আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
95 views
in ব্যবসা ও চাকুরী (Business & Job) by (8 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম উস্তায।
কোনো ছেলে যদি তার মামার ভয়ে এবং পরিবার এর অভাবে পরে ঘোষ দিয়ে চাকরি নিতে বাধ্য হয় তাহলে করণীয় কি?
এই চাকরির জন্য কি সারাজীবন হারাম উপার্জন খাওয়া হবে?
আর ছেলের যদি এই চাকরি নেওয়ার মতো শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্বেও জেনে-বুঝে ঘুষের টাকায় চাকরি নেয়, তাহলে কি পরবর্তীতে সে তওবা করলে সেই তওবা সহীহ হবে? আর তার এই চাকরির টাকাও হালাল হবে নাকি হারাম-ই থেকে যাবে?
বিঃদ্রঃ ছেলের মামা চাকরির জন্য ঘোষের টাকা জমা দিয়ে দিয়েছে। এখন চাকরি হয়েই যাবে এমন অবস্থা। আর ছেলে ও মামাকে ভয় পায় বলে চুপচাপ থেকে সম্মতি দিয়েছে। এখন যদি এই চাকরি না নেয় তাহলে মামাকে ৪ লক্ষ্য টাকা জরিমানা দিতে হবে, যা দেওয়ার সামর্থ্য ছেলের নেই।
এখন করণীয় কি অনুগ্রহ করে জানাবেন ইনশাআল্লাহ।

1 Answer

0 votes
by (812,760 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
(এক)
ঘুষ কবিরা গুনাহ সমূহের একটি।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি থেকে বর্ণিত,

ﻋﻦ ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮٍﻭ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﻟَﻌَﻦَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺍﻟﺮَّﺍﺷِﻲ ﻭَﺍﻟْﻤُﺮْﺗَﺸِﻲ .
ঘুষ প্রদাণকারী ও গ্রহণকারী উভয়ের উপর রাসূলুল্লাহ সাঃ লা'নত দিয়েছেন।(মুসনাদে আহমদ-৬৭৯১সুনানে আবু-দাউদ-৩৫৮০)

(দুই)
ঘুষ দেওয়া ব্যতীত যদি নিজ প্রাপ্য হক আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে এমতাবস্থায় ঘুষ দেয়া জায়েয।অন্যথায় ঘুষ দেয়া হারাম।তবে ঘুষ গ্রহণ করা সর্বাবস্থায়-ই নাজায়েয ও হারাম।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/604

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!
ঘুষ দিয়ে চাকুরী বাগিয়ে নেয়া সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়েয। ঘুষ দিয়ে চাকুরী বাগিয়ে নেয়া কোনো মুসলমানের জন্য কখনো জায়েয হবে না। যদি কেউ ঘুষ দিয়ে চাকুরী বাগিয়ে নেয়, এরপর পরবর্তীতে সে ঠিকটাক মত কাজ করে যায়, তাহলে যেহেতু সে কাজের বিনিময় নিচ্ছে, তাই ইনকামকে হারাম বলা যাচ্ছে না।তবে ধোকা ও প্রতারণা এবং ঘুষ আদান প্রদানের গোনাহ অবশ্যই তার হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...