জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
হালালের আধিক্যতা বেশি নাকি হারামের, এ প্রশ্নের জবাব নির্ভর করে তিনি হালাল পথে বেশি টাকা উপার্জন করছেন না হারাম পথে বেশি টাকা উপার্জন করছেন তার উপর।
(০২)
হারাম খাওয়ার দরুন এক্ষেত্রে সে জান্নাতে যাবেনা।
(০৩)
ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَصْبَحَ مُطِيعًا لِلَّهِ فِي وَالِدَيْهِ أَصْبَحَ لَهُ بَابَانِ مَفْتُوحَانِ مِنَ الْجَنَّةِ وَإِنْ كَانَ وَاحِدًا فَوَاحِدًا. وَمَنْ أَمْسَى عَاصِيًا لِلَّهِ فِي وَالِدَيْهِ أَصْبَحَ لَهُ بَابَانِ مَفْتُوحَانِ مِنَ النَّارِ وَإِنْ كَانَ وَاحِدًا فَوَاحِدًا» قَالَ رَجُلٌ: وَإِنْ ظَلَمَاهُ؟ قَالَ: «وَإِنْ ظلماهُ وإِن ظلماهُ وإِنْ ظلماهُ»
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় সকাল করল যে, সে তার মাতা-পিতার ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলার আদেশের অনুগত রয়েছে, তখন তার সে সকাল এমন অবস্থায় হয় যে, তার জন্য জান্নাতের দু’টো দরজা খোলা থাকে। যদি একজন হয়, তখন জান্নাতের একটি দরজা খোলা থাকে। আর যে ব্যক্তি মাতা-পিতার ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলার কাছে অপরাধী হিসেবে সকাল করে, তবে সে যেন এমনভাবে ভোর করল যে, জাহান্নামের দু’টো দরজা তার জন্য খোলা থাকে। আর যদি তাঁদের একজন থাকে, তবে একটি দরজা খোলা থাকে। এ সময় জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, যদি তাঁরা পুত্রের ওপর অবিচার করে? জবাবে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ যদি তারা পুত্রের প্রতি অবিচার করে, যদিও তাঁরা পুত্রের প্রতি অবিচার করে, যদিও তাঁরা পুত্রের প্রতি অবিচার করে।(বায়হাক্বী শু‘আবুল ঈমান ৭৯১৬, মিশকাত-৪৯৪৩)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
যেহেতি তারা মু'মিন,তাই নিজের কৃতকর্মের দরুন কিছু সময়ের জন্য জাহান্নামে গেলেও পরবর্তীতে জান্নাতে যাবে।
(০৪)
হ্যাঁ, এতে আপনি বাবা মার অবাধ্য হবেন।
(০৫)
শরীয়তের গণ্ডির মধ্যে থেকে খেলা হলে এটি হারাম হবে না।
(০৬)
এতে আপনি বাবা মার অবাধ্য হবেন।
(০৭)
আবারো অনুমতি নিতে হবে।
(০৮)
এতে কোনো ক্ষতি না হলে বান্দার হক নষ্ট হবেনা।