আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
85 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (51 points)
edited by

১। আমার অনলাইন পরীক্ষা দেয়ার সময় একবোন একাডেমির আইডিতে মেনশন দিয়ে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে সেই প্রশ্নে একটা শব্দের অর্থ উল্লেখ করে জিজ্ঞেস করে। আমার সেই প্রশ্ন আর সেই শব্দের অর্থ দেখে মনে পড়ে যায় যে প্রশ্ন তো ভালো করে খেয়াল করিনি ওটার অর্থ ভুল লেখেছি। পরে আমি ঠিক করি। ব্যাপারটা এমন না যে আমি শব্দটার অর্থ জানি না আরবী শব্দ ২টা কাছাকাছি হওয়াতে আমার খেয়াল না করায় এমন হয়েছে। এখন আমি যে এমন করলাম বোনের প্রশ্নের শব্দটার অর্থসহ উল্লেখ দেখে খেয়াল আসল আর লেখলাম এটা কি পরীক্ষায় খেয়ানত হল কিনা? বোনটা পরে প্রশ্নটা কেটে দেয় (হয়তো উস্তায উত্তর না দেয়ায়; উস্তায সম্ভবত তখন এক্টিভ ছিলেন না) 

২। একজন নারী এশার স্বলাতে ৩য় রাকাতে ফাতিহা জোড়ে পড়েছেন না আস্তে পড়েছেন খেয়াল নেই। এখন কী করণীয় এইক্ষেত্রে? যেদিন মন বেশি যায় সেই অনুযায়ী কাজ করবেন?

৩। যদি অফলাইনে পরীক্ষার সময় এমন হয় যে আমি একটা কিছু পারছি না এখন আমি কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করিনি কিন্তু আমার আশে পাশে যারা আছে তারা জিগেস করেছিল এই অবস্থাথা আমার তাদের কথা কানে যাওয়ায় আমার সেটা মনে পড়ে গেল এখন এটা আমি যদি খাতায় উত্তর লেখি সেটা কি জায়েজ হবে?

৪। পরীক্ষার খাতা দেয়ার পর যদি দেখি যে আমি ভুল করছি তবুও শিক্ষক বা শিক্ষিকা মার্ক কাটেননি হয়তো খেয়াল করেননি এইক্ষেত্রে আমার কি উচিত হবে সেটা ধরিয়ে দেয়া ও বলা যে শিক্ষিকা আপনি এখানে মার্ক কাটেননি বা গোল দাগ বা মার্ক করেননি! কিছু না বলা কি জায়েজ হবে?

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم

(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ   

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا»

হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেনঃ যে ধোঁকা দেয়, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভূক্ত নয়। {মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-২৩১৪৭, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-১৬৪, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-২৫৮৩, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২২২৫, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৪৯০৫}

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمُسْلِمُونَ عَلَى شُرُوطِهِمْ

হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেনঃ মুসলমানগণ তার শর্তের উপর থাকবে। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৩৫৯৪, সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-২৮৯০, শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৪০৩৯}

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
সেখানে তো আপনার প্রশ্নের জবাব ছিলোনা,সুতরাং প্রশ্নের বিবরণ মতে এতে খিয়ানত হবেনা।

(০২)
উক্ত নামাজ আদায় হয়ে যাবে। পুনরায় সেই নামাজ আদায় করতে হবে না।

(০৩)
এটা জায়েজ হবে না।

(০৪)
এমনটি বলা আবশ্যক নয়।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...