আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
143 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (15 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। কোন হুজুর যদি বলে কেউ তালাকের প্রশ্ন করলে, যদিও সে এমন না করে কিন্তু প্রশ্ন করেছে এমনি মাসআলা জানার জন্য, তালাক বলেছে বলে প্রশ্ন করলে তালাক হয় কিন্তু অন্য এক হুজুর যদি বলে প্রশ্ন করার কারণে কোন তালাক হয় না। তহ সবসময় যদি প্রথম হুজুরের মাসআলা মানে আর এক্ষেত্রে যদি দ্বিতীয় হুজুরের মাসআলা মানে তাহলে কি নফসের অনুসরণ হবে? ২য় হুজুরের মত যদি আরো দু একটা হুজুর ও বলে থাকে মানে তালাক হয় না তাহলে সেটা মানলে কি নফসের অনুসরণ হবে সবাই যদি একই মাজহাবের হয়?  বাকি সব মাসআলা কিন্তু ১ম হুজুরের মানে আর মানবে এমন নিয়ত হলে?আর দলিল কোনটা সঠিক?

1 Answer

0 votes
by (764,700 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

https://ifatwa.info/47559/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ-
হাদীস শরীফে এসেছেঃ 

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ أُفْتِيَ بِفُتْيَا غَيْرَ ثَبَتٍ فَإِنَّمَا إِثْمُهُ عَلَى مَنْ أَفْتَاهُ " .

আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দলীল-প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ব্যতীত কাউকে সিদ্ধান্ত (ফাতাওয়া) দেয়া হলে তার পাপের বোঝা ফাতাওয়া প্রদানকারীর উপর বর্তাবে।
(আবূ দাঊদ ৩৬৫৭, আহমাদ ৮০৬৭, ৮৫৫৮; দারিমী ১৫৯।  মিশকাত ২৪২।)

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: مَنْ تَقَوَّلَ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ وَمَنِ اسْتَشَارَهُ أَخُوهُ الْمُسْلِمُ، فَأَشَارَ عَلَيْهِ بِغَيْرِ رُشْدٍ فَقَدْ خَانَهُ وَمَنْ أُفْتِيَ فُتْيَا بِغَيْرِ ثَبْتٍ، فَإِثْمُهُ عَلَى مَنْ أَفْتَاهُ.

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যা বলিনি তা যে ব্যক্তি আমার প্রতি আরোপ করবে সে যেন দোযখে তার স্থান করে নিলো। কোন ব্যক্তির নিকট তার কোন মুসলিম ভাই পরামর্শ চাইলো কিন্তু সে তাকে ভ্রান্ত পরামর্শ দিলো। সে তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলো। আর যে ব্যক্তি দলীল-প্রমাণ ছাড়াই ফতোয়া দিলো, তার এই ফতোয়াদানের পাপ তার উপরই বর্তাবে। 
(মুসলিম. আল আদাবুল মুফরাদ ২৫৮)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনি কোন মুফতী সাহেব ফতোয়া নিয়েছেন,সেটি দেখতে হবে।
তিনি আপনার মাযহাবের না হলে এক্ষেত্রে ভূল আপনার।
কেননা আপনি অন্য মতালম্বী আলেম থেকে ফতোয়া নিয়েছেন।
যাহা মুকাল্লিদের জন্য কাম্য নয়।
,
আপনি যদি ২ জন মুফতীর মধ্যে দুই জনই নিজ মাযহাব অনুসারী, এমন ২ জন থেকেই ফতোয়া নেন,তাহলে দেখবেন কার ফতোয়াতে উক্ত ফতোয়ার স্বপক্ষে স্পষ্ট দলিল রয়েছে,নিজ ফতোয়ার স্বপক্ষে স্পষ্ট দলিল অনুযায়ী যিনি কথা বলবেন,তার কথা মানবেন।
,
যার ফতোয়াতে নিজ ফতোয়ার স্বপক্ষে স্পষ্ট দলিল নেই,তার কথা আপনি মানবেননা।

এক্ষেত্রে সাধারণত হানাফি মাযহাবের সকল মুফতী সাহেবদের ফতোয়া একই হবে।
,
যদি নিজ মাযহাবের স্কলার থেকেই ফতোয়া নেন,আর তার দেয়া ফতোয়ার স্বপক্ষে স্পষ্ট দলিল ভিত্তিক ফতোয়া নেয়ার পরেও ফতোয়া প্রদানে মুফতি সাহেবের  ভুল হলে সেই অনুযায়ী আপনি না জেনে আমল করলে প্রশ্নের বিবরণ মতে আপনার এক্ষেত্রে গুনাহ হবেনা।

গুনাহ সেই ফতোয়া প্রদানকারীরই হবে।
এমতাবস্থায় এটি নফসের অনুসরণ বলে গন্য হবেনা।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (15 points)
মানে উপরের ২য় ফতোয়া মানলে নফসের অনুসরণ হবে না এটা বলেছেন? আর সবসময় প্রথম হুজুরের মাসআলা মানলে কি সমস্যা হবে?
by (764,700 points)
মুফতী সাহেব একই মাযহাবের হলে এবং নিজ ফতোয়ার স্বপক্ষে স্পষ্ট দলিল থাকলে সে ফতোয়া যদি আপনি মানেন,(চাই সেটি ১ম টি হোক বা ২য় টি হোক) তাহলে এতে নফসের অনুসরণ হবে না।
by (15 points)
হুজুর মানে এটা বলতে চেয়েছি সবসময় প্রথম হুজুরের মাসআলা নেওয়া হয় ওনার গুলো ঠিক লাগে দ্বিতীয় হুজুরের মাসআলার চেয়ে কিন্তু এক্ষেত্রে এসে যদি দ্বিতীয় হুজুরের মাসআলা মানা হয়, নফসের অনুসরণ না হওয়ার জন্য অন্য আরো হুজুর ও দ্বিতীয় হুজুরের মাসআলার মত বলেছে কিনা সেটা যাচাই করে মানলে কি নফসের অনুসরণ হবে? বাকি সব ঠিকি প্রথম হুজুরের মাসআলা মানলে,?

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 183 views
...