ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যেহেতু সরকারী বিধিনিষেধ কে অগ্রাহ্য করার ধরুণ অনেক অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে হয়।যেমন- এক্ষেত্রে মিথ্যা বলতে হবে বা নিজ জান মালে ক্ষতির আশংকা, ইত্যাদি ইত্যাদি।
তাই এক্ষেত্রে সরকারী বিধিনিষেধ কে মান্য করাই উচিৎ। তাছাড়া যখন মানুষ কোনো দেশের নাগরিকত্ব সনদ গ্রহণ করে -তখন সে কথা বা হাবভাব দ্বারা- এটাই অঙ্গিকার করে নেয় যে, সে সরকারের সকল প্রকার আইন-কানুন মেনে চলবে।
এই অঙ্গিকার নামার দাবী এটাই যে,যতক্ষণ পর্যন্ত সরকারী বিধিনিষেধ শরীয়তের মূলনীতিকে অতিক্রম না করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত উক্ত সরকারী হুকুমকে মান্য করতে হবে।এবং মান্য করাটা ওয়াজিব পর্যায়ের।
সুতরাং বহির্বিশ্ব থেকে সরকারকে না জানিয়ে আমদানি-রফতানি করা যদিও জায়েয। কিন্তু সরকার যেহেতু করারোপ করে ফেলেছে,অন্যদিকে সরকারি এই বিধিনিষেধ কে অগ্রাহ্য করার ধরুণ অনেক শরীয়ত বিরোধী কাজে লিপ্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে,
তাই উলামায়ে কেরাম এমন আমদানি-রফতানি এবং সেই মালের ক্রয়-বিক্রয় থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।(ফাতাওয়ায়ে উসমানী-৩/৯০)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/861
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) সরকারি অনুমতি ছাড়া ভরত সীমান্ত দিয়ে পন্য পারাপার করা সম্পূর্ণ অনুচিত। তখন ঘুষ প্রদান করা অবশ্যই নাজায়েয ও হারাম।
(২) করফাঁকির পন্য দিয়ে ব্যবসা করা সম্পূর্ণ অনুচিত।
(৩) পন্য নিরাপদে আনার জন্য নানা জায়গায় ঘুষ দেয়া হয়েছে জানার পরও সেই পণ্য দিয় ব্যবসা বাণিজ্য করা সম্পূর্ণ অনুচিত।