আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
153 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (11 points)
বিষয়: জারজ সন্তান ও হুরমতে মুসাহারাত সংক্রান্ত মাসআলা
প্রশ্ন:
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
সম্মানিত মুফতি সাহেব,
একটি সূক্ষ্ম ফিকহি মাসআলায় শরয়ি ফয়সালা জানতে চাই।
একজন ব্যক্তি বিয়ের পর কাদিয়ানি হয়ে কাফির হয়ে যায়। ফলে শরয়ি দৃষ্টিতে তার স্ত্রীর সাথে নিকাহ বাতিল হয়ে যায়। নিকাহ বাতিল হওয়ার পরও ঐ নারীর ঘরে তার মাধ্যমে সন্তান জন্মগ্রহণ করে। শরয়ি দৃষ্টিতে এই সন্তান জারজ হিসেবে গণ্য।
পরবর্তীতে ঐ জারজ সন্তান বড় হয়ে বিবাহ করে। এখন যদি সেই পুরুষ যার বীর্যের মাধ্যমে জারজ সন্তান জন্ম নিয়েছে  ঐ সন্তানের স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলে (নাউযুবিল্লাহ),
তাহলে প্রশ্ন হলো—
১. এই সহবাসের কারণে কি ঐ নারী তার স্বামীর জন্য হুরমতে মুসাহারাতের কারণে হারাম হয়ে যাবে?
২. জারজ সন্তানের ক্ষেত্রে নসব সাব্যস্ত না থাকলেও, হুরমতের ক্ষেত্রে কি প্রকৃত বীর্যদাতাকে পিতা হিসেবে গণ্য করা হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) নিজের ঔরশজাত তবে বিধানগত জারজ সন্তানের স্ত্রীর সাথে হুরমতে মুসাহারাহ প্রমাণিত হবে। সুতরা 
(২)প্রশ্নের বিবরনমতে,
জারজ সন্তানের ক্ষেত্রে নসব সাব্যস্ত না থাকলেও, হুরমতের ক্ষেত্রে প্রকৃত বীর্যদাতাকে পিতা হিসেবে গণ্য করা হবে।
مأخَذُ الفَتوی
قال فی الدر: وحرم أیضا بالصہریة أصل مزنیتہ ․․․․․․ أو أصل ممسوسة بشہوة ․․․․․․ وفروعہن مطلقاً قال الشامی یرجع إلی الأصول والفروع: أي وإن علون وإن سفلن (الدر مع الرد: 4/108)

کما فی مصنف ابن ابی شیبہ : عن ابی ھانی قال قال رسول اللہ ﷺ من نظر الی فرج امراۃ لم تحل لہ امھا و لاابنتھا اھ(9/99)۔
و فی الھندیہ : فمن زنى بامرأة حرمت عليه أمها و إن علت و ابنتها و إن سفلت اھ(1/274)۔
وفی اتاتارخانیۃ:وفی الخانیۃ حرمۃ الصہریۃ تثبت بالعقد الجائز وبالوطئی حلالاً کان او حراماً اوعن شبہۃ اوزنا اھ(4/48)۔


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...