আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
32 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম।
১.বর্তমান নামাযের সাথে অতীতের নামায কিভাবে আদায় করব?তাহিয়্যাতুল ওযু,ইশরাক,চাশত,যাওয়াল,আওয়াবীন,তাহাজ্জুদ এর নামায পড়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করি।রেগুলার হয় না।কিন্তু করি।এক্ষেত্রে অতীতের কাযা নামাযের সময় বের করতে পারিনা।আমার কি এই নফল সালাতগুলো বাদ দিয়ে অতীতের কাযা ফরয ওয়াজিবগুলো আদায় করা উচিত? পরামর্শ দিবেন।

২.নফল রোজা রাখলে আওয়াবীনের নামায পড়তে পারি না।এক্ষেত্রে নফল রোযা রাখা বেটার নাকি নফল আওয়াবীন?

৩.ট্রেনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ওযু কিভাবে করব?ট্রেনের ওয়াশরুমে গেলে নাপাকি লেগে যাওয়ার চান্স থাকে আর ওযু করতে গেলে পর্দা রক্ষা সম্ভব হয়না।সেক্ষেত্রে কি তায়াম্মুম করা যাবে?

৪.ট্রেনে কিবলা কিভাবে নির্ধারণ করব?ট্রেন তো একেকসময় একেকদিকে টার্ন নেয়।

৫.দোকানের মুরগী বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া জায়েজ।কিন্তু আমি সন্দেহজনক ভেবে খাই না।আল্লাহ বলেছেন যিনার ধারের কাছেও যেও না।আমি সেজন্য ছেলেদের সাথে কথা বলি না।আত্মীয়দের সাথেও না।কারণ মনে হয় যে আমার কথা বলাটা প্রয়োজন না।পেঁয়াজ সাধারণ অবস্থায় খাওয়া জায়েজ বাট আমি এভয়েড করি।ফেসবুক, লিংকেডিন ডিলিট করে দিয়েছি যাতে মানুষ আমার অস্তিত্ব না বুঝুক।প্রয়োজনেও অনেক সময় বের হই না ঘরের বাইরে কারণ ফ্রিমিক্সিং। আরো অনেক বিষয় আছে যেটা প্রয়োজন পড়লেও করিনা বা জায়েজ বিষয়। এসব কি তাক্বওয়া নাকি বাড়াবাড়ি?
৬.আমি ছেলেদের সাথে কথা বলি না তাদের সামনে যাই না।কিন্তু আমি যদি আমার প্রয়োজন অন্য মেয়ের দ্বারা পূরণ করি যারা পর্দা করেনা।এই গুনাহ কি আমার হবে?অনেকে বলে নিজে তো সামনে যাওনা তাহলে আমি যাব আমার গুনাহ হবে না?

1 Answer

0 votes
by (714,960 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
নামাজ ত্যাগ অনেক মারাত্মক গুনাহ। 
হাদীস শরীফে এসেছে-
 
عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ " وَلاَ تَتْرُكْ صَلاَةً مَكْتُوبَةً مُتَعَمِّدًا فَمَنْ تَرَكَهَا مُتَعَمِّدًا فَقَدْ بَرِئَتْ مِنْهُ الذِّمَّةُ وَلاَ تَشْرَبِ الْخَمْرَ فَإِنَّهَا مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ " .
 
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার প্রিয় বন্ধু (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আমাকে এই উপদেশ তুমি স্বেচ্ছায় ফরয নামায ত্যাগ করো না। যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় তা ত্যাগ করে তারথেকে (আল্লাহর ) যিম্মদারি উঠে যায়। তুমি মদ্যপান করো না। কেননা তা সর্বপ্রকার অনিষ্টের চাবিকাঠি। (সুনানে ইবনে মাজাহ ৪০৩৪)
 
অধিক কাযা নামাজ তারতীবকে রহিত করে দেয়। ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়াতে আছে-
… حتي ترك صلاة شهر ثم قضي ثلاثين فجر ثم ثلاثين ظهرا ثم هكذا صح

মর্মার্থ: কারোর যদি এক মাসের নামাজ কাযা হয়ে যায়। অত:পর সে ত্রিশ দিনের ফজরের নামাজ কাযা করে তারপর জহর…তাহলে তা সহীহ আছে। ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া, ১/১৮৩

আরো জানুনঃ 

ইবনে আবেদীন শামী রাহ কাযা নামায পড়ার নিয়ম এভাবে দিয়েছেন যে,

ﻭﻓﻰ ﺍﻟﺪﺭ ﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ - ﻛَﺜُﺮَﺕْ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺋِﺖُ ﻧَﻮَﻯ ﺃَﻭَّﻝَ ﻇُﻬْﺮٍ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺃَﻭْ ﺁﺧِﺮَﻩُ،

ﻭﻗﺎﻝ ﺍﺑﻦ ﻋﺎﺑﺪﻳﻦ ﺍﻟﺸﺎﻣﻰ – ( ﻗَﻮْﻟُﻪُ ﻛَﺜُﺮَﺕْ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺋِﺖُ ﺇﻟَﺦْ ) ﻣِﺜَﺎﻟُﻪُ : ﻟَﻮْ ﻓَﺎﺗَﻪُ ﺻَﻠَﺎﺓُ ﺍﻟْﺨَﻤِﻴﺲِ ﻭَﺍﻟْﺠُﻤُﻌَﺔِ ﻭَﺍﻟﺴَّﺒْﺖِ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﻗَﻀَﺎﻫَﺎ ﻟَﺎ ﺑُﺪَّ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺘَّﻌْﻴِﻴﻦِ ﻟِﺄَﻥَّ ﻓَﺠْﺮَ ﺍﻟْﺨَﻤِﻴﺲِ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻏَﻴْﺮُ ﻓَﺠْﺮِ ﺍﻟْﺠُﻤُﻌَﺔِ، ﻓَﺈِﻥْ ﺃَﺭَﺍﺩَ ﺗَﺴْﻬِﻴﻞَ ﺍﻟْﺄَﻣْﺮِ، ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺃَﻭَّﻝَ ﻓَﺠْﺮٍ ﻣَﺜَﻠًﺎ، ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺇﺫَﺍ ﺻَﻠَّﺎﻩُ ﻳَﺼِﻴﺮُ ﻣَﺎ ﻳَﻠِﻴﻪِ ﺃَﻭَّﻟًﺎ ﺃَﻭْ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺁﺧِﺮَ ﻓَﺠْﺮٍ، ﻓَﺈِﻥَّ ﻣَﺎ ﻗَﺒْﻠَﻪُ ﻳَﺼِﻴﺮُ ﺁﺧِﺮًﺍ، ﻭَﻟَﺎ ﻳَﻀُﺮُّﻩُ ﻋَﻜْﺲُ ﺍﻟﺘَّﺮْﺗِﻴﺐِ ﻟِﺴُﻘُﻮﻃِﻪِ ﺑِﻜَﺜْﺮَﺓِ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺋِﺖِ . ( ﺭﺩ ﺍﻟﻤﺤﺘﺎﺭ، ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺼﻼﺓ، ﺑﺎﺏ ﻗﻀﺎﺀ ﺍﻟﻔﻮﺍﺋﺖ - 2/538

ভাবানুবাদঃ-উমরী কাযা নামায আদায় করতে হলে প্রথমে কোন ওয়াক্তের কতটা নামায কাযা হয়েছে তা নির্ণয় করবে।যদি সেটা নির্ণয় করা সম্ভব না হয়। তাহলে অনুমান করে নিবে। অনুমান করে কোন ওয়াক্তের কতটি নামায কাযা হয়েছে সেটা নির্ধারণ করে নিবে। তারপর ধারাবাহিকভাবে একে একে সবগুলোকে  আদায় করে নিবে।

যেমন, ফজরের নামায সর্বমোট ১০০ ওয়াক্তের কাযা হয়েছে। তখন কাযা নামায আদায় করার সময় এভাবে নিয়ত করবে যে, আমার জিম্মায় যত ফজরের নামায কাযা রয়েছে, সে অনাদায়কৃত নামায সমূহের মধ্য থেকে প্রথম ফজরের নামাযকে এখন কাযা আদায় করছি” এমন নিয়তে নামায আদায় করবে।এভাবে হিসেবে করে পড়তে থাকবে। প্রতিবার অনাদায়কৃত প্রথম ফজরের নামায বলার দ্বারা তার যিম্মায় যতগুলো নামায বাকি ছিলো, সেগুলোর প্রথম নামাযের নিয়ত হচ্ছে, তাই এক্ষেত্রে নিয়তটি নির্দিষ্ট নামাযেরই হচ্ছে।ঠিক উল্টোভাবেও করা যায়। অর্থাৎ যত নামায কাযা আছে তার সর্বশেষ অনাদায়কৃত কাযার নিয়ত করছি। এভাবেও পূর্বোক্ত পদ্ধতিতে বাকি নামাযের কাযা আদায় করা যাবে।(রদ্দুল মুহতার-২/৫৩৮)

এ ধারাবাহিকতায় বাকি নামায সমূহের ক্বাযা আদায় করবে। যোহর, আছর, মাগরিব, ইশা এবং সাথে বিতিরের নামাযকে ও এভাবেই আদায় করে নিবে।বিতিরের নামাযের ক্বাযা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/629

যত দিনের ইচ্ছে কাযা আদায় করা যাবে। কোন সমস্যা নেই।

উমরী কা’যার নামায সম্পর্কে  বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/968

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, 
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার উপর ফরজ হল আপনি পূর্বের ফরজ নামাজ গুলি এবং বিতের নামাজ গুলির কাজ আদায় করে নিবেন।

মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে আপনার এই ফরজ নামাজ গুলো সম্পর্কে হিসাব দিতে হবে।

নফল নামাজ তো অতিরিক্ত,  বান্দার মর্যাদা আল্লাহ তায়ালার কাছে বৃদ্ধির জন্য নফল পড়া হয়।

নফল নামাজ আদায় না করলেও আল্লাহ তায়ালার সামনে আপনাকে কোন জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে না।

এজন্য আপনার জন্য পরামর্শ হলো আপনি আগে আপনার জীবনের পূর্বের ফরজ নামাজ গুলির কাজা আদায় করে নিবেন।

(০২)
এক্ষেত্রে পরামর্শ হলো আপনি প্রতিনিয়ত নফল রোজা রাখবেন না।

প্রতি সপ্তাহের সোমবার বৃহস্পতিবার এবং প্রতি মাসে আইয়ামে বিযের রোজাগুলো রাখতে পারেন।

আর প্রত্যহ আওয়াবিনের নামাজ পড়তে পারেন।

(০৩)
এক্ষেত্রে সবচেয়ে সতর্কতা হলো আপনি আগে থেকেই অজু করে ট্রেনে উঠবেন এবং কোনক্রমেই যেন অজু ভেঙ্গে না যায় সেদিকে সতর্ক থাকবেন।

যদি কোনক্রমে অজু ভেঙ্গে যায় সে ক্ষেত্রে ট্রেন যে মাঝে মাঝে বিভিন্ন স্টেশনে এসে যাত্রা বিরতি দেয়, তখন আপনি অজু করে নিবেন।

ট্রেনে যদি আপনি কোন ভাবে অযু অবস্থায় না করে থাকেন, নামাজের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাচ্ছে এমন মুহুর্ত হয়,এমতাবস্থায় আপনার ওযুর যদি প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ট্রেনের ওয়াশরুমে গিয়ে আপনাকে ওযু করতে হবে।

এমতাবস্থায় ওয়াশরুমের ফ্লোর ভালোভাবে ধুয়ে নিবেন যাতে নিচে নাপাকি না থাকে এবং আস্তে ধীরে ওযু করে নিবেন।

বিস্তারিত জানুনঃ- 
https://ifatwa.info/103721

(০৪)
নামাযে কিবলামুখী হওয়া নামায সহীহ হবার জন্য শর্ত। কিবলামুখী না হলে নামায শুদ্ধই হবে না। 

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ     

قَدْ نَرَىٰ تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ ۖ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا ۚ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ ۚ وَحَيْثُ مَا كُنتُمْ فَوَلُّوا وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُ ۗ وَإِنَّ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَيَعْلَمُونَ أَنَّهُ الْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ ۗ وَمَا اللَّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا يَعْمَلُونَ [٢:١٤٤] 

নিশ্চয়ই আমি আপনাকে বার বার আকাশের দিকে তাকাতে দেখি। অতএব, অবশ্যই আমি আপনাকে সে কেবলার দিকেই ঘুরিয়ে দেব যাকে আপনি পছন্দ করেন। এখন আপনি মসজিদুল-হারামের দিকে মুখ করুন এবং তোমরা যেখানেই থাক, সেদিকে মুখ কর। যারা আহলে-কিতাব, তারা অবশ্যই জানে যে, এটাই ঠিক পালনকর্তার পক্ষ থেকে। আল্লাহ বেখবর নন, সে সমস্ত কর্ম সম্পর্কে যা তারা করে। {বাকারা-১৪৪}

ট্রেনা নামাজ আদায়ের মাসয়ালা হলোঃ-

ট্রেনে কিবলামুখি হতে যথাসাধ্য চেষ্টা করবে। যদি গাড়ি কিবলামুখ থেকে অন্যদিকে ঘুরে যায় তবে নামাজে থাকা অবস্থায় কিবলামুখি ঘুরে যাবে। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে যেদিকে মুখ হয়, সেদিকে ফিরেই নামাজ শেষ করবে। পরে নামাজ আবার দোহরিয়ে নিতে হবে।
,
 ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও কিবলামুখি হয়ে নামাজ আদায় করতে না পারলে এই নামাজ পরে আবার পড়ে নিতে হবে। কিবলামুখি ফিরে নামাজ আদায় করতে পারলে পরে তা আবার আদায় করার প্রয়োজন নেই।

 যানবাহনে ত্রুটিপূর্ণ নামায আদায় কারার পর সেখান নেমে পরবর্তীতে স্বাভাবিক অবস্থায় আবার নামাযকে এজন্য দোহরাতে হবে।

আরো জানুনঃ 

★যানবাহনে নামাজ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুনঃ 

(০৫)
মাহরাম আত্মীয়দের সাথে কথাবার্তা বলবেন। মুসলিম দোকান হতে মুরগি ক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে সে মুরগি খাবেন। অবশিষ্ট বিষয়গুলি মনে হচ্ছে বাড়াবাড়ি নয়।

(০৬)
আপনি যদি অন্যকে দিয়ে আপনার কোন কাজ করে নেন, আর সে যদি সেই কাজ বেপর্দা অবস্থায় করে বা শরীয়তের গণ্ডির বাহিরে গিয়ে করে, এমতাবস্থায় আপনারও গুনাহ হবে।

তাই আপনার জন্য উচিত আপনি কোন মাহরাম পুরুষকে দিয়ে আপনার বাইরের কাজগুলো করিয়ে নিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...