বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
শরীয়তে বেতন জায়েয হওয়া বা না হওয়া নির্ভর করবে, মূল পেশা বা কাজের উপর। মূল পেশা বা কাজ বৈধ হলে বেতন হালাল হবে। এবং মূল পেশা বা কাজটি অবৈধ হলে, বেতন হারাম হবে। মূল কাজটি হালাল হওয়ার পর আনুষাঙ্গিক হারাম বিষয়াদি তাতে সংযুক্ত হলে, এতেকরে উক্ত কাজের বেতন হারাম হবে না।
দারুল উলূম দেওবন্দ থেকে প্রকাশিত একটি ফাতাওয়ায় বলা হয় যে,
شریعت میں تنخواہ کے جائز یا ناجائز ہونے کا مدار ، ملازمت کا بنیادی کام جائز یا ناجائز ہونا ہے، یعنی: اگر ملازمت کا بنیادی کام جائز ہو تو تنخواہ جائز ہوتی ہے اور اگر ملازمت کا بنیادی کام ناجائز ہو تو تنخواہ بھی ناجائز ہوتی ہے۔ اور ضمنی یا خارجی چیزوں کی وجہ سے اصل کام کی تنخواہ ناجائز نہیں ہوتی؛ لہٰذا آپ کی والدہ اگر کسی کالج یا یونیورسٹی میں لیکچرر ہوکر جائز مضامین پڑھاتی ہیں اور وقت اور نصاب کی پابندی کے ساتھ پڑھاتی ہیں تو اُن کی تنخواہ جائز ہے (فتاوی دار العلوم دیوبند، ۱۷: ۳۵۳، ۳۵۴، سوال: ۱۷۶۲، مطبوعہ: مکتبہ دار العلوم دیوبند)۔ اوردوران ملازمت وہ جو بے پردگی کرتی ہیں یا مردوں کے ساتھ اُن کا اختلاط ہوتا ہے، اِس کی وجہ سے اُن کی تنخواہ حرام نہ ہوگی؛ البتہ انھیں اِس کا گناہ ہوگا۔
جواب نمبر: 177357
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেহেতু পড়ানোর বিনিময়ে বেতন নির্ধারিত হয়ে থাকে, তাই যদি সহশিক্ষা সম্ভলিত কলেজ/ভার্সিটির নিয়ম অনুসারে কোনো প্রকার অবহেলা-অলসতা না করে যদি কোনো মহিলা অধ্যাপনা করেন, অর্থাৎ ঠিকটাক মত ডিউটি পালন করেন, তাহলে বিনিময়ে যে বেতন পাবেন, সেটা হারাম হবে না। হ্যা, শরয়ী পর্দা না করার দরুণ সর্বদা পর্দা লঙ্গনের গোনাহ হবে।বিস্তারিত জানুন- এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2902