0 votes
46 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম জনাব, আমি একজন গ্রাফিক ডিজাইনার। আমি প্রডাক্ট,মডেলদের ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে উপার্জন করি, এক্ষেত্রে আমার উপার্জন পন্থা হালাল না হারাম? মডেলের ছবিতে যদি স্টিকার মেরে কাজ করি তাহলে কি জায়িয হবে? অনেক সময় অনেক কোম্পানির লোগো মডিফাই বা নতুন করে বানিয়ে দিতে হয় আমার প্রশ্ন হল কোম্পানিগুলো যদি হারাম করে থাকে তাহলে কি তাদের কোম্পানির লোগোর কাজ করাটা কি বৈধ হবে? আর যদি আমার অজানা থাকে কোম্পানি হালাল কাজ করছে না হারাম তাহলে তার হুকুম কি? অনেক সময় প্রডাক্টের সৌন্দর্যবৃদ্ধি করার জন্য এডিট করে দিতে হয় এটা করে দেওয়া দুরস্ত হবে কিনা? প্রডাক্ট না হয়ে মডেল হলে কি হুকুম? অনেক সময় ফ্লায়ার (পোষ্টার) বানিয়ে দিতে হয় এবং ক্লায়েন্ট কিছু ছবি দিয়ে দেয় বা আমাকে ছবি দিয়ে দিতে অর্ডার করে তখন আমার করনীয় কি? এবং এই কাজগুলো রিফিউজ করলে মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জন করাটা অনেক কষ্ট হয়ে যাবে এবং ক্লায়েন্ট শুন্য হয়ে যাওয়ার আশংকা আছে সেক্ষেত্রে করনীয় কি?

(অনেকগুলো প্রশ্ন একসাথে হয়ে গেছে সেইজন্য দুঃখিত ভুল মার্জনীয়)

1 Answer

0 votes
by (32.2k points)

বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-
শরীয়ত অনুমোদিত প্রয়োজন তথা -যা না হলে নয়।এমন প্রয়োজনে ছবি তুলা যায়।অযথা ছবি তুলা হারাম।ভার্চুয়াল ছবি নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।তবে গ্রহণযোগ্য কথা এটাই যে, বিনাপ্রয়োজনে যেকোনো ভাবে ছবি তুলা হারাম।চায় অঙ্কন করে হোক বা মুবাইল ক্যামেরা দিয়ে হোক।

ছবিহীন লগো তৈরী জায়েয।যে কম্পানি লগো তৈরী করাচ্ছে তারা যদি হারাম কোনো কাজে লিপ্ত হয় তাহলে এর গোনাহ তাদেরই হবে।যিনি লগো তৈরী করে দিছেন উনার কোনো গোনাহ হবে না।দেখুন- 1110

যদি কোনো চাকুরী এমন থাকে,যেখানে অধিকাংশ কাজ ছবিহীন এবং হালাল।তবে মাঝেমধ্যে ছবির কাজও করতে হয়।তাহলে প্রয়োজনের খাতিরে উলামাগণ ইস্তেগফারের সাথে উক্ত চাকুরীর রুখসত দিয়ে থাকেন।অবশ্য হালাল চাকুরীর তালাশ করা উক্ত ব্যক্তির উপর ওয়াজিব।যথক্ষণ না উনি পরিপূর্ণ কোনো হালাল চাকুরীর সন্ধান পাচ্ছেন,ততদিন পর্যন্ত এ চাকুরী উনি করতে পারবেন।উনার জন্য বৈধ রয়েছে।
ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যাহ-১৯/৪৭৯

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, Iom.

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...