আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
21 views
in পবিত্রতা (Purity) by (6 points)
আসসালামু আ'লাইকুম। আমি মেয়ে। আমার ওয়াসওয়াসা আছে। এখান থেকে একটা ভিডিও কিছুটা দেখে কমে গিয়েছিল, আবার বেড়ে গেছে। যে নিয়মগুলো জানিনা সেগুলো নিয়ে সমস্যা বেশি হয়।
১. প্রস্রাবের সময় আমার লজ্জাস্থানের দুপাশের উরুতে সবসময় প্রস্রাব লাগে। শেভ করলে বেশি হয়। তো এগুলো পরিষ্কার করতে গেলে কি নিচ থেকে উপরে হাত দিয়ে পরিষ্কার করা যাবে? অর্থাৎ ডানহাতে বদনা দিয়ে পানি দিয়ে বামহাতে যতটুকু পানি লাগে সেটা বামহাত দিয়ে যতটুকু ভিজেছে পুরোটা ঘষে দেয়া? আমি এখন উপর থেকে নিচে উরু ধুই, মানে পানিটা ঢালি এবং উপর থেকে বামহাতে ঘষে ঘষে নিচপর্যন্ত যাই। এভাবে দেখা যায় নাপাক পানির ছিটা দুই পায়ের গোড়ালিতেও লেগে যায়। তখন দুই পা নাপাক হয়ে যায়। পরে পা ধুতে অনেক পানি নষ্ট হয়।

২. আমাদের বদনার ডানহাতে ধরার জায়গাটা নাপাক হওয়ায় এখানে ভেজা হাত লাগলে হাত নাপাক হয়েছিল৷ এরপরে ওই হাত শুকিয়ে যায়। এরপরে ডানহাতটি ভালো পানি দিয়ে ধোয়ার সময় ডানহাতের আঙুলগুলো নিজেদের মধ্যেই হালকা ঘষি। যেহেতু নাপাকি শুকিয়ে গিয়েছে তাই ততক্ষণ ঘষতে হবে যতক্ষণ সন্দেহ দূর না হয়। কিন্তু আমার সন্দেহ দূর হয়নি, তার আগেই ভুলে গিয়ে ডানহাত দিয়ে আমার বামহাতের সোয়েটারের হাতা উপরে তুলে ফেলি। এরপরে সোয়েটার ধরে ফেলায় মনে হয় যে সোয়েটারের হাতায় নাপাকি লেগেছে। এতে সোয়েটারের হাতার উপরে তিনবার নতুন পানি নিয়ে মাসেহ করি। এটা করতে গিয়ে সোয়েটারের হাতা ঘষতে গিয়ে ডানহাতটি বামহাতেও লেগে যায়৷ এরপরে নিশ্চিত না যে মাসেহ করতে গিয়ে সোয়েটারটি আবার বামহাতের নাপাক জায়গাটিতে লেগেছে কীনা। লাগতেও পারে। এরপরে আবার বামহাত ধুয়েছি। কিন্তু সোয়েটারের হাতায় বামহাত থেকে আগেই নাপাকি লেগে থাকতে পারে এমন সন্দেহ হচ্ছে।

এখন করণীয় কী? সোয়েটারটিকে পাক ধরব?

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 347 views
...