 views
in যাকাত ও সদকাহ (Zakat and Charity) by (16 points)
আমার শাশুরি শ্বশুরের পেনসন পাবে আর কিসু ধার দিয়েছিল সেগুলো পাবে বাট এখনো পায় নি তাহলে কি ঐ টাকার যাকাত আদায় করতে হবে?

নেসাব পরিমাণ টাকা আছে আর ১/২ভরি গোল্ড আছে তাহলে কি টাকার যাকাত এর সাথে গোল্ড কতটুক আছে তার যাকাত ও দিয়ে দিতে হবে নাকি শুধু জমানো টাকার যাকাত দিবো

প্রতি মাসে আমরা যে টাকা জমাই সেটার এক বছর কিভাবে হিসাব করে যাকাত দিবো?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সোনা, রূপা,টাকা,এবং ব্যবসায়িক মালে যাকাত আসে, যদি তা নেসাব পরিমাণ হয়।
স্বর্ণের নেসাবঃ৭.৫ ভড়ি।
রূপার নেসাবঃ৫২.৫ ভড়ি।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, কারো কাছে শুধুমাত্র স্বর্ণ বা শুধুমাত্র রূপা থাকলে সেটার নেসাব পূর্ণ হলেই যাকাত আসবে, অন্যথায় যাকাত আসবে না। তবে হ্যাঁ, যদি কারো নিকট স্বর্ণ এবং রূপা অথবা টাকা এভাবে থাকে যে, কোনোটিরই নেসাব পূর্ণ হয়নি, তাহলে এক্ষেত্রে রূপার নেসাবকেই মানদন্ড ধরে নেয়া হবে। 
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/121


যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত হল, নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পর বৎসরের শুরু থেকে নিয়ে বৎসরের শেষ পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ মালের মালিক থাকা। এবং বৎসরের মধ্যখানে উক্ত মাল সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ না হয়ে যাওয়া। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/70964


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১)
আপনা শাশুরি শ্বশুরের পেনসন পাবে। তাছাড়া কিছু ধার দিয়েছিল সেগুলোও পাবে কিন্তু এখনো পায়নি, এমতাবস্থায় ধার দেওয়া টাকা যদি নেসাব পরিমাণ হয়, তাহলে শাশুড়িকে যাকাত তো দিতে হবে। তবে ধার দেওয়া টাকা উসূল হওয়ার পরই যাকাত ওয়াজিব হবে। যদি ধার দেওয়া টাকা নেসাব পরিমাণ না হয়, তাহলে কিন্তু যাকাত ফরয হবে না।

(২)
নেসাব পরিমাণ টাকা আছে এবং ১/২ভরি গোল্ডও আছে, তাহলে টাকার যাকাতের সাথে গোল্ড যতটুক রয়েছে, সেগুলোর বিক্রয় মূল্যরও যাকাত দিতে হবে। 

প্রতি মাসে আমরা যে টাকা জমাই সেটার এক বছর বলতে যখন ৫২.৫ ভড়ি রূপার সমপরিমাণ হবে, তখন থেকে এক বৎসর গণনা করা হবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...