আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
11 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (4 points)
اللهم اعتق رقابنا من النار


اللهم اعتق رقابنا ورقاب آبائنا وأمهاتنا وأزواجنا وذرياتنا


وجميع المسلمين من النار


Allahumma a'atiq riqabana min naar. Allahumma a'atiq riqabana, wa riqaba aba'ina wa umahatina wa azwajina w jamea al.muslimeen min al.naar. 'O Allah, liberate our necks from (hell) fire! O Allah, liberate our necks, and those of our fathers and mothers, our wifes, our children and of all the muslims, from (hell) fire." ameen.


আল্লাহুম্মা 'আতি রিক্বাবানা মিনান-নার। আল্লাহুম্মা আতিক্ল রিক্বাবানা, ওয়া-রিক্বাবা আবা-য়িনা, ওয়া-উম্মাহাতিনা, ওয়া-আযওয়াজিনা, ওয়া-ঘুররিআতিনা, ওয়া-জামিয়ি'ল মুসলিমিনা মিনান-নার। (আরবী দুআটা কমেন্ট বক্সে দেওয়া)


অর্থ- ও আল্লাহ! আমাদের গর্দানগুলোকে আপনি (জাহান্নামের) আগুন থেকে রক্ষা করুন। ও আল্লাহ আপনি গর্দানগুলো রক্ষা করুন আমাদের বাবার, এবং আমাদের মায়েদের, এবং আমাদের জীবনসঙ্গীদের (স্পাউস), এবং আমাদের সন্তানদের এবং সকল মুসলিমদের, (জাহান্নামের) আগুন থেকে।


১)শাইখ এই দোয়াটা কি হাদীসে আছে বা দোয়াটা কি পড়া যাবে একটু বলবেন দয়া করে।


২)সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" এই গুলো কি সকালে ১০০ বার এবং সন্ধ্যায় ১০০ বার পড়তে হয় নিয়মটা এমন শাইখ?এভাবে পড়ার কথা কি হাদীসে এসেছে?

1 Answer

0 votes
by (720,840 points)
জবাবঃ- 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قال رسول الله ﷺ: «مَنْ سَأَلَ اللَّهَ الْجَنَّةَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، قَالَتِ الْجَنَّةُ: اللَّهُمَّ أَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ اسْتَجَارَ مِنَ النَّارِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، قَالَتِ النَّارُ: اللَّهُمَّ أَجِرْهُ مِنَ النَّارِ»

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন যে ব্যক্তি তিনবার জান্নাত চায়, জান্নাত বলে: “হে আল্লাহ! তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।” আর যে ব্যক্তি তিনবার জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চায়, জাহান্নাম বলে:
“হে আল্লাহ! তাকে আগুন থেকে রক্ষা করুন।”
(সুনান আত-তিরমিযী, হাদীস ২৫৭২)

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله ﷺ: «إِنَّ لِلَّهِ عُتَقَاءَ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، وَلِكُلِّ مُسْلِمٍ دَعْوَةٌ مُسْتَجَابَةٌ»

আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা প্রতি দিন ও প্রতি রাতে বহু মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন, এবং প্রত্যেক মুসলিমের একটি দোয়া কবুল করা হয়।
(সুনানে তিরমিজি ৬৮২,ইবনে মাজাহ ১৬৪৩)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত দোয়াটির অর্থ সহিহ,দোয়া হিসেবে জায়েজ ও উত্তম।

তবে রাসূল ﷺ থেকে হুবহু এই বাক্যে বর্ণিত পাইনি।

সুতরাং এটি হাদীস হিসেবে পাইনি,তাই বলতে পারি যে এটি হাদীসের অর্থের আলোকে রচিত একটি মাসনূন ভাবসম্পন্ন দোয়া।

(০২)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله ﷺ: «مَنْ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ مِائَةَ مَرَّةٍ فِي يَوْمٍ، حُطَّتْ خَطَايَاهُ وَلَوْ كَانَتْ مِثْلَ زَبَدِ الْبَحْرِ»

যে ব্যক্তি দিনে ১০০ বার বলে—
“সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি”,
তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়,
যদিও তা সমুদ্রের ফেনার মতো হয়।
(সহিহ বুখারী (৬৪০৫), সহিহ মুসলিম (২৬৯১)

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال رسول الله ﷺ: «مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، مِائَةَ مَرَّةٍ فِي يَوْمٍ…»

যে ব্যক্তি দিনে ১০০ বার হাদীসে উল্লেখিত কালিমা পড়ে তার জন্য সওয়াব লেখা হয়, গুনাহ মাফ হয় এবং শয়তান থেকে হিফাজত হয়।
(সহিহ বুখারী (৩২৯৩), সহিহ মুসলিম (২৬৯১)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" এই গুলো সকালে ১০০ বার এবং সন্ধ্যায় ১০০ বার পড়ার নিয়মটা হাদীসে নির্দিষ্ট আকারে পাইনি।

তবে প্রতি ফরজ নামাজের উক্ত তাসবিহ গুলো পর ৩৩ বার ৩৩ বার ও ৩৪ বার করে পড়ার কথা হাদিসে পেয়েছি। পাশাপাশি সুবহানাল্লাহ বিহামদিহি সকালে একশত বার সন্ধ্যা একশতবার পড়ার কথা হাদিসে পেয়েছি।

তদুপরি প্রশ্নে উল্লেখিত আমলও আমলযোগ্য।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...