জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
মুগীরাহ্ বিন শু’বাহ্ (রাঃ)থেকে বর্ণিত।
وَعَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا قَامَ الْإِمَامُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ فَإِنْ ذَكَرَ قَبْلَ أَنْ يَسْتَوِي قَائِما فليجلس وَإِنِ اسْتَوَى قَائِمًا فَلَا يَجْلِسْ وَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيِ السَّهْو» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম দু’ রাক্’আত সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায় করার পর (প্রথম বৈঠকে না বসে তৃতীয় রাক্’আতের জন্যে) উঠে গেলে যদি সোজা দাঁড়িয়ে যাবার পূর্বে মনে হয় তাহলে সে যেন বসে যায়। আর যদি সোজা দাঁড়িয়ে যায় তবে সে বসবে না (এবং শেষ বৈঠকে) দু’টি সাহু সিজদা্ (সিজদা/সেজদা) করবে। (মিশকাত-১০২০,আবূ দাঊদ ১০৩৬, ইবনু মাজাহ্ ১২০৮, ইরওয়া ৪০৮)
ফরয নামাযের শেষ রাকাতে বৈঠক না করে ভুলে দাঁড়িয়ে গেলে অতিরিক্ত রাকাতের সিজদা না করা পর্যন্ত স্মরণ হওয়ামাত্র বৈঠকে ফিরে আসবে এবং সাহু সিজদার মাধ্যমে নামায সম্পন্ন করবে।
কিন্তু অতিরিক্ত রাকাতের সিজদা করে ফেললে নামাযটি আর ফরয থাকবে না।
বিস্তারিত জানুনঃ-
৪ রাকআত বিশিষ্ট ফরজ নামাজে ৪র্থ রাকআতের তাশাহুদ পড়ে ভুলে দাড়িয়ে গেলে সেক্ষেত্রে সেজদার আগে মনে পড়লে সেজদাহ না করে বৈঠকে গিয়ে সেজদায়ে সাহু আদায় করে নামাজ শেষ করে দিতে হবে।
৫ম রাকাতের সেজদাহ করে থাকলে সেক্ষেত্রে
৬ষ্ঠ রাকাতও আদায় করে নিবে।
এক্ষেত্রে ফরজ নামাজ আদায় হয়ে যাবে।
আর দুই রাকাত নফল হবে।
ফরজ নামাজটি আর আদায় করতে হবেনা।
হ্যাঁ যদি ৪র্থ রাকআতে বৈঠক না করেই দাঁড়িয়ে যায়,সেক্ষেত্রে তার নামাজের ফরজিয়্যাত বাতিল হয়ে যাবে।
পুনরায় ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে।
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনি যেহেতু সেজদায়ে সাহু আদায় করেছিলেন, সুতরাং আপনার নামাজ আদায় হয়ে গিয়েছে। পুনরায় সেই নামাজ আদায় করতে হবে না।
(০২)
দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে বা স্বাভাবিকভাবে রুকু সেজদা করতে যদি আপনার সমস্যা হয়, সেক্ষেত্রে এভাবে বসে নামাজ আদায় করার দরুন আপনার নামাজ আদায় হয়ে যাবে। পুনরায় সেই নামাজগুলি আদায় করতে হবে না।
(০৩)
আপনার নামাজ আদায় হয়েছে।
(০৪)
এক্ষেত্রে রোগী যদি মহিলা হয়,তাহলে তা জায়েয হবে,তবে তাদের সামনে দৃষ্টি সর্বদা নত রাখতে হবে। বিনা প্রয়োজনে তাদের সাথে কথা বলা যাবে না। অপ্রয়োজনীয় কথা বলা যাবেনা। শরীয়তের গণ্ডির মধ্যে থেকে তাদের সাথে কথা বলতে হবে।
(০৫)
জায়েয হবে,তবে তাদের সামনে দৃষ্টি সর্বদা নত রাখতে হবে। বিনা প্রয়োজনে তাদের সাথে কথা বলা যাবে না। অপ্রয়োজনীয় কথা বলা জায়েজ হবেনা। হাসি ঠাট্রা করা যাবেনা। শরীয়তের গণ্ডির মধ্যে থেকে তাদের সাথে কথা বলতে হবে।
(০৬)
এতে সন্তানের গুনাহ হবে না তবে বাবা-মা যদি বার্ধক্যে পৌঁছে তাদের খেদমতের যদি প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে খেদমতের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি বাবা মার যদি আর্থিক সংকট হয়, নিজের টাকা পয়সায় তাদের জন্য চলাফেরা যদি সম্ভব না হয়, এমতাবস্থায় সন্তান যদি স্বাবলম্বী হয়,প্রতি মাসেই নিজের প্রয়োজন থেকেও অতিরিক্ত টাকা থেকেই যায়, তাহলে সন্তানের জন্য বাবা মার ভরণপোষণের খরচ দিতে হবে।
(০৭)
এতে গুনাহ হবেনা।
তবে আপনার সোজা যে স্থানটি সেজদার জন্য উপযুক্ত, সেই স্থানের দিকেই আপনি দৃষ্টি রাখবেন, আর সেই স্থানেই আপনি সেজদা করবেন।
(০৮)
এতেও নামাজের সমস্যা হবেনা।
তবে আপনার সোজা যে স্থানটি সেজদার জন্য উপযুক্ত, সেই স্থানের দিকেই আপনি দৃষ্টি রাখবেন, আর সেই স্থানেই আপনি অন্যান্য সেজদা ও সাহু সেজদাহ করবেন।
(০৯)
এটি শরীয়াহ সম্মত পন্থা নয়।
সুতরাং সবদিকে সমান চুল রাখতে হবে।
বিস্তারিত জানুনঃ-
তিন তাসবিহ সমপরিমাণ সময় এভাবে হেলান দিয়ে থাকলে আমলে কাসির হওয়ায় নামাজ ভেঙ্গে যাবে।
(১১)
জায়েজ আছে।
(১২)
জায়েজ নয়।
আগেই গাইড দেখে আসতে হবে।
পড়ানোর সময় গাইড দেখা যাবেনা।
(১৩)
প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার নামাজ আদায় হয়ে গিয়েছে।