ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
فِي فَتَاوَى مَا وَرَاءَ النَّهْرِ إنْ بَقِيَ مِنْ مَوْضِعِ الْوُضُوءِ قَدْرُ رَأْسِ إبْرَةٍ أَوْ لَزِقَ بِأَصْلِ ظُفْرِهِ طِينٌ يَابِسٌ أَوْ رَطْبٌ لَمْ يَجُزْ وَإِنْ تَلَطَّخَ يَدُهُ بِخَمِيرٍ أَوْ حِنَّاءٍ جَازَ
যদি ওজুর অঙ্গ সমূহের মধ্য থেকে সুই বরাবর কোনো অংশতে পানি না পৌছে,অথবা নকের মূল অংশের সাথে শুকনা বা ভিজা মাঠি লেগে এঠে যায়,তাহলে ওযু বিশুদ্ধ হবে না।কেউ যদি মেহিদি বা খামির(এক প্রকার রঙ্গিলা গাস) দ্বারা হাতকে রঙ্গিয়ে দেয়,তাহলে তার ওজু হবে। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৪)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1024
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) গুগল থেকে ভেসমল তেল সম্পর্কে জানতে পারি যে,
ভেসমল (Vasmol) তেল একটি বিশেষ ধরনের চুলের রং যা আমলকি, হিবিস্কাস (জাসুন্দ), এবং বাদাম তেল দিয়ে তৈরি হয়। এই সমস্ত উপাদান নাজায়েয বা হারাম নয়। সুতরাং এই তেল অজুর বিশুদ্ধতায় কোনো বাধা দিবে না। তাছাড়া দুলহান তেল সম্পর্কেও হারাম কোনো উপাদান আমাদের চোখে পড়েনি। সুতরাং দুলহান তেল ব্যবহার করা যাবে।
(২) সাধারণ জামাতের মত স্বামী-স্ত্রী পাশাপাশি দাড়িয়ে নামায পড়া মাকরুহ। হ্যা, বাসায় জায়গা কম হলে একটু আগ পিছ করে জামাতে নামায পড়া যাবে। দুইজনের মাঝে বালিশ রাখার কোনো প্রয়োজনিয়তা নাই। তবে রাখলে মন্দ হবে না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/9571
لما فی ردالمحتارمع الدر المختار:
"المرأة إذا صلت مع زوجها في البيت، إن كان قدمها بحذاء قدم الزوج لا تجوز صلاتهما بالجماعة، وإن كان قدماها خلف قدم الزوج إلا أنها طويلة تقع رأس المرأة في السجود قبل رأس الزوج جازت صلاتهما لأن العبرة للقدم".(کتاب الصلاۃ،باب الامامۃ،ج:1،ص:572،سعید)