#Urgent please
আসসালামু আলাইকুম ওস্তাদ।আমি খুব পেরেশানিতে আছি।প্রশ্ন বড় হবে,অনুগ্রহ করে প্রশ্নের উত্তরগুলো সুন্দরভাবে বিস্তারিত বুঝিয়ে দিবেন। জাযাকাল্লাহু খাইরান।
প্রতি মাসের কিছুদিন/৪-৬ দিন [দিনের বা রাতের ৪-৫ ঘন্টা বা ৭-৯ ঘন্টা] আমার এমনভাবে অল্প অল্প সাদাস্রাব যায় যে আমি অজু করে ফরজ সালাতটুকুও আদায় করতে পারিনা।বারবার লজ্জাস্থান ধুয়ে অজু করে ৩-৪ বার সালাত আদায় করতে যেয়ে ওয়াক্তই শেষ হয়ে যায়।এটা হওয়ার সময় টেরও পাওয়া যায় না,কিন্তু লজ্জাস্থানে হাত দিয়ে বুঝা যায়,পরিমাণে খুবই অল্প থাকে,কিন্তু তা জরায়ুর ছিদ্রের বাইরে চলে আসে,তবে শরীরের অন্য কোনো স্থান/কাপড়ে লাগে না।আমি ভালো করে পবিত্র হয়ে লজ্জাস্থান মুছে তারপর সালাতে দাঁড়াই,এটা আমার ওয়াসওয়াসা না,আসলেই খুব সামান্য স্রাব ছিদ্রের বাইরে চলে আসে।
মাজুরের মাসআলা আমি জানি,বেশ কিছুদিন ধরেই আমি অনেক ফতোয়া পড়েছি আপনাদের এই বিষয়ে।কিন্তু আমার এই অবস্থায় কী করনীয় আমি বুঝতে পারছিনা। ২টা অবস্থা বর্ণনা করছি।
অবস্থা (১):সালাত ছাড়া এমনিতে ১৫-২০ মিনিট শুয়ে বসে থাকলে এই সমস্যা হয় না।সালাতে উঠা-বসা করতে যেয়ে সমস্যা হয়।
১.১.আমি দাঁড়িয়ে হাল্কা ঝুকে রুকু,আর একটু বেশি ঝুকে ইশারায় সালাত আদায় করে দেখেছি অজু ভাঙেনি।
১.২.দাঁড়িয়ে কিরাত পড়ে রুকু আদায় করে চেয়ারে বসে সিজদা দিয়েছি,অজু ভাঙেনি।
১.৩.দাড়িয়ে সালাত আদায় শুরুর পর মাটিতে বসে সিজদা দেওয়ার পর বাকি ৩ রাকাত বসেই সালাত আদায় করেছি,অজু ভেঙে গেছে।
হয়তো সিজদা দিতে গিয়ে এবং সিজদা শেষে দাঁড়ানোর সময় পেটে চাপ লেগে এই সমস্যা হয়।
১.৪.এভাবে দাড়িয়ে ইশারায় রুকু সিজদা দিলে দৃষ্টি কোন স্থানে রাখা লাগবে?
অবস্থা(২):লজ্জাস্থান ধুয়ে অজু করে ছোট সূরা দিয়ে ফরজ সালাতটুকু আদায় করতে আমার ১৫-২০ মিনিট লেগে যায়।
নামায বাদে এই পুরো সময়টুকু চুপচাপ বসে থাকলেও সামান্য সাদাস্রাব যায়। যেহেতু মাত্র ১৫-২০ মিনিট সময়ও পবিত্র থাকা যায় না, এই অবস্থায় কি আমি মাজুর হব?
যদি যোহরের ওয়াক্তে এমন মাজুর হই,এরপর আসর,মাগরিবে কমপক্ষে শুধু একবার হলেও এর আলামত দেখি।কিন্তু এশার সময় সুস্থ হয়ে যাই,তাহলে কি আগের নামায গুলা আবার কাজা আদায় করতে হবে? কিংবা আমি মাসের যেই কয়দিন সুস্থ থাকি তখন এই নামায গুলা কাজা করতে হবে?
সারা মাস তো আমার এমন অসুখ থাকে না।কিছুদিন এই সমস্যা হয়।নামাযের মাঝেও টের পাওয়া যায় না,সালাত শেষে হাত দিয়ে চেক করে দেখা যায়। এই অবস্থায় কীভাবে সালাত আদায় করব?সালাতের মাঝে তো প্রতি রাকাতে এভাবে হাত দিয়ে চেক করা সম্ভব না।
(৩)সাদাস্রাব শুধু ছিদ্রের বাইরে এসে আশেপাশে লেগে থাকে,কিন্তু লজ্জাস্থানের সীমানার বাইরে যায় না।স্রাব শুধু টিস্যু দিয়ে মুছে পবিত্র হওয়া যাবে?
ঢিলা কুলুখ তো শুধু টিস্যু দিয়ে নেওয়া জায়েজ।তাহলে সাদাস্রাব থেকে এভাবে পবিত্র হওয়া যাবে না পানি ছাড়া?