আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
103 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (4 points)
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته
উস্তাদ আমাদের একটা পরিচিত ফ্যামিলি যদিও আত্মীয় না কিন্তু পুরাতন প্রতিবেশী পাশের বাসা ছিলো তাদের। অনেক সময় আমাদের প্রয়োজনে বিপদে তারা পাশে থেকেছিল ।ছেলের মায়ের সাথে আমার মায়ের অনেক মিল ছিলো।বাসা চেঞ্জ করার ৫/৬ বছর পর একদিন হটাৎ ছেলের সাথে কোনো ভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুলবশত কোনো ভাবে যোগাযোগ হয়ে যায় আমরা দুইজনই প্র্যাকটিসিং শয়তান,নফসের ধোকায় অন্যভাবে প্র্যাকটিসিং হওয়াতে কিভাবে কি হয়ে আমাদের মধ্যে দ্বীনের জন্য দুর্বলতা চলে আসে যেহেতু আগে থেকে ও জানা ছিলো তাই আরও বেশি দুর্বলতা কাজ করেছে।আমরা এইটা বুঝার পর তওবা করে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছি কিন্তু আবার ধোকায় ও পড়েছি কিন্তু আবার  আমরা নিজেদের সাথে অনেক যুদ্ধ করে দুরুত্বে থেকেছি ,আমরা কখনো কলে কথা বা একে অন্যকে দেখা বা হারাম সম্পর্কে যাই নি আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ হেফাজত করেছেন,শুধু মাঝে মধ্যে চ্যাট এ কথা হয়েছে প্রয়োজনে,আর কথা বন্ধ রেখে বিয়ের সঠিক সময়ের অপেক্ষা করেছি যখন তার বিয়ের সময় এসেছে  তার পরিবারে অন্য পাত্রী খুঁজা হচ্ছে আর সে ও চেষ্টা করতেছে তার পরিবার থেকে আমার পরিবারে প্রস্তাব দেয়ার জন্য কিন্তু তার পারিবারিক কিছু সমস্যার জন্য এখনো সরাসরি আমাকে প্রস্তাব দেয়ার কথা বলতে পারছে না হয়তো যোগাযোগ নেই তাই জানি না লাস্ট আমাদের কথা হয়েছিল যে কথা বললে গুনাহ হবে তাই অন্যের মাধ্যমে খবর নিবো আমরা একদম কথা বলা বন্ধ করে দেই,এখন আমার সিচুয়েশন খারাপ সে বেশি দেরি করলে আমাকে অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দিবে,

 তাঁকে কিছু খবর বা তার এদিকে কিছু খবর জানতে বা বিয়ের কথা বার্তা পাঠাতে বা কোনো প্রদক্ষেপ নিয়েছেন কিনা এসব জানার জন্য প্রয়োজনে কি কথা বলতে পারব? এতে গুনাহ হবে কি?কারণ গুনাহের ভয়ে আমরা প্রয়োজনীয় কথা বলা ও বন্ধ করে দিয়েছি আর আমরা আগে থেকে ও সোশ্যাল মিডিয়া কোনো কিছুতে কানেক্ট নেই,

এখন কারো মাধ্যমে ওইভাবে সঠিক খবর নেয়া যাচ্ছে না আর কোনো বোন বা ভাইয়ের মাধ্যমে খবর আদান প্রদানের চেষ্টা করে ও দেখা যাচ্ছে দুইজনের জন্য  ফেতনার সম্ভাবনা আছে ,কারণ উনার কোনো বন্ধুর মাধ্যমে খবর নিলে আমার জন্য ফেতনা থাকবে আর আমার বান্ধবীর মাধ্যমে খবর নিলে উনার জন্য ফেতনা হবে ।

দয়া করে জানাবেন এখন কি করতে পারি ।

1 Answer

0 votes
by (766,140 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

হাদীস শরীফে এসেছেঃ     

عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ : جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِىِّ ﷺ فَقَالَ : إِنِّىْ 
تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً مِنَ الْأَنْصَارِ قَالَ : «فَانْظُرْ إِلَيْهَا فَإِنَّ فِى اعْيُنِ الْأَنْصَارِ شَيْئًا».

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল যে, আমি জনৈকা আনসারী নারীকে বিয়ে করার ইচ্ছা করেছি (আপনার কী অভিমত?)। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, (বিয়ের পূর্বে) তাকে দেখে নাও। কেননা, আনসারী নারীদের চক্ষুতে কিছু দোষ থাকে।
(মুসলিম ১৪২৪, নাসায়ী ৩২৪৬, আহমাদ ৭৮৪২, সহীহাহ্ ৯৫ মিশকাত ৩০৯৮।)

عَنْ جَابِرٍ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «إِذَا خَطَبَ أَحَدُكُمُ الْمَرْأَةَ فَإِنِ اسْتَطَاعَ أَنْ يَنْظُرَ إِلٰى مَا يَدْعُوهُ إِلٰى نِكَاحِهَا فَلْيفْعَلْ»

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোনো নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেবে, আর যদি তার পক্ষে এমন কোনো অঙ্গ দেখা সম্ভব হয় যা বিবাহের পক্ষে যথেষ্ট, তখন তা যেন দেখে নেয়। 

(আবূ দাঊদ ২০৮২, সহীহাহ্ ৯৯, আহমাদ ১৪৫৮৬, ইরওয়া ১৭৯১, সহীহ আল জামি‘ ৫০৬।)

পাত্র-পাত্রীর পরস্পর দেখা সাক্ষাৎ ও অালাপ চারিতার কয়েকটি মূলনীতি-
  1. (১)খালওয়াত হতে পারবে না।
  2. (২)মুবাহ বিষয় ব্যতীত অন্য কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে না
  3. (৩)ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকতে হবে।যদি কামভাব জাগ্রত হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে যায়,অথবা কোনো একজন উপভোগ করতে শুরু করে নেয়,তাহলে তখন সেটা হারাম হয়ে যাবে।
  4. (৪)মহিলা নরম ভাষায় কথা বলতে পারবে না।
  5. (৫)মহিলা পূর্ণ হেজাব তথা কবজা পর্যন্ত হাত,টাখনু পর্যন্ত পা,এবং মুখ ব্যতীত সমস্ত শরীর ঢেকে রাখবে
  6. (৬)প্রয়োজন অতিরিক্ত কথাবর্থা বলা যাবে না।
আরো জানুনঃ- 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নের বিবরণ মতে সেই ছেলের সাথে এখন আপনি কথা বলতে পারবেন না।

আপনি উপরোক্ত তথ্যগুলো জানার জন্য আপনার কোন মাহরাম পুরুষের সহায়তা নিতে পারেন।

সেই মাহরাম পুরুষ ফোন দিয়ে বা সরাসরি সেই ছেলেটির সাথে দেখা করে উক্ত তথ্যগুলো নিতে পারেন এবং সে মাহরাম পুরুষের মাধ্যমে বিবাহের বিষয়ে আপনি এগিয়ে যেতে পারেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (4 points)
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته 

আমি কি আল্লাহর কাছে তার পরিস্তিতি সহজ হওয়ার জন্য দুআ করতে পারি?অপেক্ষা করতে পারি? এতে শরিয়তের দৃষ্টিতে গুনাহ হবে?
আমি যদি এই দুআ করি ,”আল্লাহ আপনার কাছে তো সব সম্ভব যদি উনি আমার দুনিয়া আখিরাতের জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে আমাদের বিয়ে সহজ করে দিন পারিবারিক সমস্যা জটিলতা দূর করে দিন”
by (766,140 points)
হ্যাঁ, দুয়া করতে পারেন।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...