আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
171 views
in পবিত্রতা (Purity) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম।
আমার গত পিরিয়ড শেষ হবার ২০ দিন পরে ২৮ তারিখ সকালে ফজরের ওয়াক্তে জমা ব্লাড দেখতে পেয়েছিলাম। যেমনটা আমার পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগে হয়। সাথে হালকা পেটে ব্যথা।
আমি ভেবেছিলাম পিরিয়ড হচ্ছে। তাই ফজরের নামাজ পড়িনি। তখন menstrual cup পড়ে নিই।
কিন্তু রাতে যখন কাপ খুললাম দেখলাম ব্লাডের কোনো চিহ্ন ও নেই। পিরিয়ড শুরুই হয়নি। তখন থেকেই দুশ্চিন্তা করছি যে জমা ব্লাড দেখে পিরিয়ড ভেবে সারাটাদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও পড়লাম না। পিরিয়ড যেহেতু শুরুই হয়নি। তাহলে আমার নামাজ কাজা গেল কিনা। ভাবলাম রাতের মধ্যে হয়ত শুরু হবে।
কিন্তু সকালেও দেখলাম ব্লাডের চিহ্ন ও নেই। menstrual cup পড়ে থাকার কারণে সারাদিন বুঝতেই পারিনি যে আসলেই কি পিরিয়ড হচ্ছে নাকি হচ্ছে না। সকাল ১০ টার দিকে সাদা স্রাব দেখতে পেয়েছিলাম। তখন ভাবছিলাম হয়ত পিরিয়ড না। সতর্কতা হিসাবে নামাজ পড়তে চাচ্ছিলাম যোহর থেকে। কিন্তু দুপুর থেকে অর্থাৎ ২৯ তারিখ দুপুর থেকে পিরিয়ড শুরু হয়। যা আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত, ৬ দিন ধরে চলেছে। কাল থেকে ইনশাআল্লাহ নামাজ শুরু করতে পারবো।
যেহেতু,
 ২৮ তারিখ  সকালে স্পষ্টভাবে জমাট রক্ত দেখেছিলাম। এবং ২৯ তারিখ সকালে অন্য কোনো কালার ছাড়াই শুধুমাত্র সাদা স্রাব দেখতে পেয়েছিলাম।
এখন আমার প্রশ্ন হলো,
২৮ তারিখ থেকে ২৯ তারিখ, প্রবাহিত ব্লাড দেখা যাওয়ার আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ দুপুর পর্যন্ত ওই সময়টুকু কি পিরিয়ডের বাইরে ধরে ওই ৬ ওয়াক্ত নামাজ কাজা আদায় করতে হবে?
নাকি ওই সময়টুকু পিরিয়ডের মধ্যেই ধরা হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দুই হায়েযের মাঝখানে পাক থাকার মুদ্দৎ কমের পক্ষে পনের দিন, আর বেশীর কোন সীমা নাই। অতএব, যদি কোন মেয়েলোকের কোন কারণবশতঃ কয়েক মাস যাবৎ হায়েয বন্ধ থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ঋতুস্রাব না হইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে পাক থাকিবে।

(১৩) মাসআলাঃ
যদি কোন মেয়েলোকের তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখা যায়, তারপর ১৫ দিন পাক থাকে; আবার তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখে, তবে আগেকার তিন দিন তিন রাত এবং পনের দিনের পর তিন দিন তিন রাত হায়েয ধরিবে। আর মধ্যকার দিন পাক থাকার সময়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
২৮ তারিখ জমাটবদ্ধ যেই রক্ত দেখেছিলেন, সেটা যেহেতু তিনদিন তিনরাত স্থায়ী হয় নাই, তাই এটাকে হায়েয বিবেচনা করা যাবে না। পরবর্তীতে ২৯ তারিখ থেকে যেই রক্তস্রাব শুরু হয়েছে, সেটা যদি তিনদিন তিনরাত স্থায়ী হয়, তাহলে সেই রক্তস্রাবকে হায়েয বিবেচনা করা হবে। হায়েয ধারণা করে যেই নামায আপনি পড়েননি, এই না পড়ার কারণে আপনার কোনো গোনাহ হবে না। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...