আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
51 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (56 points)
আসসালামু আলাইকুম। হুজুর একবার প্রশ্ন করে উত্তর করে উত্তর না পেয়ে আবার করলাম।হুজুর আমরা শরিয়ত যদি জানতাম যদি নিজেরা ফতোয়া নিতে পারতান তবেত আপনাদের প্রশ্ন করতাম না।হুজুর আমার দুলাভাই প্রবাস থেকে চলে আসবে বাহির থেকে দু একদিনের মধ্য বাহিরের একটা দারুল ইফতায় প্রশ্ন জমা দিলে অনেক সময় লেগে যায় উত্তর আসতে তাই দ্রুত উত্তর টা জানা দরকার দয়া করে উত্তর দিয়ে সাহায্য করবেন।আপনারা যদি উত্রর না দেন কিভাবে বুজব তালাক হল কিনা হয়ত জিনায় জরিয়ে যাওয়ার আশংখা থাকবে।সুস্থ মানুষ হলে নিশ্চিত ছিলাম যে তালাক হবে না।কিন্তু Iom এ দেখলাম রুগির নাকি তালাক হয় না।তাই সে যেই অবস্থায় বলেছে এই তালাক কি হবে।হুজুর আমার বুন একজন ওয়াসওয়াসার রুগি ।
সে একদিনে ৬/৭বার ওজু করে ।আল্লাহ কে নিয়ে খারাপ চিন্তা আসে।তালাক নিয়ে হুরমত নিয়ে বাজে চিন্তা আসে।একজন মুফতি  বলছিল  এটা  ওয়াসওয়াসার রুগ ডাক্তার দেখাতে হবে।পরে এরপর আমরা একজন ডাক্তার দেখাই। ডাক্তার বলে এটাত ওসিডি রুগ যেখানে ধর্ম নিয়ে আজে বাজে চিন্তা আসে,সেক্সুয়াল বাজে চিন্তা আসে আরও অনেক গুলা লক্ষন এর কথা বলে মনেও নাই ডাক্তার বলেছিল যে সুস্ত হতে ২বছএ অসুধ চালিয়ে যেতে হবে।কিন্তু আমার বুন শারিরীক ক্ষতি হত তাই সে অসুধ বন্ধ করে দেয়।এরপএ আমার বুন একদিন একা ঘরে বসেছিল এরপর সে সিন্ধান্ত নেয় তার স্বামির সংসার আর সে করবেন না তখনও সে ওসিডি বা ওয়াসওয়াসার রুগি ছিল।সে  বলেছিল যে আমি ৩তালাক  তালাক গ্রহন করলাম।সে ইচ্ছা করেই তালাক নেওয়ার উদ্দেশ্যিই সে এই কথা বলেছিল।সেই  তালাক কি হয়ে গেছে?নাকি সে রুগি হওয়াতে তালাক হয় নাই??সে ইচ্ছা করেই তালাক গ্রহন করছে কথাটা বলছিল।
বি:দ্র:হাসব্যান্ড বিয়ের পর তালাকে তাফবিজের ক্ষমতা দিয়ে রাখছিল।বর্তমানে সে তার জামাইয়ের সাথে সংসার করতে চায় সেটা কি কুনভাবে সম্ভব?প্লিজ হুজুর দয় করে উত্তর দিবেন।আর তালাক হয়ে গেলে এখন কি করনীয় সেই বিষয়েও পরামর্শ দিবেন কিভাবে আবার সংসার করা যাবে।

1 Answer

0 votes
by (714,870 points)
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। 

বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । 

এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। 

আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। 

আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (56 points)
আজব প্রশ্ন করলে উত্তর দেন্না  ত ইফতা বিভাগ এ কর্মরত আছেন কি করতে।আপনাদের সাথে কি মশকরা করার জন্য এখানে প্রশ্ন করি। মানুষের সমস্যাকে সমস্যা মনে হয় না।উত্তর দিতে না দিলে এত পড়াশোনা করে মুফতি হইছেন কেন আজব
by (714,870 points)
এটা আমাদের মাদ্রাসার আইন।
ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্নের জবাব দেয়া হবেনা।


আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...